Wednesday, December 4, 2019

এম.এস একসেস পরিচিতি ও ব্যবহার - Microsoft Access Tutorial

 এম.এস একসেস পরিচিতি ও ব্যবহার   
Data Base Management (M.S Access)

(এম.এস একসেস)

ডেটা বা উপাত্ত কি ?

কোন বিষয় বা জিনিষের নামকেই সাধারণ ভাবে ডেটা বা উপাত্ত বলে। যেমন: অবস্থা, সময়, পরিমমাণ, মূল্য ইত্যাদি নির্দেশক বিভিন্ন শব্দ বা সংখ্যা ডেটার উদাহরণ। ডেটা একটি বহুবচন শব্দ, যার একবচন ডেটাম।

তথ্য বা ইনমরমেশন কি ?

সংগৃহীত ডেটা বা উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর প্রয়োজন মত সাজানো বা অর্থপূর্ণ অবস্থাকে তথ্য বা ইনফরমেশন বলা হয়।


ডেটা সংগঠন কি ?

কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকণের উপযোগী ডেটা বা উপাত্তের বিশেষ সংগঠনকে ডেটা সংগঠন বা ডেটা ষ্ট্রাকচার বলা হয়। ক্যারেক্টর বা অক্ষর, ফিল্ড বা ক্ষেত্র রেকর্ড, ফাইল,ডেটাবেস প্রভৃতি ডেটা সংগঠনের অংশ।

ফিল্ড, রেকর্ড ও ফাইল কি ?

ফিল্ডঃ 
 ডেটা সংগঠনে কয়েকটি ক্যারেক্টর বা (বর্ণ,অংক, ইত্যাদি) নিয়ে গঠিত একটি আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। উদাহরণঃ Masud, Meena, Phone: 01736360897 ইত্যাদি।

রেকর্ডঃ পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে একটি রেকর্ড গঠিত হয়। যেমন: একজন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষার নাম, রোল নং, প্রাপ্ত নম্বর ইত্যাদি সমন্বয়ে একটি রেকর্ড গঠিত হয়।

ফাইলঃ 
 পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতকগুলো রেকর্ডের সুসংবদ্ধ সমন্বয়কে ডেটা ফাইল বলে। যেমন: শিক্ষকদের বেতন ও সম্মানী প্রদানের রেকর্ড নিয়ে বেতন প্রদানের ফাইল তৈরী হয়।

ডেটাবেস কি ?

ডেটাবেস বলতে ডেটা ভান্ডার বা ডেটা সম্ভারকে বুঝায়। সাধারণত: পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতকগুলো ডেটা ফাইল নিয়ে একটি ডেটাবেস গঠিত হয়। উদাহরণ: কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল সংরক্ষনের ফাইল, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানের ফাইল, প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ে ফাইল প্রভৃতি সমন্বয়ে ঐ প্রতিষ্ঠানের ডেটাবেস হতে পারে।

ডেটাবেসে ডেটা বা উপাত্তগুলো সাধারণত: সারি বা কলাম সমন্বয়ে গঠিত টেবিল আকারে সুসজ্জিত থাকে। যা থেকে নির্দিষ্ট কোন উপাত্ত অতি দ্রুত ও সহজে সনাক্ত করা যায়, প্রয়োজনীয় উপাত্তগুলো পছন্দের আঙ্গিকে সাজানো যায় বা পরিবর্তন করা যায় এবং চুড়ান্ত রিপোর্ট তৈরী করা যায়।

ডেটাবেস প্যাকেজ কি ?

ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত প্যাকেজ প্রোগ্রামকে ডেটাবেস প্যাকেজ বলা হয়। বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ডেটাবেস প্যাকেজ প্রোগ্রাম হলো- dBase, FoxBase, Foxpro, Access, Oracle ইত্যাদি।

একসেস কি ধরণের প্রোগ্রাম ?

মাইক্রোসফট একসেস একটি উইন্ডোজ ভিত্তিক শক্তিশালী রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম বা প্রোগ্রাম। প্রোগ্রামিং সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকলেও মাইক্রোসফট একসেস নিয়ে খুব সহজেই শক্তিশালী আকর্ষনীয় এপ্লিকেশন তৈরী করা যায়। একটি একসেস ডেটাবেসে এক বা একাধিক টেবিল ছাড়াও কোয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট, ম্যাক্রো, মডিউল ইত্যাদি থাকতে পারে। বর্তমানে একসেস ডেটাবেস একটি সর্বজনীন ডেটাবেস প্রোগ্রাম হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

 একসেস ডেটাবেসের উপাদান কি কি ?

ডেটা টেবিল হলো যে কোন ডেটাবেসের অন্যতম প্রধান উপাদান। অন্যান্য ডেটাবেস প্রোগ্রামে উপাত্ত সমূহ একটি একক টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে কিন্তু একটি এবসেস ডেটাবেসে এক বা একাধিক টেবিল ছাড়াও কোয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট, ম্যাক্রো, মডিউল ইত্যাদি থাকতে পারে।

কোয়েরি কি ?

কোন ডেটা টেবিলে অসংখ্য ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটাকে প্রদর্শনের সহজ ও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থাই হলো কোয়েরি। কোয়েরির সাহায্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের ডেটা নির্দিষ্ট শর্তানুসারে প্রদর্শস করা এবং তা ছাপিয়ে উপস্থাপন করা যায়। কোয়েরি বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন : সিলেক্ট কোয়েরি, প্যারামিটার কোয়েরি, ক্রশট্যাব কোয়েরি, একশন কোয়েরি এবং এসকিউএল কোয়েরি ইত্যাদি।

ফর্ম কি ?

ডেটাবেস প্রক্রিয়াকৃত বা চূড়ান্তভাবে মনোনীত ডেটা প্রদর্শন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করার মাধ্যমকে ফর্ম বলে। সাধারণত ফর্মের মাধ্যমেই ডেটাকে উপস্থাপন করা হয়। ডেটা টেবিলের ন্যায় ফর্মেও ডেটা এন্ট্রি করা যায়। এ জন্য প্রথমে প্রয়োজন মত ফর্ম ডিজাইন করে নিতে হয়। ফর্মে গ্রাফিক্স, চিত্র ও টেক্সটের সমন্বয় করা যায়।

রিপোর্ট কি ?

ডেটা টেবিলে ডেটা বিভিন্ন ভাবে সাজানো থাকে। ডেটাবেস থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা সমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে। ডেটা টেবিলের ডেটা সরাসরি প্রিন্ট না করে রিপোর্ট তৈরী করে অপেক্ষাকৃত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা যায়।

রিপোর্ট আবার কয়েক ধরণের হতে পারে। যেমনঃ-

১। ডিটেইল রিপোর্ট।   ২। সামারী রিপোর্ট।   ৩। ক্রশ-ট্যাবুলেশন রিপোর্ট।

৪। রিপোর্ট উইথ গ্রাফিক্স এন্ড চার্ট।  ৫। রিপোর্ট উইথ ফর্মস। ৬। রিপোর্ট উইথ লেবেল।

পেজ কি ?

ইন্টারনেটে মাইক্রোসফট একসেস বা SQL সার্ভারে সংরক্ষিত ডেটা নিয়ে কাজ করার জন্য ডেটাবেস একসেস পেজ তৈরী করা যায়। ডেটাবেস একসেস পেজ-এ ট্যাবের আওতায় সংরক্ষিত থাকে। একসেস পেজ মাইক্রোসফট একসেল বা এ জাতীয় অন্যান্য উৎসের ডেটা নিয়েও কাজ করা যায়।

ম্যাক্রো কি ?

ম্যাক্রো হচ্ছে এক ধরণের ছোট প্রোগ্রাম। এ ট্যাবে কিক করলে বর্তমান ডেটাবেসের সকল ম্যাক্রো প্রোগ্রামগুলোর তালিকা দেখা যায়। এখান থেকে কোন ম্যাক্রো সংশোধন বা নতুন ম্যাক্রো তৈরী করা যায়।

মাইক্রোসফট একসেস লে-আউট উইন্ডোর পরিচিতি ।

কম্পিউটার চালু হওয়ার পর Start > Programs/All Programs > Microsoft Access > Enter বার্টন/কী চাপলে অথবা মাউসের দ্বারা  Microsoft Access এর উপর ক্লিক করলে মাইক্রোসফট একসেস প্রোগ্রামটি পর্দায় সচল হয়।

Microsoft Access এর লে-আউট উইন্ডেতে টাইটেল বার, মেনু বার, ডাটাবেস টুলবার, ষ্ট্যাটাস বার, টাস্ক বার ইত্যাদি থাকে।

টাইটেল বারঃ  উইন্ডোর শীর্র্ষদেশে মাইক্রোসফট একসেস লেখা লাইন বা বারকেই টাইটেল বার বলে।

মেনুবারঃ 
 টাইটেল বারের নীচে File, Edit, View, Insert, Tool, Window, Help  লেখা লাইন বা বারকে মেনুবার বলে।

টুলবারঃ সাধারণত :
 টাইটেল বারের নীচে বিভিন্ন আইকন বা চিত্র সম্বলিত বারকেই টুলবার বলে। মাইক্রোসফট একসেসে বিভিন্ন টুলবার রয়েছে। তন্মধ্যে ডেটাবেস টুলবারটি ডিফল্ট হিসেবে সেট করা থাকে। টুলবার উইন্ডো থেকে যে কোন টুলবারকে এক্টিভ উইন্ডোতে হিড বা ডিসপ্লে করানো যায়।

ষ্ট্যাটাস বারঃ 
 উইন্ডোর নীচে ষ্টার্ট-আপ বা টাস্ক বারের উপরে যেখানে Ready (রেডি) লেখা থাকে তাকে ষ্ট্যাটাস বার বলে। এই বারে সর্বদা বিশেষ তথ্য প্রদর্শন করে।

কন্ট্রোল মেনুঃ 
 টাইটেল বারের শুরুতে চাবি চিহ্নিত বক্সে মাউসের ক্লিক করলে একটি মেনু প্রদর্শিত হয়। একে কন্ট্রোল মেনু বলে।

কোজঃ
  টাইটেল বারের ডান পাশে ক্রস () চিহ্নিত বার্টনকে কোজ বর্টন বলে। এই বার্টনে কিক করে চলমান উইন্ডো থেকে বের হওয়া যায়।

মিনিমাইজঃ
   টাইটেল বারের ডান পাশে বিয়োগ (-)চিহ্নিত বার্টনকে মিনিমাইজ বার্টন বলে। উইন্ডোকে বড় থেকে ছোট করার জন্য এ বার্টনে কিক করতে হয়।

ম্যাক্সিমাইজঃ
   টাইটেল বারের ডান পাশে বর্গাকার () চিহ্নিত বার্টনকে ম্যাক্সিমাইজ বার্টন বলে। উইন্ডোকে ছোট থেকে বড় করার জন্য এ বার্টনে কিক করতে হয়।

মাইক্রোসফট একসেস-এ একটি নতুন ডেটাবেস টেবিল তৈরী করার পদ্ধতি কি ?

মাইক্রোসফট একসেসে দুই ভাবে টেবিল তৈরী করা যায়। টেবিল উইজার্ড (Table wizard) ডিজাইন ভিউ (Design view) থেকে।

টেবিল উইজার্ড- এ টেবিল তৈরী করার পদ্ধতিঃ

ডেটাবেজ উইন্ডো থেকে Create Table by using Wizard- এ ডবল কিক করলে টেবিল উইজার্ড বক্স আসবে।

উইজর্ডের বাম দিকে Sample Table লেখা অংশে বিভিন্ন টেবিলের নাম থেকে প্রয়োজন মত টেবিল নির্বাচন করতে হবে। এটা নির্বাচন করা হলে উইজার্ডের মাঝের অংশে এটির ফিল্ড সমূহ প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে পছন্দ মত ফিল্ড নির্বাচন করলে তা উইজার্ডের ডান পাশে প্রদর্শিত হয় এবং নতুন টেবিলের ফিল্ড নাম হিসেবে বিবেচিত হয়।

ফিল্ড নির্বাচন করাঃ ফিল্ড নির্বাচিত করা হলে নির্বাচিত ফিল্ড সমূহ Field in my new table বক্সের মধ্যে প্রদর্শিত হবে।

             .>   চিহ্নিত বোতাম কিক করে একটি ফিল্ড নির্বাচন করা যায়।

            .>>  চিহ্নিত বোতাম কিক করে সকল ফিল্ড একসাথে নির্বাচন করা যায়।

            .<    চিহ্নিত বোতাম কিক করে একটি ফিল্ড বাতিল করা যায়।

            .<<  চিহ্নিত বোতাম কিক করে সকল  ফিল্ড বতিল করা যায়।

উইজার্ডের বাম অংশ থেকে Student নির্বাচন করে মাঝের অংশে যথাক্রমে StudentID, First Name, Address, City, Student Number ফিল্ডগুলোতে ডবল কিক করে তা নির্বাচিত করে Finish বার্টনে কিক করলে Student নামে একটি টেবিল তৈরী হবে।

ডিজাইন ভিউ- এ টেবিল তৈরী করার পদ্ধতিঃ

ডেটাবেস উইন্ডো থেকে টেবিল ট্যাব নির্বাচন করে এ ডবল ক্লিক করলে ডিজাইন ভিউ আসবে।

ফিল্ড নেম কলামের প্রথম রো হতে পর্যায়ক্রমে StudentID, First Name, Address, City, Student Number ইত্যাদি লিখতে হবে। Data Type হিসেবে Text নির্বাচন করতে হবে।

টেবিল Save করার জন্য ফাইল মেনু থেকে Save অপশনে কিক করলে  Save As ডায়ালগ বক্স আসবে টেবিলের নাম লিখে Ok বার্টনে ক্লিক করলে সেভ হবে। এবার ফাইল মেনু থেকে Close অপশনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর ফাইলটি অর্থাৎ তৈরি করা টেবিলটি ওপেন করে প্রয়োজনীয় ডাটা এন্ট্রি করলেই ডিজাই ভিউ-এ একটি ডাটা টেবিল তৈরি হলো।

Friday, March 18, 2016

HTML এ ব্লিংক ইফেক্ট যুক্ত লেখা করুন যে কোন লেখাকে - Blink Effect in Text


নিত্যনতুন অনেক বন্ধুর নতুন নতুন কোলাহল প্রতিনিয়ত আমাদের কাছে আসে, কখনো কমেন্ট বক্সে কমেন্ট এর মাধ্যমে কখনও ফেসবুক থেকে কখনও বা টুটার এর মাধ্যমে। যাইহোক, এই অনেক অনেক সাইটে দেখেছেন, যে টেক্স মিটমিট করেছে, মানে ব্লিংক করছে। কিন্তু কিভাবে দিতে হয় এই ব্লিংক ইফেক্ট সেটি হচ্ছে আজকের টপিক। আসুন দেখে নেই কিভাবে দিবেন এই ব্লিংক ইফেক্ট। [ কিভাবে ব্লগে বা সাইটে Contact Form যুক্ত করবেন ? Source কোড সহ ]

আপনারা যারা বিভিন্ন ব্লগে বা ফোরামে লেখালেখি করেন তারাও ওয়েব ডেভেলপারের পাশাপাশি এই ইফেক্টটি ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া HTML (Hyper Text Markup Language ) সাপোর্ট করে এমন যেকোন কমেন্ট বক্সেও আপনি এই ইফেক্টটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। [HTML বাংলা টিউটোরিয়াল শুরু থেকে শেষ]
এই পষ্টে আমরা একটি এইচটিএমএল (HTML) ট্যাগ এর সাথে পরিচিত করিয়ে দেব । যেটি ব্যাবহার করে আপনি ব্লিংক ইফেক্ট দিতে পারবেন। ট্যাগটি আসলে এর কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ট্যাগটি হল-

<blink> </blink>

কিভাবে ব্যবহার করবেন ?
  • স্টার্ট ও এন্ড ট্যাগের মাঝে যেই লেখা থাকবে সেটিই ব্লিংক (Blink) করবে বা মিটমিট করবে।
উধাহারন-

<blink>Welcome to Blink</blink>

  • Wordpress ( ওয়ার্ডপ্রেস ) দ্বারা চালিত ব্লগে যারা লেখালেখি করে থাকেন তারা কোডটি HTML (এইচটিএমএল) ভিউ অপশনে পেস্ট করবেন। ওয়ার্ডপ্রেস ডট কমে এটি সাপোর্ট করবে না কারন ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম (HTML) এইচটিএমএল কোড লেখার জায়গা রাখলেও সিকিউরিটির কারনে এইচটিএমএল এর সব কাজ এটিতে করা যায় না।
  • Blogspot এ করতে চাইলে HTML মোডে ক্লিক করে লেখাটি লিখে দিলে সহজে কাজ করে।
  •  ডেম- Click Here to Demo
বন্ধু, আজ শেখলাম টেক্সট ব্লিংক ইফেক্ট যুক্ত করন। আজ এখানেই সময় পেলে আগমনী বার্তা থেকে একবার ঘুরে আসুন। সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। ধ্যন্যবাদ।  

Tuesday, August 25, 2015

HTML বাংলা টিউটোরিয়াল শুরু থেকে শেষ

 HTML কি? ( HTML বাংলা টিউটোরিয়ালঃ পর্ব-১ )

HTML (Hyper Text Mark Up Language) একটা কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ, যা পৃথিবীর বিশাল তথ্য-ভান্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। একটা ওয়েব পেজের মূল গঠন তৈরি হয় HTML দিয়ে। HTML কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, একে Hyper Text Mark Up Language বলা হয়। Mark Up Language এক সেট Mark Up ট্যাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়। একটা ওয়েব পেজের বিভিন্ন অংশ ব্রাউজারের মাধ্যমে কিভাবে প্রদর্শিত হবে, তা HTML এ Mark Up ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয় ।
HTML বাংলা টিউটোরিয়াল

এটিও পড়ুন - Microsoft Power Point কি? জেনে নিন পাওয়ার পয়েন্টের অজানা কিছু তথ্য

HTML এর ইতিহাস


HTML বা Hyper Text Mark Up Language তৈরি করেছেন টিম বার্নাস-লী। এখানে এইচটিএমএল এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হবে।
 HTML বা Hyper Text Mark Up Language তৈরি করেছেন টিম বার্নাস-লী। HTML তৈরির উদ্দেশ্য ছিল বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য উপাত্ত দ্রুত পৃথিবীর বিভ্ন্নি স্থানে আদান প্রদানের ব্যবস্থা করা। ১৯৯০ সালের দিকে NCSA কর্তৃক ডেভলপকৃত মোজাইক ব্রাউজারের মাধ্যমে HTML পরিচিতি লাভ করে। ১৯৯৭ এর জানুয়ারীতে WC3 কর্তৃক প্রথম ডেভলপকৃত HTML3.2 প্রকাশিত হয়। একই বছরে শেষে ডিসেম্বরে WC3 HTML এর নতুন সংস্করণ HTML4.2 প্রকাশ করে। ২০১০ সালে বর্তমানে প্রচলিত HTML এর সর্বশেষ ভার্সন HTML5 জনসম্মূখে পরিচিতি লাভ করে।
এটিও পড়ুন - PHP ও MySQL বাংলা টিউটোরিয়াল - স্টেপ বাই স্টেপ

প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতি

 যে কোন প্রোগ্রাম লেখার জন্যই কোন একটা এডিটর ব্যবহার করে কোডিং করতে হয়।এখানে এইচটিএমএল এ প্রোগ্রাম লেখার সাধারন পদ্ধতি, একটি প্রাথমিক প্রোজেক্ট এবং সাধারন ট্যাগসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
যে কোন প্রোগ্রাম লেখার জন্যই কোন একটা এডিটর ব্যবহার করে কোডিং করতে হয়। HTML এ প্রোগ্রাম লেখার জন্য প্রাথমিকভাবে এডিটর হিসেবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ডিফল্ট এডিটর notepad ব্যবহার করা যেতে পারে এবং বাড়তি সুবিধা পাবার জন্য এডভান্স এডিটর হিসেবে Dreamweaver এবং Notepad++ ব্যবহার করা ভাল। HTML এ লেখা প্রোগ্রাম .html এক্সটেনশন যেমন index.html দ্বারা Save করে যেকোন ব্রাউজার যেমন Internet explorer, Mozilla Firefox , Google chrome এবং Opera দ্বারা দেখা যাবে।

HTML এ লেখা প্রোগ্রামের মৌলিক অংশ সমূহ

<html>
<head>
<title> www.tutohost.com</title>
</head>
<body>
This is my first web page. I am learning now HTML.
</body>
</html>
 একটা নোটপ্যাড open করে উপরের code টুকু লিখে file মেনু থেকে Save as এ ক্লিক করে File name: index.html , Save as type : All files, দিয়ে save করে index.html ফাইলটি Mozilla Firefox দিয়ে open করলে নিচে প্রদর্শিত ছবির মত দেখাবে।

 HTML এ লেখা প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশ বিশ্লেষণ

প্রোগ্রামের মধ্যে <> এবং < /> দুইটা চিহ্ন এবং এর মধ্যে কিছু Word যেমন html, head, title, body এগুলোকে Keyword বলে এবং <> বা < /> চিহ্ন এবং এর মাঝে লেখা একটি Keyword কে ট্যাগ বলা হয়। যেমন <head> অর্থ head ট্যাগ। HTML এ দুই ধরনের ট্যাগ রয়েছে , <> চিহ্ন ও keyword নিযে গঠিত ট্যাগকে শুরু ট্যাগ এবং < /> চিহ্ন ও keyword নিযে গঠিত ট্যাগকে শেষ ট্যাগ বলে যেমন < title> অর্থ title শুরু ট্যাগ এবং <title /> অর্থ title শেষ ট্যাগ। [যেকোন সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী বের করুন Universal Keygen Generator দিয়ে !! লেটেস্ট 2015]

<html> বা html ট্যাগ:

HTML এ প্রোগ্রাম লেখার জন্য সমস্ত code কে <html> </html> এর মাঝে লেখা হয়।

<head> বা head ট্যাগ:

<head></head> এর ভেতরে <title> </title> ট্যাগ লেখা হয় যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের title বা শিরোনাম প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। এই code এ title হিসেবে www.tutohost.com লেখা হয়েছে যা ব্রাউজারের title bar এ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া css এর stylesheet কে head ট্যাগের মধ্যেই call করা হয়।

<body> বা body ট্যাগ:
<body> বা body ট্যাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি ওয়েব সাইটের মূল Content সমূহ Body ট্যাগের মধ্যে অবস্থান করে । <body></body> ট্যগের মধ্যেই বিভিন্ন Text , Image, Table ইত্যাদি ফরমেটিং এর জন্য বিভিন্ন ট্যাগ সমূহ লেখা হয় । এই code এ <body></body> ট্যগের মধ্যে  This is my first web page. I am learning now HTML. লেখা হয়েছে যা ব্রাউজারের মূল অংশে প্রদর্শিত হচ্ছে।


HTML ট্যাগ কি?

 HTML এ প্রোগ্রাম লেখার জন্য  <>  এবং </> দুইটা চিহ্ন এবং এর মধ্যে কিছু Word যেমন html, head, title, body  ইত্যাদি  Keyword  ব্যবহার করা হয়। <> বা </> চিহ্ন এবং এর মাঝে লেখা একটি Keyword কে একত্রে ট্যাগ বলা হয়। যেমন <html>  এবং </html> । <body> হল body শুরু ট্যাগ এবং </ body> হল body শেষ ট্যাগ।

HTML এর সাধারন ট্যাগ সমূহ

ট্যাগ সমূহ
বর্ণনা
<html> </html>
HTML ডকুমেন্ট নির্দেশ করে।
<head></head>
প্রোগ্রামের head  অংশ নির্দেশ করে ।
<title></title>
ডকুমেন্ট টাইটেল নির্দেশ করে।
<body></body>
প্রোগ্রামের মূল content অংশ নির্দেশ করে।
<a></a>         
Anchor ট্যাগ।
<abbr></abbr>         
Abbreviation ট্যাগ।
<b></b>
Bold টেক্সট নির্দেশ করে।
<i></i>
Italic টেক্সট নির্দেশ করে।
<big></big>
স্বাভাবিকের চেয়ে বড় টেক্সট নির্দেশ করে।
<small></small>
স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট টেক্সট নির্দেশ করে।
<blockquote> </blockquote>
বিশেষ উদ্ধৃতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
<br / >
একটা লাইন ব্রেক তৈরি করে ।
<code></code>
কম্পিউটার কোড টেক্সট প্রকাশ করে।
<table></table>
টেবিল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<col></col>
টেবিলের কলাম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<td></td>
টেবিলের সেল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<tr></tr>
টেবিলের সারি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<form></form>
ফরম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<h1></h1>
হেডার ট্যাগ 1-6 পর্যন্ত হয়।
<hr/>
সমান্তরাল রেখা তৈরি করে।
<img/>
ছবি যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
<input></input>
ফরমের ইনপুট ফিল্ড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<li></li>
লিষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<meta></meta>
Meta ট্যাগ
<ol></ol>
অর্ডার লিষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<ul></ul>
আনঅর্ডার লিষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<p></p>
প্যারাগ্রাফ নির্দেশ করে
<pre></pre>
pre-formatted টেক্সট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<tt></tt>
টেলিটাইপ টেক্সট নির্দেশ করে।
<strong></strong>
Strong টেক্সট নির্দেশ করে।
<sub></sub>
subscripted text নির্দেশ করে।
<sup></sup>
superscripted text নির্দেশ করে।

 HTML ইলিমেন্ট


HTML এ যেকোন শুরু ও শেষ ট্যাগ এবং মাঝের অংশকে ইলিমেন্ট বলা হয়। যেমন <h1> This is an example of element.</h1> । এখানে <h1> হেডার1 শুরু এবং </h1> হেডার1 শেষ ট্যাগের মাঝে This is an example of element. লেখা হয়েছে, তাই <h1> This is an example of element.</h1> একটি ইলিমেন্ট। কিছু কিছু ট্যাগের কোন ইলিমেন্ট থাকে না যেমন <br /> ,<img /> ইত্যাদি।


শরু ট্যাগ
ইলিমেন্ট কনটেন্ট
শেষ ট্যাগ
<h1>
This is an element.
</h1>
<p>
This is paragraph.
</p>
<br />
<img />

সাধারণতঃ যে সকল ট্যাগের শেষ ট্যাগ থাকে না তাদের ইলিমেন্টও থাকে না। এ ধরণের শুরু ট্যাগের মধ্যেই / চিহ্নটি অন্তর্ভূক্ত থাকে, এবং এর আগে একটা স্পেস দিতে হয়।

HTML এট্রিবিউটস্


HTML এ এট্রিবিউটস ইলিমেন্ট এর আনুসাঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করে । মূলত HTML এ ট্যাগের কার্যক্ষমতাকে বর্ধিত করার জন্য এট্রিবিউটস ব্যবহার করা হয়। যেমন <font size="5" face="Tahoma" color="red"> This is a paragraph.</font>  এখানে size="5"  অংশটি হল font ট্যাগের একটি এট্রিবিউট, যা প্রকাশ করছে ইলিমেন্ট অর্থাৎ This is a paragraph. লেখাটির সাইজ কেমন হবে। এছাড়া face="Tahoma"  প্রকাশ করছে লেখাটির font হবে Tahoma এবং color="red" দ্বারা প্রকাশ করছে লেখাটির রং হবে লাল।

কিছু  HTML এট্রিবিউটস্   

ট্যাগ
এট্রিবিউটস্   
<font>
size="5" face="Tahoma" color="red"
<h1>….<h6> <p>
align="center" align="left" align="right" title="Bangladesh"
<body>
bgcolor="green" background="../images/ele.png"
<div>
id="book" class="pen" align="center"
<img> <table>
height="100px" width="50px"  border="5px"
<input />
type="text" name="TextField"

HTMLপ্রোগ্রামের উদাহরণ

<html>
<head>
<title> www.tutohost.com</title>
</head>
<body bgcolor=" green">
<font size="5" face="Tahoma" color="red">
This is a paragraph.
</font>
</body>
</html>


 একটা  নোটপ্যাড  open  করে  উপরের code  টুকু  লিখে  file  মেনু  থেকে  Save as এ ক্লিক করে File name:  index.html  ,   Save as type : All files,  দিয়ে save করে index.html ফাইলটি Mozilla Firefox দিয়ে open করলে পাশে প্রদর্শিত ছবির মত দেখাবে।

হেডিং (Heading)

 HTML এর মাধ্যমে কোন ডকুমেন্ট বা প্যারাগ্রাফের শিরোনাম লেখার জন্য হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। HTML এ মোট ছয় ধরণের হেডিং ট্যাগ রয়েছে এগুলো হল <h1> </h1> , <h2> </h2> , <h3> </h3> , <h4> </h4> , <h5> </h5> এবং <h6> </h6>  । যদি বড় সাইজের অক্ষরে শিরোনাম লেখার প্রয়োজন হয় তাহলে <h1> </h1> ট্যাগের মাঝে লেখা হয়। এবং অন্যান্য গুলো ব্যবহার করলে লেখার সাইজ আস্তে আস্তে ছোট হবে।

উদাহরণ প্রোগ্রাম

<html>
<head>
<title> www.tutohost.com</title>
</head>
<body bgcolor=" green">
<h1>This is an example of heading 1</h1>
<h2>This is an example of heading 2</h2>
<h3>This is an example of heading 3</h3>
<h4>This is an example of heading 4</h4>
<h5>This is an example of heading 5</h5>
<h6>This is an example of heading 6</h6>
</body>
</html>

নোট-
একটা  নোটপ্যাড  open  করে  উপরের code  টুকু  লিখে  file  মেনু  থেকে  Save as এ ক্লিক করে File name:  index.html  ,   Save as type : All files,  দিয়ে save করে index.html ফাইলটি Mozilla Firefox দিয়ে open করলে পাশে প্রদর্শিত ছবির মত দেখাবে।