Saturday, July 11, 2015

অতিরিক্ত হেডফোনের ব্যবহারের ফলে আমাদের কানের যা যা ক্ষতি হচ্ছে ?



চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বাসে ভ্রমণ, সবখানেই আমারা হেডফোন ব্যবহার করি। রাস্তায় বের হয়ে কানে হেডফোন গুঁজে গান শোণা এখন একটি ফ্যাশাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলশ্রুতিতে কি হচ্ছে? একটা গাড়ি আমাদের সাবধান করার জন্য বারবার হর্ন দিলেও আমরা সেটি শুনতে পারছি না। ফলে গাড়িটি আমাদের সজোরে ধাক্কা দিয়ে চলে যায় আর আমরা গিয়ে পরি হসপিটালের বেডে। একটু সাবধান হলেই কিন্তু এই মারাত্মক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেত। বেটার হয় এই ধরনের মারাত্মক ফ্যাশান থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
এটিও পড়ুন -ফ্রি Unlimited মোবাইল টক টাইম নিন আর রিচার্জ করুন একটি মাত্র অ্যাপে - আপনিও পাবেন!


তো সেটা যাইহোক অফ টপিকে না যেয়ে কাজের কথা শুনি। আজকে আপনাদেরকে জানাবো যে, আমরা প্রতিদিন ভুলে এমন কোন কাজ গুলো করি যেগুলা আমাদের কানের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায়।
হেডফোনের


  •  হয়তো আপনারা খেয়াল করেছেন কানের মধ্যে থাকে অসংখ্য রোম। যা বাইরের ধুলো-ময়লা থেকে কানকে রক্ষা করে। মনে পরে এগুলো কিন্তু আমরা ছোট্টবেলায় বইয়েও পড়েছি। বিজ্ঞানীরা বলে, আইপড বা হেডফোন থেকে আসা শব্দতরঙ্গের ফলে কানের মধ্যে থাকা রোমগুলো অকালে ঝড়ে যায়। পরবর্তীতে নতুন করে সেই সূক্ষ্ম রোমগুলি আর গজায় না। শুধু ফুল ভলিউমে গান শোনাই নয়, যে সব এলাকায় গাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি বা  মেশিনপত্রের আওয়াজের মধ্যে যারা কাজ করেন, এবং সঙ্গীত জগতে যুক্ত ব্যক্তিদের কানের মধ্যেকার লোমের সংখ্যা খুবই কম।

  • আমাদের একটি কমন সমস্যা হল আমরা কানের সংক্রামক হলে নিজে নিজে সেটির ডাক্তার হয়ে যায়। খবরদার এটি ভুল করেও করবেন না। সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আরেকটি কথা মনে রাখবেন সংক্রমণ কিন্তু সবসময় কানের ভেতরেই হয় না, অনেক সময় কানের দুল থেকেও সংক্রামক হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্বর্ণ ব্যতিত এমিটিসন দুল পরার ক্ষেত্রে একটু যত্নবান হবেন।

  •  আমাদের অনেক বদ অভ্যাসের অন্যতম হল কানের ভেতরকার ময়লা বা নোংরা বের করার জন্য হাতের কাছে যা পাই যেমন, আঙুল,  টুথপিক,  সেপটিপিন, গাড়ির চাবি, ম্যাচের কাঠী ইত্যাদি ধুকিয়ে কান পরিস্কার করার চেষ্টা করি। মনে রাখবেন আমাদের কানের বাইরের অংশটি খুব ছোট ও নরম হার দিয়ে তৈরি। যেকোনো একটি হার ভেঙে গেলে বা সেখানে চোট লাগলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের কাজ অনেক সময় আমাদের অজান্তেই ঘটে যায়। আরামের খোঁচায় ফেটে যায় কানের পর্দা, রক্ত বের হওয়া, সংক্রামিত হয়ে যাওয়া প্রভৃতি। চেষ্টা করুন যতদূর সম্ভব সাবধান হতে।

  •  ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে কখনোই কোনো ইয়ারড্রপস ব্যবহার করবেন না। অনেকেরই এই ধরনের বাজে অভ্যাস আছে। কানে ব্যাথা হলে বা সংক্রমণ হলে নিজের বুদ্ধিতেই দোকানে গিয়ে ইয়ারড্রপস কিনে ব্যবহার করেন। খবরদার এতে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে।

  • অনেক সময় আপনি পানির অনেক গভিরে ডুব দিয়ে দেখবেন যে কানের চারপাশে কেমন যেন এক ধরণের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন তার কারন শরীরের তুলনায় বেশি চাপযুক্ত এলাকায় কান ঠিকমতো ভারসাম্য রাখতে পারে না। আবার দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে আসার ৩০ মিনিট পরও আপনি শুনতে পাচ্ছেন হুসস হুসস করে গাড়ি চলে যাচ্ছে কানের পাশ দিয়ে। এমন অবস্থাকে বারোট্রমো বলে থাকে।
সূত্রঃ নয়া দিগন্ত

বন্ধুরা, এখন এখন এখানেই। বিভিন্ন রকম আপডেট টিপস ও ইনকামের বিভিন্ন রকম ট্রিক্স জানার জন্য সাইটিকে subscribe করতে ভুলবেন না। ফেসবুকে আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে অংশ নিন। সমস্যা হলে কমেন্ট করুন ধন্যবাদ।

Wednesday, April 8, 2015

SMS এর ইতিহাস - প্রথম কে কাকে এসএমএস পাঠান ? জানেন কি ?

এসএমএস এর পুরো নাম Short Message Service (SMS) । মোবাইল থেকে মোবাইলে কোনো  বার্তা টাইপ করে পাঠানোর যে ব্যবস্থা  বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত, তার নামই এসএমএস বা শর্ট ম্যাসেজিং সার্ভিস (Short Message Service (SMS)। সাধারণত ১৬০ অক্ষরের ( letters, numbers or symbols in the Latin alphabet ) মধ্যে থাকা একটি টেক্সট ম্যাসেজ কে SMS বলে গণ্য করা হয়।
SMS এর ইতিহাস - প্রথম কে কাকে এসএমএস পাঠান ? জানেন কি ?


১৯৯২ সালের ৩রা ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে দীর্ঘ ২০ বছরের ও বেশী সময় পেরিয়ে মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে এটি আজ খুবই জনপ্রিয় । ১৯৯২ সালের ৩রা ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম এসএমএসটি পাঠানো হলেও এর ধারণাটি অনেক আগের।
এটিও পড়ুন - ফ্রী বাংলা ডিকশনারি আপনার কম্পিউটারের জন্য - All In One
মোবাইল এসএমএস-এর জনক হিসেবে যাকে অভিহিত করা হয়, তার নাম ম্যাট্রি ম্যাক্কোনেন। ফিনল্যান্ডের এই প্রকৌশলী নকিয়া, টেলি ফিনল্যান্ড, ফিনেট নামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি কর্মরত ছিলেন ফিনল্যান্ডের টেলিকম ও পোস্টাল এজেন্সিতে এবং ওই সময়েই এসএমএস সার্ভিস নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
জানার জন্য পড়ুন - ভালো ই-মেল (e-mail) লেখার কিছু দরকারি টিপস
১৯৯২ সালে ৩রা ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম টেক্সট ম্যাসেজটি প্রেরণ করেন ২০ বছর বয়সী নেইল পাপওয়ার্থ তার নিজের কমপিউটার থেকে  Vodafone (ভোডাফোন) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। ম্যাসেজটি রিচার্ড জারভিসের কাছে পাঠানো হয় 'Merry Christmas' লিখে।
তথ্যসূত্র - ইন্টারনেট

Wednesday, February 11, 2015

ফ্রিতে উপভোগ করুন TV সিরিয়াল সিনেমা খেলা ... Hotstar অ্যাপ দিয়ে !!

আপনারা যারা TV সিরিয়াল বা সিনেমা দেখতে ভালো বাসেন তাদের জন্য এই পোস্টটি। আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে দারুন একটি অ্যাপ (APP) বা চ্যানেল সম্পর্কে বলবো, এটিকে রিভিউ ও বলতে পারেন। এটি একটি অনলাইন চ্যানেল যার নাম Hotstar । ইতিমধ্যে TV তে বিভিন্ন তারকারা অ্যাড করছেন। হয়তো আপনারা অনেকেই টিভিতে অ্যাডও দেখেছেন কিন্তু বুঝতে পারেননি, এটা কিসের জন্য বা কি কাজে ব্যবহার করা হয় । হুম ! এটি আসলে স্টার (Star) এর একটি অনলাইন চ্যানেল।
এটিও পড়ুন -ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা ৬ টি উপায়

আপনি এই অনলাইন চ্যানেলে খেলা থেকে শুরু করে মুভি, TV সিরিয়াল সব কিছুই দেখতে পারবেন, এমন কি চাইলে হাইলাইট ও দেখতে পারবেন। এছাড়া বাড়ির মেয়েদের টিভি সিরিয়াল এর পুরনো এপিসোড গুলও দেখতে পারবেন আপনার সময় মতো অর্থাৎ যখন খুশি তখন।

ফ্রিতে উপভোগ করুন TV সিরিয়াল সিনেমা খেলা ... Hotstar অ্যাপ দিয়ে !!
Hotstar অনলাইন সাইটটি ব্যক্তিগত ভাবে আমার খুব ভাল লেগেছে কারন যেকোন সময় যে কোন সিরিয়াল পর্ব দেখতে পাওয়া যায় এবং আমাদের নেটওয়ার্ক স্পীড এর উপর নির্ভর করে ভিডিও প্রিন্ট দেখা যাবে। তাছাড়া এখানে আপনি অনেক এওয়ার্ড শো টিভি এর আগে দেখতে পাবেন ।
  • ইচ্ছে করলেই আপনি আপনার PC/ Laptop বা মোবাইলের দ্বারা সাইটটি ভিজিট করে টিভি দেখতে পারেন। সাইটির নাম www.hotstar.com  । কিংবা এখানে ক্লিক করুন ।
  • এছারা মোবাইল দিয়ে দেখতে চাইলে নিচে থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করুন এবং মোবাইলে ইন্সটল করুন ব্যাস তাহলেই দেখতে পাবেন । 
ফ্রিতে উপভোগ করুন TV সিরিয়াল সিনেমা খেলা ... Hotstar অ্যাপ দিয়ে !!

Hotstar অ্যাপ ডাউনলোড লিঙ্কে -  https://play.google.com/store/apps/details?id=in.startv.hotstar 
ডাউনলোড Hotstar -  এখানে ক্লিক করুন ।
ব্যাস, এখন এখানেই। আপনার মোবাইলে Star এর সকল সিরিয়াল, সিনেমা ও খেলা উপভোগ করুন সম্পূর্ণ ফিতে। আর এই শেয়ার করে অন্যদেরও সুযোগ করে দিন। আশাকরি এটা আপনাদের অনেকের কাজে আসবে । ধন্যবাদ।

Friday, February 6, 2015

যেভাবে মোবাইল ফোনের ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়ু করবেন ? ২০১৫ সেরা টিপস !!

মোবাইল আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয়তার মধ্যে একটি অতি দরকারিয় বস্তু। মোবাইল ছারা এখন আমাদের এক মহুর্ত ভাবা চলে না। পড়াশোনা থেকে শুরু করে ব্যবসার হিসেব নিকেশ, ক্যালেন্ডার, রিমাইন্ডার, টাকা ট্রান্সফার, ব্যাংকিং ইত্যাদি ইত্যাদি কাজে মোবাইল ব্যবহার করা হয়। তাই আজ আমি আপনার মোবাইলের ব্যাটারি কিভাবে আয়ু বাড়াবেন তা শেয়ার করছি।
যে ভাবে মোবাইল ফোনের ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়ু করবেন ? ২০১৫ সেরা টিপস !!

ফোনের ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়ু করার পদ্ধতি

  •  ১) অকারনে মোবাইল এর ব্লুটুথ অন করে রাখবেন না। প্রয়োজন শেষ হলে ব্লুটুথ অফ করে রাখুন, এতে করে যেমন চার্জ বাঁচবে তেমনি ভাইরাস আসার ভয়ও থাকবেনা। 
  • ২) কীপ্যাড এর শব্দ এবং ভাইব্রেশন, প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার না করাই ভালো ।
  •  ৩) ডিসপ্লের আলো যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন, যতটুকু আলো হলে আপনি মোবাইল এর কাজ করতে পারবেন, ঠিক ততোটুকু আলো রেখে বাকিটা কমিয়ে রাখুন। 
  • ৪) পাওয়ার সেভার টাইমআউট এ সর্বনিম্ন ভ্যালু ব্যবহার করুন।
  •  ৫) কোন অ্যাপ্লিকেশন এর কাজ শেষ হলে সেটা বন্ধ করে রাখুন। 
  •  ৬) গেম(Game) খেলতে কম বেশি সকলেরই বেশ ভাল লাগে কিন্তু এতে করে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। তাই এদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত ।
  •  ৮) অহেতুক কারনে মোবাইল টেপাটিপি করা বর্জন করুন। 
  • ৯) সপ্তাহে অন্তত একদিন, ব্যাটারি পুরা খালি করে চার্জ দিন। এটা করে ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়বে।
  • ১০) ফোনে অতিরিক্ত কথা না বলাই ভালো, মনে রাখবেন মোবাইল চার্জ না থাকার আর এক কারন হতে পারে।
  •  ১১) মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক না পায় তাহলে মোবাইল টি বন্ধ করে আবার চালু করে দেখুন তাও যদি না পায় তবে মোবাইল টি বন্ধ রাখুন কারণ নেটওয়ার্ক সার্চ এর জন্য প্রচুর চার্জ ব্যবহ্রত হয় ।

Friday, January 9, 2015

নোকিয়া ফোনের গোপন কিছু দরকারিয় কোড

আজ এই পোষ্টিতে নোকিয়া মোবাইল ফোনের সব দরকারিয় গোপন কোড আলোচনা করা হয়েছে। আশা রাখি প্রতেক কম্পিউটার জগত পাঠকের ভালো লাগবে। প্রত্যেকটি ফোনের অর্থাৎ সাধারন ফোন থেকে শুরু করে স্মার্ট ফোন কিংবা অ্যান্ডড্রয়েট ফোন  প্রত্যেকেরই কতগুলি গোপন কোড আছে। সেগুলি কিন্তু নিন্তান্তই গোপন। এই গোপন কোডগুলির দ্বারা আমরা ফোনের দরকারিয় তথ্য , troubleshooting, শর্টকাট, সধারন সেটিং এবং IMEI ইত্যাদি সহজে জানতে পারি। এছারা নোকিয়া ফোন বিশ্বর সবচেয়ে বেশি বিক্রিত এবং জনপ্রিয় । এজন্য আমাদের এই কোড গুলি জানা আবশ্যক। এছার আমরা অন্য বন্ধুদের তাক লাগিয়ে দিতে পাড়বো। তো আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক সেই কাঙ্ক্ষিত Nokia ফোনের গোপন ও রহস্যময় কোডগুলো।
Nokia ফোন গোপন কোড সমূহ

Nokia ফোন গোপন কোড সমূহ -

  • *#06# IMEI (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার চেক করার জন্য ।
  • *#7780# ফ্যাক্টরী সেটিংস রিসেট(Reset) করতে ।
  • *#67705646# এলসিডি(LCD) ডিসপ্লে রিসেট করতে (operator logo).
  • *#0000# software version চেক করতে ।
  • *#2820# Bluetooth device এর ঠিকানা প্রদর্শন ।
  • *#746025625# সিম লক স্ট্যাটাস ।
  • *#62209526# - WLAN adapter এর ম্যাক এড্রেস প্রদর্শন । এটি একমাত্র WLAN সাপোর্টেড মোবাইলের জন্য ।
  • #pw+1234567890+1# সিমের সীমাবদ্ধতা প্রদর্শন ।
  • *#92702689# - takes you to a secret menu where you may find some of the information below: ডিভাইসের গোপন তথ্য দেখা যাবে । যেমন-১) Serial নাম্বার দেখা যাবে, ২) ফোনটি তৈরি হওয়ার  মাস ও বছর দেখা যাবে, ৩) কত তারিখে কেনেছেন জানতে পারবেন (MMYY), ৪) শেষ মেরামতের তারিখ জানতে পারবেন (০০০০) এবং 5)  লাইফ টাইমার দেখতে পারবেন।
এটিও পড়ুন - নোকিয়া ফোনের আরও কিছু গোপন কোড ও গোপন রহস্য।
উল্লেখ্য সব কোড সব সেটে সাপোর্ট নাও করতে পারে । কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ভালো লাগলে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।