Friday, November 2, 2018

মাইক্রোসফট এক্সেল টিউটোরিয়াল - M.S. Excel Tutorial

মাইক্রোসফট এক্সেল/ M.S. Excel:
এক্সেল (Excel) কি ?
Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া। গুণ, কৃতিত্ব প্রভৃতি বিবেচনায় শ্রেষ্ঠতর বা উৎকৃষ্টতর হওয়া। বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরী ও বাজারজাতকৃত এ প্রোগ্রামটি এক সাথে অনেক সমস্যা সামাধানে অন্যান্য অনেক প্রোগ্রামের থেকে শ্রেষ্ঠতর। তাই এর নামটি যথার্থ হয়েছে। উইন্ডোজ ভিত্তিক এ  Application প্রোগ্রামটির সাহায্যে জটিল গাণিতিক পরিগণনা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং তথ্যকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপনায় নিখুঁত ভাবে চার্ট বা গ্রাফ তৈরী করা ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক জটিল কাজকে সহজে সমাপন করা যায়। এক্সেলের সুবিশাল পৃষ্ঠাটি কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত হওয়ায় এতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে স্প্রেডশীট এনালিসিস প্রোগ্রাম বলা হয়।
এক্সেল (EXCEL) দিয়ে আমরা কি করতে পারি ?
একটি সাধারন খাতায় পেন/পেন্সিল, রাবার এবং ক্যালকুলেটর মেশিন দিয়ে যে যে কাজ করা যায় এক্সেলের বিরাট পৃষ্টায় আমরা তার চেয়েও অনেক বেশী এবং জটিল কাজ সম্পন্ন করতে পরি।
দৈনন্দিন হিসাব সংরণ ও বিশ্লেষণ করতে পারি।
বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে পারি।
বাজেট প্রণয়ন করতে পারি।
ব্যাংক ব্যবস্থাপনার যাবতীয় কাজ করতে পারি।
উৎপাদন ব্যবস্থাপনার কাজ করতে পারি।
আয়কর ও অন্যান্য হিসাব নিকাশ তৈরী করতে পারি।
বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেশণ করতে পারি।
বেতন হিসাব তৈরী করতে পারি



এক্সেল (Excel) প্রোগ্রাম রান করার নিয়ম :
প্রথমে কম্পিউটারের সকল সংযোগ কেবলগুলো ঠিকমত লাগানো আছে কিনা পরীক্ষা করে নিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ করে কম্পিউটার ওপেন করতে হবে। তারপর উইন্ডোজ এর Start মেনুতে ক্লিক করে Program/All Program এ ক্লিক করে Ms Excel এ ক্লিক করতে হবে। এবার Spreadsheet ওপেন হবে। এছাড়াও কীবোর্ড কমান্ড তৈরী করে বা শটকাট মেনু থেকেও এক্সেল রান করানো যায়।
এক্সেল ((EXCEL)) এর Windows পরিচিতি:
Default setting অনুসারে Excel Window তে Scroll Bar, Title Bar, 300mBoxes, Menu Bar এবং অন্যান্য Elements দেখা যায়। এগুলো সম্পর্কে ইউজারদের ধারনা থাকা একান্ত আবশ্যক। Excel প্রোগ্রামে সর্বমোট ৬৫,৫৩৬টি রো এবং ২৫৬টি কলাম আছে।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে- রো কি বা কাকে বলে? রো কে সারি বলা হয়। Excel প্রোগ্রামে সর্বমোট ৬৫,৫৩৬টি রো বা সারি আছে। এগুলো ১.২.৩.৪.৫…….. এভাবে সাজানো আছে। কলাম হলো ওয়ার্কশীটের উপরে A,B,C,D………… এভাবে সাজানো ২৫৬টি কলাম। Excel Window তে আয়তক্ষেত্রের মত দেখতে প্রতিটি বক্সকে এক একটি সেল বলে। Spreadsheet সর্বমোট ১৬৭,৭৭,২১৬ টি সেল আছে।
এক্সেল (Excel) এর Spreadsheet কি ?
স্প্রেডশীট শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা। এখানে Spread শব্দের অর্থ ছড়ানো আর sheet শব্দের অর্থ পাতা। একসঙ্গে Spreadsheet অর্থ ছড়ানো পাতা। গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপ খোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শীটকে স্প্রেডশীড বলে।
এক্সেল (Excel) এর Worksheet কি ?
এক্সের সুবিশাল পাতার যে অংশে কাজ করা হয় তাকে Worksheet বলে। মূলত: স্প্রেডশীটই হলো Worksheet একটি খাতায় যেমন অনেকগুলো পাতায় লেখা যায়, এক্সেলেও তেমনি ভিন্ন ভিন্ন ওয়ার্কশীট খুলে তাতে কাজ করা যায়।
Work Book কি ?
এক্সেলের স্প্রেডশীটে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তা বিশ্লেষণ বা পরিগণনার করা হয়। কাজ করার পর ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য কোন নামে সংরক্ষণ করা যায়। সংরক্ষিত স্প্রেডশীটকে ফাইল বা ওয়ার্কবুক বলে।
Cell কি ?
এক্সেলের ওয়ার্কশীটটি সারি ও কলাম ভিত্তিক। উপরে A, B, C, D……….. ইত্যাদি হলো বিভিন্ন কলামের নাম এবং বাম পাশের 1,2,3,4,5………..ইত্যাদি হলো সারি সংখ্যা। সারি ও কলামের পরষ্পর ছেদে তৈরীকৃত ছোট ছোট আয়তকার ঘরকে সেল বলা হয়।
Title bar কি ?
Excel Windows এর শীর্ষদেশে Microsoft Excel-Book 1 লেখা বারটিকে Title bar (টাইটেল বার) বলে। সেভ করা কোন ফাইল বা ডকুমেন্ট ওপেন করলে এই বারে সেভ করা ফাইলের নামটি প্রদর্শিত হয়। এর ডান পাশে মিনিমাইজ, ম্যাক্সিমাইজ ও কোজ বার্টন থাকে। এর কাজসমূহ আমরা মাইক্রোসফট  ডকুমেন্ট অধ্যায়ে জেনেছি।
Menu bar কি ?
টাইটেল বারের নীচে File, Edit, Vew, Insart, Format, Data, Window, Help  ইত্যাদি লেখা বারকে Menu bar বলে। Menu bar এর প্রত্যেকটি অপশনই এক একটা মেনু। এই মেনুগুলোর নীচে আন্ডার লাইন করা অক্ষর গুলো দিয়ে কীবোর্ড কমান্ড করে ঐ মেনু ওপেন করা যায়। যেমন Alt+F কমান্ড দিয়ে ফাইল মেনু ওপেন করা যায়।
Tool bar কি ?
মেনু বারের নীচে বিভিন্ন প্রতীক সম্বলিত বারকে টুলবার বলে। প্রত্যেকটি প্রতীকের বার্টনকে আইকন বা টুল বার্টন বলা হয়। মেনু সিলেক্ট করে কোন কমান্ড দেওয়ার চেয়ে এই টুল ব্যবহার করে খুব দ্রুত কার্য সম্পন্ন করা যায়।
Formatting bar কি ?
টুলবারের নীচের সারিতে বিদ্যমান বারটি-ই হলো ফর্মেটিং টুলবার। এতে বিদ্যমান বার্টনগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ব্যবহার করে ফন্ট পরিবর্তন, ফন্টের সাইজ ছোট-বড়, লেখাকে বোল্ড, আন্ডার লাইন, ইটালিক করা, লেখা এ্যালাইনমেন্ট করা, আউটলাইন দেয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।
Formula bar কি ?
ফর্মেটিং টুলবারের নীচে লম্বা দু’টি অংশে বিভক্ত বারটিকে ফর্মূলা বার বলা হয়। ফর্মূলা বারের বাম পাশের অংশ যেখানে সেল এড্রেস প্রদর্শিত হয় সে অংশকে Name Box  বলা হয়। মাইসের পয়েন্টার বা কার্সর যে সেল এ রাখা হবে Name Box -এ সেই সেলের এড্রেস প্রদর্শিত হবে। Name Box এর ডান পাশেই Formula Box, এই বক্সে ফর্মূলা প্রদর্শিত হয়।
Vertical and Horizontal Scroll bar কি ?
এক্সেলের অনেক বড় ডকুমেন্টে কাজ করার সময় পর্দায় সব দেখা যায় না। প্রয়োজন অনুসারে দ্রুত ডকুমেন্ট এর যে কোন জায়গায় গিয়ে পর্দায় প্রদর্শন করার সুবিধার্থে পর্দার ডানদিকে ভার্টিকেল স্ক্রলবার এবং পর্দার নীচে হরিজন্টাল স্ক্রলবার আছে। এই স্ক্রলবার দু’টোর ডানে ও বামে দু’টো এরো বার্টন আছে। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে এই এরো বার্টন এ ক্লিক করে অথবা স্ক্রল করে উপর নীচে ইচ্ছামত দেখা যায় বা যাওয়া যায়।
Status bar কি ?
ওয়ার্কবুক উইন্ডোর সর্বনিম্নে টাস্ক বারের উপরের বারকে স্টেটাস বার বলা হয়। এতে ডকুমেন্টের স্টেটাস বা অবস্থা (অন অথবা অফ) প্রদর্শিত হয়। এই স্টেটাস বারের বাম পাশে Ready লেখা থাকলে বুঝতে হবে কার্সর সেলে আছে এবং এ অবস্থায় কাজ করা যাবে। কোন লেখা Edit করার সময় এখানে এই এডিট লেখা দেখা যাবে এবং শেষ হলে আবার রেডি মুড ফিরে আসবে।
Sheet Tab কি ?
ওয়ার্কবুক উইন্ডোর নীচে বামদিকে শীট ট্যাব। একটি ওয়ার্কবুকে সাধারণত: তিনটি ওয়ার্কশীট থাকে। যেমন : Sheet 1, Sheet 2, Sheet 3 । এছাড়াও প্রয়োজনে Insert মেনু থেকে Worksheet কমান্ড দিয়ে নতুন শীট সন্নিবেশ করা যায়। সব শীটের নীচে শীটট্যাব থাকে। যে শীটের নামের শীটট্যাবে ক্লিক করা হবে সে শীটটি চালু হবে।
ফাইল মেনুস্থ বিভিন্ন মেনুর কাজ সমূহ নিম্নরূপ :
New এর কাজ :  ফইল মেনুস্থ নিউ মেনু ব্যবহার করে বা নিউ মেনুতে কিক করে নতুন বুকশীট আনা যায়। Ctrl+N কীবোর্ড কমান্ড।
Open এর কাজ : সেভ করা ফাইল ওপেন করাই এই মেনুর কাজ। ফাইল এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে সেভ করা ফাইলটি নির্বাচন করে ওকে করলেই ফাইলটি ওপেন হবে। Ctrl+O কীবোর্ড কমান্ড।
Close এর কাজ : ফইল গুটিয়ে ফেলা।  ফাইল মেনুতে ক্লিক করে কোজ মেনুতে কিক করলে ফাইল গুটিয়ে যাবে বা কোজ হবে। যতগুলো ফাইল ওপেন করা থাকবে এক এক করে সবগুলো একই নিয়মে কোজ করতে হবে।
Save এর কাজ : ফাইল সংরণ করা। কোন ফাইল সংরণ বা সেভ করতে হলে এই মেনুতে কিক করলে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে যে নামে ফাইলটি সেভ করতে চাই সে নামটি লিখে এন্টার কী কমান্ড দিয়ে ফাইল সেভ করা যায়। Ctrl+S কীবোর্ড কমান্ড।
Save As এর কাজ : একই ফাইল ভিন্ন নামে সংরক্ষণ করতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ফাইল প্রটেক্ট করতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
Page Setup এর কাজ : এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মেনু। এর সাহায্যে পাতার আকার ছোট-বড়, পাতা আড়াআড়ি বা লম্বা লম্বি, পাতার মার্জিন ঠিক করা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা হয়।
Print Preview এর কাজ : প্রিন্টিং এর পূর্ব অবস্থা। ডকুমেন্টটি প্রিন্টিং এর অর্ডার দিলে কেমন ভাবে প্রিন্টিং হবে তা পূর্বে দেখে নেওয়ার কাজে এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের লেফট বার্টন ক্লিক করে একে ওপেন এবং পুণরায় ক্লিক করে পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসা যায়।

Edit মেনুস্থ বিভিন্ন মেনুর কাজ সমূহ :

Undo এর কাজ : কোন ডকুমেন্ট বা লেখা ভূলবশত: মুছে ফেলা হলে এই Undo মেনু ব্যবহার করে তা ফিরিয়ে আনা যায়। Redo মেনু Undo এর বিপরীত কাজটি করে থাকে। অর্থাৎ Undo করার পর Redo মেনু ক্লিক করলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে। Redo এর জন্য Ctrl+Z  এবং Undo এর জন্য Ctrl+ ওয়াই কীবোর্ড কমান্ড।
Cut এর কাজ : কোন লেখা এক স্থান থেকে কেটে অন্য স্থানে নিতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়। Ctrl+X কীবোর্ড কমান্ড।
Copy এর কাজ : কোন লেখা বার বার ব্যবহার করতে এক স্থান থেকে কপি করে অন্য স্থানে নিতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়। Ctrl+C কীবোর্ড কমান্ড।
Paste এর কাজ : কোন লেখা এক স্থান থেকে কেটে  বা কপি করে অন্য স্থানে বসাতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়। Ctrl+V কীবোর্ড কমান্ড।
Fill এর কাজ : আমরা  যদি একটি মাস, বছর অথবা দিনের নাম লিখে স্বংক্রীয়ভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী বাকী মাস, বছর বা দিনের নাম লিখতে চাই তাহলে এই ব্যবহার করে তা করা সম্ভব।
কর্মপদ্ধতি: Edit > Fill >Seris > Auto Fill > Enter.
Clear এর কাজ : ডকুমেন্টের কোন অংশ বিশেষ মুছে ফেলা।
Replace এর কাজ : শব্দ বা সংখ্যা পুণ:স্থাপন করা অর্থাৎ শব্দের পরিবর্তে শব্দ বসানো এই মেনুর কাজ।
কর্মপদ্ধতি : Ctrl+H অথবা Edit > Replace > পদর্শিত ডায়ালগ বক্সে Find what এর ডানে যে শব্দ পরিবর্তন করতে চাই সে শব্দটি লিখতে হবে এবং Replace what এর ডানে যে শব্দটি পরিবর্তন করতে চাই তা লিখতে হবে। এরপর Replace with এর ডানপর্শে যে শব্দটি বসাতে চাই সেটা লিখতে হবে তারপর Replace > Replace All >Enter.
Go To এর কাজ : এক শীট থেকে অন্য শীটে যেতে এই মেনুর সাহায্য নিয়ে সহজে যাওয়া যায়।

Insert মেনুস্থ বিভিন্ন মেনুর কাজ সমূহ :

Cells এর কাজ : সেলের কোন লেখা ডানে, বামে বা উপরে ,নীচে নেওয়ার কাজ এই মেনু ব্যবহার করে করতে হয়।
কর্মপদ্ধতি : লেখা ডানের সেলে নেওয়ার জন্য Insert > Cells > shift Cells Right এ Marking K‡i > Ok/Enter আবার লেখা বাম পাশের সেলে নেওয়ার জন্য Insert > Cells > shift Cells Left G Marking K‡i > Ok/Enter, লেখা নীচের সেলে নেওয়ার জন্য Insert > Cells > shift Cells Down G Marking K‡i > Ok/Enter, লেখা উপরের সেলে নেওয়ার জন্য Insert > Cells > shift Cells Up G Marking করে > Ok/Enter.
Rows এর কাজ : কোন লেখার ভিতরে রো বৃদ্ধি করার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : Rows  ব্লক করে > Insert > ok .
Columns এর কাজ : যদি লেখার পরে কলাম বৃদ্ধি করার প্রয়োজনে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : যেখানে কলাম বৃদ্ধি করতে চাই সেখানে মাউসের পয়েন্টার রেখে Insert > Columns > ok.
Worksheet পরিবর্তনের এর কাজ :
কর্মপদ্ধতি : মনে করি আমরা ৫নং ওয়ার্কশীটে কাজ করছি এখন ৬নং শীটে যাওয়ার প্রয়োজন সেক্ষেত্রে Insert >Worksheet > ok.
Chart  এর কাজ : যদি ওয়ার্কশীটের উপর কোন লেখ চিত্র বা গ্রাফ করার প্রয়োজন হয় তখন এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : Insert > Chart >  পছন্দ মত গ্রাফ নির্বাচন করে Enter.
Comment  এর কাজ : ওয়ার্কশীটের উপর নির্দিষ্ট কোন স্থানে Marking করে টেক্স বক্স এনে কোন Comment বা বিশেষ নোট বসাতে চাই এবং তার মধ্যে কাজ করতে চাই তাহলে এই মেনু ব্যবহার করে তা করা যাবে।
কর্মপদ্ধতি : Insert > Comment  এরপর বক্সটিকে প্রয়োজন মত ছোট বড় করে প্রয়োজনীয় নোট লিখে Enter.
Picture/Clip Art  এর কাজ : Worksheetএ Picture বা ClipArt সংযোজন করতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : Insert > Picture > Clip Art >ছবি নির্বাচন > Enter.
Auto Shaps  এর কাজ : ওয়ার্কশীটে কোন ডিজাইন সংযোজন করতে বা স্বাক্ষর সংযোজন করতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : Insert > Picture > Auto Shaps >ডিজাইন নির্বাচন > Enter.
Word Art  এর কাজ : ওয়ার্কশীটে কোন লেখাকে ভিন্ন ভঙ্গি বা ডিজাইনে সাজাতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : Insert > Picture > Word Art >ডিজাইন নির্বাচন > Enter.
Format মেনুস্থ বিভিন্ন মেনুর কাজ সমূহ :
Cell এর কাজ : ওয়ার্কশীটের কোন সেল এ কোন সংখ্যা লেখার পর পয়েন্ট অথবা কমা ব্যবহার করতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : প্রথমে সেলের লেখাগুলো ব্লক করে নিয়ে তারপর Format > Cell > Custom এ ক্লিক করে প্রয়োজন মত কমা অথবা পয়েন্ট বসানো যাবে।
Hide এর কাজ : ওয়ার্কশীটের কোন রো গোপন করতে এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : প্রথমে যে রোগুলো হিড বা গোপন করতে চাই সেগুলোকে ব্লক করে নিয়ে তারপর  Format > Row > Hide > Enter. আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে বা গোপন করা Row LuyR‡Z Format > Row > Unhide > Enter.
Colum Autofit Selection  এর কাজ : ওয়ার্কশীটে লেখার পর কোন কলামকে সংকুচিত করার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়।
কর্মপদ্ধতি : ওয়ার্কশীটে লেখার পর কোন কলামকে সংকুচিত করার জন্য প্রথমে সেই কলামগুলো ব্লক করে নিতে হবে। তারপর Format > Colum > Auto Fit Selection এ কিক করে কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।
Hide এর কাজ : ওয়ার্কশীটে লেখার পর যদি কোন কলামকে লুকানোর প্রয়োজন হয় তবে এই মেনু ব্যবহার করে তা করতে হবে।
কর্মপদ্ধতি : ওয়ার্কশীটে লেখার পর কোন কলামকে লুকানোর জন্য করার জন্য প্রথমে সেই কলামগুলো ব্লক করে নিতে হবে। তারপর Format > Colum > Hide এ ক্লিক করে কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। আবার লুকানো কলামকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে Format > Colum > Unhide এ ক্লিক করে কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।

Wednesday, August 3, 2016

Excel File কে অতি সহজে Auto Backup রাখুন তারিখ এবং সময় সহ

মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) নিয়ে এর আগে অনেকগুলি পোষ্ট করা হয়েছে, আজকে একটু ভিন্নধর্মী পোষ্ট নিয়ে আলোচনা করা। কোন আপ্লিকেশনে কাজ করতে গেলে সচরাচর আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয় সেটি হল ফাইলকে ব্যাকআপ (Backup) রাখা। এই সমস্যার সমাধান নিয়েই আজকের এই পোষ্ট। আপনারা যারা এক্সেল ফাইলের অটো ব্যকআপ রাখতে চান সময় ও তারিখ সহ তারা নিচের ধাপগুলো অনুসরন করে আর সহজে Auto Backup ফাইল তৈরি করুন। [Excel এর অত্যন্ত খুব দরকারি ১০ টি মেথড ]
Auto Backup ফাইল তৈরি করতে যা যা করতে হবে-
  • প্রথমে একটি Excel ফাইল খুলুন।
  • এরপর ALT+F11 চেপে Visual Basic Editor Window ওপেন করুন।
  • এরপর ThisWorbook এ ডাবল ক্লিক করুন। নিচের চিত্রের মত করে workbook select ( 1 চিহ্নে দেখুন ) করুন। এরপর BeforeClose select ( ২নং চিহ্নে দেখুন ) করুন।

  • এরপর Private Sub এর ভিতর নিচের কোডগুলো ( ৩ নং চিহ্নে )পেষ্ট করুন।
যে Codes টি পেস্ট করতে হবে তা নিম্নরূপ-
Dim HarunFilePath$, HarunFileName$
HarunFilePath = ThisWorkbook.Path 'Path for current folder of your file.
HarunFileName = Left(ThisWorkbook.Name, Len _
(ThisWorkbook.Name) - 4) ' Your current file name without extension

On Error Resume Next      'as folder already exists "Created ones"
MkDir HarunFilePath & "\Backup"    ' create folder for first time.
'save current version of this book in the folder
ActiveWorkbook.SaveCopyAs Filename:=HarunFilePath & _
"\Backup" & "\" & HarunFileName & _
"_" & Format(Date, "dd-mmm-yyyy") & "_" & Format(Time, "hh-mm-ss") & "_Backup" & ".xls"

  • এরপর Save করে Close করে দিন। এখন প্রতিবার Excel File টি Close করার সময় একটি করে ব্যাকআপ তৈরি হবে।
এটিও পড়ুন- বয়স বের করার সহজ মেথড জেনে নিন EXCEL এর যাদু
ব্যাস! এখন এখানেই পরবর্তী পোষ্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক দিন। ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না প্লিস। ধন্যবাদ।।

Wednesday, July 13, 2016

Excel এর ম্যাথ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্ব পূর্ণ ফাংশন

Excel শিক্ষার আসর পার্ট II:  Excel এর অত্যন্ত খুব দরকারি ১০ টি মেথড পর্বে এক্সেল এর SUM ( যোগফল ), বিয়োগফল, গুনফল, সর্বনিম্ন, সর্বাধিক, If, গড়ফল ইত্যাদি ইত্যাদি নির্ণয়ের ফর্মুলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছিল। চাইলে এখানে ক্লিক করে এই মেথডগুলি শিখে নিত পারেন। এই পর্বে আরও কিছু মজার মজার ফাংশন যেমন- গসাগু নির্ণয়, লসাগু নির্ণয়, বর্গমূল নির্ণয়, দিন-তারিখ ইত্যাদি ইত্যাদি নির্ণয়ের ফর্মুলা শেয়ার করা হল যা আপনার বিভিন্ন কাজে আসবে বলে আমি মনে করি। [বয়স বের করার সহজ মেথড জেনে নিন EXCEL এর যাদু ]
Excel এর সুত্র গুলি নিম্ন রুপ-

গসাগু নির্ণয় করতে চাইলে?
দুটি, তিনটি কিংবা একাধিক সংখ্যার গসাগু নির্ণয় করতে চাইলে GCD ফাংশন ব্যবহার করে সহজে গসাগু বের করতে পারি।

Syntax:
=GCD(4,16,64)
উত্তর- 4

লসাগু নির্ণয় করতে চাইলে?
দুটি, তিনটি কিংবা একাধিক সংখ্যার লসাগু নির্ণয় করতে চাইলে LCM ফাংশন ব্যবহার করে সহজে লসাগু বের করতে পারি। 
Syntax: 
=LCM(24,36)
উত্তর - 72

বর্গমূল নির্ণয় করতে চাইলে?
কোন সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে চাইলে SQRT ফর্মুলা ব্যবহার করে সহজে বর্গমূল নির্ণয় করতে পারি। কিন্তু Number এর মান অবশ্যই ধনাত্নক হতে হবে।

Syntax: 
=SQRT(81)
উত্তর - 9

POWER(ঘাত)

কোন সংখ্যার বর্গ বা ঘাত নির্ণয় করতে Power ফর্মুলা টি ব্যবহার করা হয়।
Syntax-
  • =POWER(5,2)
এখানে 5 হচ্ছে সংখ্যা এবং 2 হচ্ছে ঘাত। উক্ত সিনট্যাক্স টির উত্তর হবে 25.
Excel এর ম্যাথ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্ব পূর্ণ ফাংশন

ভগ্নাংশ কে Round এ নির্ণয় করতে চাইলে?
ROUND আসন্ন মান অর্থাৎ মোটামুটি কাছি অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন - ২.৫৬৮৫ সংখ্যাটিকে দুই দশমিক আসন্ন মান লিখতে বলা হলে ২.৫৭ লেখা হয়।
Syntax:  =ROUND(18.378,2)
উত্তর - 18.38


বর্তমান তারিখ সময় মাস, ও বছর বের করতে চাইলে?
আজকের দিন (বর্তমান সময়) দিন তারিখ সময় মাস ও বছর জানার জন্য NOW,Month(Now()) ও YEAR(Now()) ফর্মুলা ব্যবহার করে সহজে তা নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
=NOW() 
শুধু মাস বেরক্রতে চাইলে?
=Month(Now())

শুধু বছর বের করতে চাইলে ?
=YEAR(Now())

কোন তারিখ কি বার জানতে চাইলে?
WEEK DAY("01/01/1990")
উত্তর- 6 (অর্থাৎ Friday)

কোন তারিখ কি বার জানার জন্য?
=TEXT("01/01/1990",ddd)
উত্তর - Friday

কম্পিউটারের এ রকম হাজারও প্রশ্নের উত্তর পেতে আগমনী বার্তা ভিজিট করতে পারেন।  এর পরের পোষ্টে Excel এর FV, RATE, PV, NPV, SLN, ABS, ATN, INT, LN, SIN, PI, DATEIF, COUNTIF, SUMIF ইত্যাদি ফর্মুলা নিয়ে আলোচনা করা হবে তক্ষণে সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ।

Friday, May 8, 2015

এক্সেল ব্যবহারকারীর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট কী - Microsoft Excel Shortcut Key

Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ শ্রেষ্ঠতর বা উৎকৃষ্ঠ । মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) একটি হিসাব রক্ষার কাজে ব্যবহৃত প্রোগ্রাম। কম্পিউটারে ভিজ্যুয়ালী হিসাব-নিকাশ করার জন্য এই প্রোগ্রামটির জুড়ি নেই। এটি গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস সহজ হওয়ার কারণে যে কেউ এই প্রোগ্রামটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরিকৃত একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম। মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করে বিভিন্ন জটিল,সরল , লজিক্যাল , গাণিতিক ও পরিসংখ্যান করা যায়। অন্যথায় স্প্রেডশীট শব্দের অর্থ ছড়ানো পাতা। এক্সেলের ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলা হয়। প্রতিটি ওয়ার্কবুক কতগুলো শীটের সমন্বয়ে গঠিত। 
এটিও পড়ুন - Excel এর অত্যন্ত খুব দরকারি ১০ টি মেথড
Microsoft Excel

ব্যস্ততার মুহূর্তে সময় বাঁচাতে শর্টকার্ট কি ব্যবহার ব্যবহার করতে পারেন। নিম্নে এক্সেলের বিভিন্ন কাজের শর্টকাট কি দেওয়া হলো।
অ্যারো কি: ডানে, বামে, ওপরে এবং নিচে কারসর নাড়াতে।
এটিও পড়ুন - ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা ৬ টি উপায়
শর্টকার্ট কী গুলি হল -
  • Ctrl+Arrow : ডানে, বামে, ওপরে এবং নিচে লেখার শেষে কারসর যাবে।
  • Ctrl+Home : ফিল্ড বা লেখার শুরুতে কারসর।
  • Ctrl+End : ফিল্ড বা লেখার শেষে কারসর।
  • Ctrl+Page Up : আগের পৃষ্ঠা বা ওয়ার্কশিটে যাওয়া।
  • Ctrl+Page Down : পরের পৃষ্ঠা বা ওয়ার্কশিটে যাওয়া।
  • Atl+Page Up : ডকুমেন্টের প্রথম কলামে অবস্থান করা।
  • Atl+Page Down : ডকুমেন্টের শেষ কলামে অবস্থান করা।
  • Atl+Enter : ফিল্ডে কারসর রেখে দুই ক্লিকের মাধ্যমে পরের লাইন তৈরি করা।
  • Shift+TAB : পেছনের ফিল্ড থেকে প্রথম ফিল্ডে একেক করে যাওয়া।
  • Ctrl+1 : ফন্ট, বর্ডার, নম্বর ইত্যাদির পরিবর্তন করা।
  • Ctrl+2 : ফন্ট বোল্ড করা।
  • Ctrl+3 : লেখাকে ইটালিক করা।
  • Ctrl+4 : লেখা আন্ডারলাইন করা।
  • Ctrl+5 : লেখার মাঝখান বরাবর কাটা দাগ (স্ট্রাইক থ্রু)।
  • Ctrl+7 : স্ট্যান্ডার্ড টুলবার সরিয়ে দেওয়া।
  • Ctrl+9 : কারসর যে ফিল্ডে আছে, তা মুছে ফেলা (রো ডিলিট)।
  • Ctrl+0 : কলাম ডিলিট।
  • Atl+F1 : ওয়ার্কশিটের সঙ্গে চার্টশিট যুক্ত করা।
  • Atl+F2 : সেভ অ্যাজ।
  • Ctrl+F3 : ডিফাইন ডায়ালগ বক্স খোলা।
  • Ctrl+F4 : ফাইল বন্ধ করা।
  • Ctrl+F5 : ফাইল নামসহ আদালা উইন্ডো।
  • Ctrl+F8 : ম্যাক্রো তৈরির জন্য ডায়লগ বক্স খোলা।
  • Ctrl+F9 : ফাইল মিনিমাইজ করা।
  • Ctrl+F10 : ফাইল নামসহ আলাদা ইউন্ডো।
  • Ctrl+F11: ওয়ার্কশিটের সঙ্গে ম্যাকরো শিট যুক্ত করা।
  • Ctrl+F12 : ওপেন ডায়ালগ বক্স।
কম্পিউটার সংক্রান্ত তথ্য জানার থাকলে কমেন্ট করুন। আপনি তথ্য প্রযুক্তি গত নতুন তথ্য পেলে জানান। কম্পিউটার জগত সাইটে আপনিও একজন লেখক হতে পারেন, তবে আপনার ইমেল পাঠান ।  ভালো ও সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ ।

Thursday, February 26, 2015

ওয়ার্ড এক্সেলে কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলি (Symbols) লেখার কৌশল

এম এস ওয়ার্ড ( Ms Word ) ও এম এস এক্সেল ( Ms Excel ) কম্পিউটার কাজের ক্ষেত্রে দুটো অ্যাপ্লিকেশানই খুবই দরকারিয় । এর আগের পোষ্টে ইজি মেথডে শিখুন Ms Word এর A to Z শর্টকাট কী আলোচনা করা হয়েছে।  বিশেষ করে এম এস ওয়ার্ড (MS Word)  কিংবা এম এস এক্সেল (MS Excel) কাজ করতে গেলে আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন (Symbol) যেমন -  © , ® , Ø , « , ইত্যাদি কাজে লাগে। সঠিক ব্যবহার না জানার জন্য তখন আমাদের কম্পিউটার এক্সপার্ট কিংবা কম্পিউটার জানা বন্ধুদের কাছে থেকে জেনে নিতে হয়। তাই আপনাদের সুবিধার জন্য এই পোষ্টে কিছু গুরুত্ব পূর্ণ MS Word, Ms Excel ইত্যাদিতে ব্যবহার এমন চিহ্ন গুলি শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে। কেননা বর্তমান সময়ে কম্পিউটারের অফিস প্যাকেজ (Ms Office) ভালো মতো জানা না থাকলে আমাদের বিপদে পড়তে হয়। তাই দেরি না করে সত্তর জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন (Symbol) গুলি।

এটিও পড়ুন -কীভাবে DOS এ কপি পেস্ট করবেন - একটি দুর্দান্ত টিপস

গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন (Symbols) গুলি নিম্নরূপ-


  • For © : Alt+0169
  • For ® : Alt+0174
  • For ™ : Alt+0153
  • For › : Alt+0155
  • For : Alt+0134
  • For ø : Alt+0248
  • For ¤ : Alt+0164 
  • For « : Alt+0171
  • For ° : Alt+0176
  • For ± : Alt+0177
  • For ² : Alt+0178
  • For ³ : Alt+0179
  • For µ : Alt+0181
  • For ¶ : Alt+0182
  • For ¹ : Alt+0185
  • For » : Alt+0187
  • For ¼ : Alt+0188
  • For ½ : Alt+0189
  • For ¾ : Alt+0190
  • For Å : Alt+0197
  • For × : Alt+0215
  • For Ø : Alt+0216
  • For Þ : Alt+0222
  • For ß : Alt+0223
  • For ☺: Alt+1

Monday, November 10, 2014

Microsoft Power Point কি? জেনে নিন পাওয়ার পয়েন্টের অজানা কিছু তথ্য

Microsoft Power Point কি ?

MS Ofice এর গুরুত্ব পূর্ণ অংশ হল Microsoft Power point । একে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বলা হয়। প্রেজেন্টেশন কথার অর্থ হল উপস্থাপন করা। কোন বিষয় সম্বন্ধে বিভিন্ন তথ্যকে উপস্থাপন করার পদ্ধতিকে Presentation বলে। যেমন- বিভিন্ন আলোচনা চক্র, বিভিন্ন প্রদর্শনী, সভাসমিতি কনফারেন্স সেমিনার ইত্যাদি জায়গার কোন বিষয় বস্তুর উপর বক্তা তার মতামত দর্শক ও শ্রোতাদের কাছে উপস্থাপন করে থাকেন। কিন্তু বক্তার অনুপস্থিতে দর্শক ও শ্রোতারদের মনোযোগ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বক্তা তার বিষয় বস্তুতে বিভিন্ন লেখা, ছবি, সাউন্ড, গ্রাফ ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তারপর Projector এর মাধ্যমে সেগুলি দর্শকের সামনে তুলে ধরেন।  আর এই সমস্ত কাজ পাওয়ার পয়েন্টে সহজে করা যায়। এছারা এরকম অনেক কাজ পাওয়ার পয়েন্টে করা যায়। 

বর্তমান বাজারে পাওয়ার পয়েন্টের চাহিদা অনেক রয়েছে। আপনার যারা পাওয়ার পয়েন্ট জানেন না তার কাজটি শিখে নিন আশা রাখি বেকার থাকলে পকেট মানি চালানোর মতো বাজারে কাজ পাবেন। কিংবা আমাদের কম্পিউটার জগত সাইটে পরবর্তী পোস্ট গুলো চোখ রাখুন আশা করি শিখতে পারবেন।
Microsoft Power Point

 পাওয়ার পয়েন্টের সাহায্যে কি কি কাজ করতে পারবেন?

  • একটি সম্পূর্ণ উপস্থাপনা (Presentation ) করা যায়।
  • বিষয়গুলি আলাদা আলাদা স্লাইড ( Slide )  এ লেখা যায়।
  • স্লাইড এর প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন Design (ডিজাইন) দেওয়া যায়।
  • স্লাইডে চ্যাট, গ্রাফ, ছবি, সাউন্ড ব্যবহার করা যায়।
  • স্লাইড গুলি একত্রে একটি ফাইলে (File) এ store করা যায়।
  • স্লাইড গুলি প্রয়োজনে প্রিন্ট দেওয়া যায়।
  • Presentation টিকে Internet এর মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানো যায়।
  • Slide  গুলি প্রয়োজনে Edit বা Delete করা যায়।
  • Projector এর সাহায্যে slide show করিয়ে কোন বিষয় উপস্থাপন করা যায়।
বন্ধুরা, এখন এ পর্যন্তই। ভালো লাগলে শেয়ার করে আমাকে উৎসাহিত করবেন। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন ধন্যবাদ।

Friday, September 5, 2014

Excel এর অত্যন্ত খুব দরকারি ১০ টি মেথড

EXCEL এর সুত্র ব্যবহারের পূর্বে আমরা যারা এক্সসেল সমন্ধে কিছু জানি না, একবার জেনে নেবো কিভাবে এক্সসেলে সুত্র প্রয়োগ করা হয়। তার জন্য -প্রথমে Excel ওপেন করতে হবে, এরপর যে CELL ( Sheet-র এক একটি ঘরকে Cell বলে ) এ উত্তর পেতে চান, সে Cell টিকে সিলেক্ট করে নিন, এবং এরপর = ( সমান চিহ্ন ) টাইপ করার পর নিম্ন ফর্মুলা গুলি ব্যবহার করুন।
এক্সেল

এক্সেল সুত্র 

SUM ( যোগফল )

SUM দ্বারা Cell -র মধ্যে থাকা সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা হয়।
Syntax:
  1. =sum(1,2,5,6)
  2. =২+৫+৯+৭
  3. sum(A1,A2,A3,A4)
  4. sum(A1,A2,A3,A4)
  5. sum(A1:A4)

প্রয়োগ করার নিয়ম- Excel ওপেন করে '=' চিহ্নটি টাইপ করুণ এরপর sum(1,2,5,6) টাইপ করার পর এন্টার চাপুন। তৎক্ষণাৎ আপনি তার উত্তর পাবেন। এভাবে ২,৩,৪... নং সুত্র গুলিও প্রয়োগ করে যোগফল করতে পারেন। এছাড়াও Autosum করেও যোগফল বের করতে পারেন। A1,A2,A3,A4 এগুলি হল Cell অ্যাড্রেস নেম। A1 এর মধ্যে যে সংখ্যাগুলি থাকে সেগুলিকে ধারন করবে। বিস্তারিত পরের পর্বে পাবেন

PRODUCT( গুণফল )

Product দ্বারা Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির গুন নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
  1. =5*6*7*6
  2. =product(5,6,7,1)
  3. =product(A1,A2,A3,A4)
  4. =product(A1:A4)

Average( গড়)

Average দ্বারা Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির গড় নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
  1. =Average(5,6.8)
  2. =Average(A1,A2,A3,A4)
  3. =Average(A1:A4)

MAX (সর্বাধিক)

Maximum দ্বারা কোন Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির মধ্যে সর্বাধিক (সবচেয়ে বড়) সংখ্যা নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
  1. =Max(5,6.8)
  2. =Max(A1,A2,A3,A4)
  3. =Max(A1:A4)

MIN (সর্বনিম্ন)

Minimum দ্বারা কোন Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির মধ্যে সর্বনিম্ন (সবচেয়ে ছোট) সংখ্যা নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
  1. =Min(5,6.8)
  2. =Min(A1,A2,A3,A4)
  3. =Min(A1:A4)

ROUND (আসন্ন মান)

ROUND আসন্ন মান অর্থাৎ মোটামুটি কাছি অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন - ২.৫৬৮৫ সংখ্যাটিকে দুই দশমিক আসন্ন মান লিখতে বলা হলে ২.৫৭ লেখা হয়।

  • =round(2.15,1)
2.15 কে মোটামুটি এক দশমিক স্থানে প্রকাশ করলে 2.2 হয়।

COUNT (গণনা )

একটি rang -এর সাংখিক মান গণনা করা হয়।
  1. =Count(5,6.8)
  2. =Count(A1,A2,A3,A4)
  3. =Count(A1:A4)
১ নং সিনট্যাক্স টির উত্তর হবে ৩। কেননা ওখানে তিনটি অংক রয়েছে।

IF (শর্ত সাপেক্ষ)

IF ফর্মুলা দিয়ে শর্ত আরোপ সহ গণনা করা যায়। সাধারন অর্থে - কোন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছত্রীদের পাস-ফেল বের করা।
Syntax

  • =IF(A10>=100,A3*2,A2*2) 
বর্ণনা-
এখানে A10 যদি 100 -র সমান বা বেশি হয় সেক্ষেত্রে A3*2 এই সংকেত ব্যবহৃত হবে।
কিন্তু A10 যদি 100 থেকে কম হয় সেক্ষেত্রে A2*2 সংকেত ব্যবহৃত হবে।

SQRT (বর্গমূল)

কোন সংখ্যার বর্গমূল বের করতে SQRT(Square root) ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়।
Syntax:
  • =sqrt(81)
[ 81 এর পরিবর্তে নিজের পছন্দ মতো সংখ্যা বসানো যেতে পারে ]

POWER(ঘাত)

কোন সংখ্যার বর্গ বা ঘাত নির্ণয় করতে Power ফর্মুলা টি ব্যবহার করা হয়।
Syntax-
  • =POWER(5,2)
এখানে 5 হচ্ছে সংখ্যা এবং 2 হচ্ছে ঘাত। উক্ত সিনট্যাক্স টির উত্তর হবে 25.

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে-
আপনি চাইলে EXCEL এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর সহ ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

পরবর্তী পোষ্ট এ এক্সেল শেখার ধারাবাহিক পর্ব, টিপস নিয়ে লেখার চেষ্টা  করবো। আপনার কোন ধরনের লেখা বেশি ভালো লাগে প্লিস জানাতে ভুলবেন না। ভালো থাকুন, ধন্যবাদ।

Saturday, August 30, 2014

বয়স বের করার সহজ মেথড জেনে নিন EXCEL এর যাদু

EXCEL পর্ব 

বন্ধুরা, আজ আমি একটি Excel সংক্রান্ত হিসেব নিয়ে আলোচনা করছি। নিত্যদিন আমাদের কারো না কারো যেটি প্রয়ই প্রয়োজন হয়। এই সূত্রটি দিয়ে আপনি আপনার জন্ম সংক্রান্ত তথ্য অর্থাৎ আজ থেকে আপনার বয়স কত হল সেটি বছর, মাস, দিন হিসেবে বের করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে।
১। প্রথমে এক্সসেল (EXCEL) খুলুন।
(win+r ক্লিক কারার পর লিখুন excel  তারপর Enter চাপুন )
২) তারপর B3 সেলে আপনার জন্ম তারিখ লিখুন।
৩) এরপর যে কোন সেলে নিচের সূত্রটি টাইপ করুন। অসুবিধে হলে নিচের ছবিটি অনুসরণ করতে পারেন।

এক্সেল

সূত্রটি নিম্নেঃ-
=INT((TODAY()-B3)/365.25) & " Years , " & INT(MOD((TODAY()-B3)/365.25,1)*12) & " Months and " & INT(MOD((TODAY()-B3)/30.4375,1)*30.4375) & " Days"

ফলাফল চিত্র নিম্নরূপঃ-
এক্সেল

মনে করিয়ে দেবার বিষয়ঃ-
ডেট ফরমেটটিকে (Format) টিকে MM / DD / YYYY অর্থাৎ মাস, দিন ও সাল - আকারে রাখতে হবে। নতুবা ভুল হতে পারে।

কোন সমস্যা হলে জানাবেন। ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং শেয়ার করে আমাকে সাপোর্ট দেবেন। আমার সঙ্গে থাকুন প্রত্যেহ চোখ রাখুন। নিত্যনতুন তথ্য উপহার দেবার জন্য আমি সর্বদা চেষ্টা করছি। অসীম ধন্যবাদ।