Tuesday, September 27, 2016

মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন - Microsoft Power Point

এমন একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম কল্পনা করা যাক যা গতিশীল দৃশ্যমান প্রেজেন্টেশন তৈরী ও গঠণ করতে পারে এবং যার মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়বস্তুগুলো অন্তর্ভুক্ত করা যায়। যেমন - রঙিন ছবি বা ইমেজ, শব্দ, সচল চিত্র বা এনিমেশন, চার্ট ও গ্রাফ। এবং যা শ্রোতাদের জন্য লিখিত বক্তব্য তৈরী করে দেবে। প্রেজেন্টেশনের প্রতিটি স্লাইড নিজ কম্পিউটারের সাহায্যে চালানো যাবে। Microsoft Power Point এগুলো সবই করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, আরও অনেক কিছুই করতে সম।
Microsoft Power Point

Microsoft PowerPoint Open -(  Microsoft PowerPoint যেভাবে ওপেন করতে হবে? )

Start > All Programs/ Programs > Microsoft PowerPoint > Enter  দিলেই ওপেন হয়ে যাবে। এছাড়াও কিবোর্ড থেকে কমান্ড তৈরী করে নিয়েও সহজে এবং দ্রুত ওপেন করা যায়।
অথবা Win+R শর্টকাট কী ব্যবহার করে RUN প্রোপার্টিস এ powerpnt লিখে Ok করেই খুলবে।

মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন
 
Taitle Bar :
 Microsoft PowerPoint (xp) Windows  এর একবারে উপরে যে বরাটি রয়েছে তাকে Application Title Bar  বলা হয়। এই বারের সর্ববামে পাওয়ার পয়েন্টের নিজস্ব লগো থাকে। লগোর পরেই থাকে এ্যাপ্লিকেশ প্রোগ্রামের নাম Microsoft Powerpoint  তারপর হাইফেন (-) এবং তৃতীয় বন্ধনীর ভিতর থাকে ডকুমেন্টের নাম। নিজে কোন নাম না দেওয়া পর্যন্ত কম্পিউটার নিজস্বভাবে Microsoft Powerpoint -[presentation1]  অথবা -[presentation2] এই নামগুলো দিয়ে থাকে।
মেনু বার-
 পাওয়ার পয়েন্টে বিভিন্ন কাজ করার জন্য এখানে কয়েকটি মেনু শ্রেণীগত ভাবে অবস্থান করে। শ্রেণীগত বলার অর্থ প্রত্যেকটি মেনু আবার অনেকগুলো অপশনের সমন্বয়ে গঠিত। যেমন File. Edit, View, Insert, Format, Tools, Slide show, Window, Help ইত্যাদি মেনু আছে। File মেনুতে কিক করলে New, Open, Close, Save  ইত্যাদি সহ মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মেনুবারের অনুরূপ বিভিন্ন কমান্ডের তালিকা দেখতে পাওয়া যায়। এবং এগুলোকে ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ কার্য সম্পন্ন করা হয়।
ষ্ট্যান্ডার্ড টুলবার-
 ষ্ট্যন্ডার্ড টুলবারে ফাইল খোলা ও বন্ধ করাসহ মেনু বারের কাজগুলোই চিত্র যুক্ত টুলস হিসেবে দেয়া থাকে। এই চিত্রের উপর কমান্ড বা কিক করেই প্রয়োজনীয় কার্য সম্পন্ন করা যায়।
ফর্মেটিং টুলবা-
 ফর্মেটিং টুলবারের সাহায্যে লেখা ফর্মেটিং করা সহ বিভিন্ন বেসিক বিষয়ে চিত্রযুক্ত টুল দেয়া থাকে।
আউট লাইন প্যান-
 স্বাভাবিক অবস্থায় এই অংশে প্রেজেন্টেশন স্লাইড নিয়ে কাজ করা হয় এবং গঠনগত দিক প্রদর্শিত হয়।
স্লাইড আইকন বক্স- এই বক্সে স্লাইডের ছোট রূপ প্রদর্শিত হয়। এতে করে সহজে স্লাইড সম্পর্কে জানা যায়।
স্লাইড প্যান- পর্দার মাঝের প্রধান অংশ; যেখানে স্লাইড নিয়ে কাজ করা হয়।
স্লাইডের নমুনা- কোন স্লাইড নির্বাচন করার পর স্লাইড প্যানে নমুনা স্লাইড প্রদর্শিত হয়।
মিনিমাইজ বার্টন- এপ্লিকেশন উইন্ডোকে টাস্কবারের একাটি বার্টনে পরিণত করে।
ম্যাক্সিমাইজ বার্টন- উইন্ডোকে বড় করে। সম্পূর্ণ স্কীন জুড়ে প্রদর্শিত হয়। উইন্ডো ম্যাক্সিমাইজ করা থাকলে রিষ্টোর বার্টন প্রদর্শিত হয়। এই রিষ্টোর বার্ট উইন্ডোকে পূর্বের আকারে নিয়ে যেতে পারে।
কোজ বার্টন - এই বার্টনে কিক করে প্রোগ্রাম উইন্ডো বন্ধ করা যায়।
ভিউ টুলবার- স্লাইডকে বিভিন্ন ভাবে দেখার জন্য কয়েকটি টুল বারে অবস্থান করে।
স্লাইড কাউন্টার- এখানে বর্তমান স্লাইডটির নম্বর প্রদর্শিত হয়।
আউট লাইন প্যান স্ক্রলবার ঃ আউটলাইন প্যানে স্ক্রল করার জন্য বারকে সামনে বা পিছনে ড্রাগ করা হয়।
ড্রয়িং টুলবার - আঁকার জন্য প্রয়োজন এমন বিভিন্ন অপশনের চিত্র।
নোটস প্যান- নরমাল মোডে থাকা অবস্থায় এই অংশে বর্তমান স্লাইড সম্পর্কে নোট লিখে রাখা যায়।
অফিস এসিসটেন্ট -
পাওয়ার পয়েন্টে কাজের সময় বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার জন্য অফিস এসিসটেন্ট একটি উপযুক্ত টুল। যখনই কোন সাহায্যের প্রয়োজন হবে সঙ্গে সঙ্গে অফিস এসিসটেন্ট এর উপযুক্ত বক্সে প্রশ্নটি টাইপ করে সার্চ করলে সমাধান পাওয়া যায়।
উইন্ডোতে যদি অফিস এসিসটেন্ট দেখতে না পাওয়া যায় তাহলে Help > Office Assistant এ মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করলে অফিস এসিসটেন্ট পাওয়া যাবে
 এরপর অফিস এসিসটেন্টের উপর কিক করলে প্রশ্ন লেখার বক্স আসবে যার উপরে লেখা থাকবে What I would you like to do ? এবার বক্সে নিজের প্রশ্নটি টাইপ করতে হবে। যেমন  লেখা যেতে পারে What is new in powerpoint  অথবা শুধু প্রশ্নের জন্য প্রয়োজনীয় মূল শব্দটি টাইপ করলেও চলবে যেমন  ঘবি এরপর সার্চ বার্টনে কিক করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নটি যদি কম্পিউটারের কাছে বোধগম্য হয় তবে উত্তরসহ একটি মেনু ওপেন হবে।

টেক্স লে-আউট স্লাইড তৈরীর প্রক্রিয়া-

কর্মপদ্ধতি - ১
মেনুবার থেকে Insert > New Slide অপশনে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করতে হবে।
কর্মপদ্ধতি - ২
এই টাস্ক প্যানে ডিফল্ট হিসেবে দেয়া সকল লে-আউট দেখা যাবে। সব ধরনের লে আউট টাইপ দেবার জন্যে টাস্ক প্যানের স্ক্রলবক্সে মাউস পয়েন্টার চেপে ধরে উপর থেকে নীচে ধীরে ধীরে ড্রাগ করতে হবে।
কর্মপদ্ধতি- ৩
 যে লে-আউটটি পছন্দ হবে তার উপর মাউসের ক্লিক করলে লে-আউট স্লাইড প্যানে প্রদর্শিত হবে।
প্লেস হোল্ডারে লেখার নিয়ম বা প্রক্রিয়া-
 টাইটেল প্লেস হোল্ডারে লেখার জন্য ঐ প্লেস হোল্ডারে কিক করতে হবে। ফলে Click to add title লেখাটি অদৃশ্য হয়ে যাবে এবং কার্সর দেখা যাবে। এবার কী বোর্ড থেকে কাঙ্খিত লেখাটি টাইপ করতে হবে। এবং লেখা সম্পাদনা করার জন্য ব্যবহার করতে হবে। লেখা শেষ হলে প্লেস হোল্ডারের বাইরে মাউসের কিক করলে কাজটি সম্পন্ন হবে। একই ভাবে অন্যান্য প্লেস হোল্ডারে কিক করে লিখতে হবে।
টেক্স এর বানান পরীা করার প্রক্রিয়া-
স্পেইলিং চেকার-এ কিক করলে বা স্পেইলিং চেকারকে নিরীক্ষার আদেশ দিলে প্রেজেন্টেশনের সকল প্রেসহোল্ডারের লেখাকে একে এক পরীক্ষা করতে থাকবে এবং যে স্থানে লিখিত শব্দটিকে তার অভিধানে খুঁজে পাবে না সেখানে নিরীক্ষা বন্ধ করে থেমে গিয়ে বানান শুদ্ধ করার জন্য ডায়াগ বক্স ওপেন করে বার্তা পাঠাবে।
শব্দের ভূল বানান শুদ্ধ করার প্রক্রিয়া-
লেখার নীচে তরঙ্গের ন্যায় লাল দাগ টানা আছে এমন একটি শব্দের উপর মাউসের পয়েন্টার স্থির করে মাউসের ডান বার্টন ক্লিক করলে সম্ভাব্য এক বা একাধিক শুদ্ধ বানানসহ একটি লিষ্ট আসবে। সম্ভাব্য শুদ্ধ বানানের লিষ্ট থেকে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করে তাতে কিক করলে বানান আপনা আপনি শুদ্ধ হয়ে যাবে।
সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের বানান পরীক্ষা করার প্রক্রিয়া-
প্রেজেন্টেশনটি খোলা অবস্থায় মেনুবার থেকে Tools > spelling  অপশনে মাউসের কিক করতে হবে। যদি শব্দটির বানান ঠিক থাকে তবে Ignore  বা Ingore All বার্টনে ক্লিক করতে হবে। ভুল বানানের জন্য Suggestions বক্সে সম্ভাব্য শুদ্ধ বানান তালিকা থেকে সঠিক বানানটি নির্বাচন করে কিক এবং পরিবর্তনের জন্য Change বা Change All বার্টনে কিক করতে হবে। তাহলে কাজটি সম্পন্ন হবে।
কাষ্টমস এনিমেশন-
কোন টেক্স তৈরীর পর  Effect, Sound, Timing  অপশন থেকে অপশন সিলেক্ট করে নিতে হয়।
নতুন স্লাইড-
নতুন স্লাইড নেওয়ার জন্য এই অপশন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
স্লাইড শো করার প্রক্রিয়া-
সমস্ত স্লাইড সম্পাদন করার পর স্ক্রীনে দেখার অপশন ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া অন্যান্য অরগুলো সাজানো, লেখা, রং পরিবর্তন ওয়ার্ড আর্ট, গ্রাফিক্স সবকিছুর ব্যবহার MS Word এর মতোই।

Sunday, June 26, 2016

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করবেন যেভাবে

অফিসিয়াল কাজের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word ) এর জুরি নেই। তবে কোন কোন কাজের ক্ষেত্রে অফিসের কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট প্রটেক্ট করতে হয়। আর এই পোষ্টে দেখানো হবে কিভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করবেন ?  আপনি যে কোনো ওয়ার্ড  ডকুমেন্ট পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করতে পারবেন একদম সফ্টওয়্যার ছাড়াই। এতে আপনার ডকুমেন্ট বা ফাইলগুলো থাকবে নিরাপদে । এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হল। [Slow কম্পিউটার নিমিষে সুপার ফাস্ট করে নিন সফটওয়্যার ছারা ১ মিনিটে ]
  • প্রথমে একটি MS Word ফাইল খুলতে হবে। তারপর এর মধ্যে কিছু লিখতে হবে।
 মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট
  • এরপর একটি নতুন উইন্ডো দেখাবেন সেখান থেকে টুলস (Tools) অপশনে গিয়ে জেনারেল অপশনে (General options) ক্লিক করতে হবে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট

  • এরপর পাসওয়ার্ড টু মডিফাই (Password to modify) বক্সে পাসওয়ার্ড ক্লিক করতে হবে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট
  • OK তে ক্লিক করে, এমএস ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বন্ধ করতে হবে। তারপর পাসওয়ার্ড দ্বারা পুনরায় এমএস ওয়ার্ড ফাইলটি খুলতে হবে।
 ব্যাস, এবার আপনার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদে। সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

Tuesday, June 7, 2016

মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস শিক্ষার আসর শুরু থেকে শেষ

মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস  কি?

মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস (Microsoft Access) হচ্ছে একটি শক্তিশালী ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Database Management System সংক্ষেপে -DBMS)। উইন্ডোতে কাজ করতে থাকা  এই ফাংশন দ্বারা আপনার ডেটাবেসে ডাটা প্রস্তুত করে সেটার উপর কাজ করতে পারেন। এ প্রোগ্রামটি তৈরি করেছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (Microsoft Corporation)।এর দ্বারা সহজে ডেটা কে আক্সেস করা যায় । যেমন- রিপোর্ট, ফর্ম, ক্যয়ারি (query ) ইত্যাদি।


এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফিচারঃ-
  • ডাটা এন্ট্রি এবং উপদেট- Access এ আপনারা সহজেই ডাটা যুক্ত করা যায়। প্রয়োজনে ডেটা সহজে ডিলিট, এডিট ও বদলানো যায়। এতে কেবল মাত্র একটি কম্যান্ড দ্বারা বড় স্তরের পরিবর্তন করা যায়, যেটা হচ্ছে মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস এর বিশেষত্ব।
  • ক্যোয়ারিজঃ- ডেটাবেসে ডাটা সম্পর্কীয় কঠিন প্রশ্নগুলিও সহজে করতে পারবেন আর সেগুলোর উত্তর ও তৎক্ষণাৎ প্রাপ্ত করতে পারবেন।
  • ফর্মসঃ-ডেটা দেখার জন্য আর সেগুলো উপডেট করার জন্য মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস আকর্ষক এবং উপযোগী ফর্মস প্রস্তুত করতে সাহায্য করে।
  • রিপোর্টসঃ- মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস শামিল ফিচার দ্বারা নিজেদের ডেটা প্রেজেন্ট (পেশ) করার জন্য ভালো এবং সুবিধাজনক রিপোর্ট বানানো যায়।
  • ওয়েব সাপোর্টঃ- মাইক্রোসফট অ্যাক্সেসে Object, Report এবং Table কে HTML ফর্মেটে শেভ করা যায়। প্রয়োজনে ব্রাউজার এ প্রয়োগ করে দেখতে পারেন।
  •