Monday, July 4, 2016

জিমেল একাউন্ট সুরক্ষা করবেন যেভাবে ! হ্যাকিং থেকে Gmail Account সুরক্ষা করতে চান?

Gmail এ কমবেশি সকলেরই ইমেল অ্যাকাউন্ট আছে। কিন্তু কতজন আছেন যে নিজের জিমেল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রেখেছেন। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার ইমেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হচ্ছে সেটা কি আপনার মাথায় আছে। যদি আপনি একটু সতর্ক হন তাহলে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট কে সুরক্ষিত রাখুন। অনেকই আছেন যারা Google Drive, Google Photos, Blogger , Youtube ইত্যাদি পরিষেবা গুলি Google এর ব্যবহার করেন অথচ আপনার অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত নয়। যেকোন মহুরতে আপনার পছন্দের ব্লগ (Blog) কিংবা Youtube Channel হ্যাকারা হাতিয়ে নিতে পারে। নিম্নে আলোচনা করা হল কিভাবে জিমেল একাউন্ট সুরক্ষা করবেন ?

কিভাবে জিমেল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করবেন?

  • টু স্টেপ (2 step verification) ভেরিফিকেশন।
  • গুগল স্প্যাম ফোল্ডার (Spam Folder ) থেকে দূরে থাকুন।
  • কাউকে গুগল অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড ভুলেও দেবেন না।
  • নিজের মোবাইল নাম্বার সর্বদা উপদেট রাখুন।
  • রিকভারি ইমেল এড্রেস অবশ্যই রাখুন।
  • জিমেল খোলার সময় অবশ্যই ইউআর এলের আগে http:// বা https://  ব্যবহার করুন।
  • পাসওয়ার্ড বড় ও জটিল দেওয়াই ভালো।
[ এর জন্য পাসওয়ার্ড জেনারেটর ব্যবহার করতে পারেন। পাসওয়ার্ড জেনারেট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ]

কিভাবে স্টেপ টু ভেরিফিকেশন করবেন?

  • প্রথমে ইমেল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করুন
  • এর পর MY Account এ ক্লিক করুন । নিচের ছবিটি লক্ষ করুন।
জিমেল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত
  • এরপর Device activity & notifications অপশনে ক্লিক করুন। অসুবিধা হলে নিচের ছবিটি লক্ষ করুন।
জিমেল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত
  • এরপর নিচের ছবিটি মতো দেখতে পাবেন। এবং OFF বটামটিতে ক্লিক করুন।

জিমেল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত

  • এরপর Get started অপশনে ক্লিক করুন।
জিমেল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত


  • এরপর পুনরায় আপনার জিমেল Password দিয়ে লগইন করুন।
  • এরপর Text message কিংবা Phone Call যেমন একটি তে ক্লিক করুন। এবং Next অপশনে ক্লিক করুন।
  • এরপর আপনার ফোনে তৎক্ষণাৎ একটি Code আসবে। সেটি টাইপ করুন। এবং Next করুন। (যদি Text Message সিলেক্ট থাকে তবেই কোড আসবে )
  • এরপর Turn On এ ক্লিক করুন।
ব্যাস! আপনার কাজ শেষ , এর পর Gmail লগইন করতে গেলেই আপনার ফোনে একটি Code পাবেন, আর সে Code টি টাইপ না করা অবধি লগইন করতে পারবেন না। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।ধন্যবাদ।

Sunday, July 3, 2016

স্মার্ট ফোনে যে অ্যাপগুলি থাকা খুবই জরুরী - এনড্রয়েড ট্রিক্স

আট থেকে আশি কমবেশি সবার পকেটে এখন স্মার্ট ফোন ও ট্যাবলেট। টেকনোলোজির যুগে এনড্রয়েড ফোন এমন একটি মাধ্যম যা দিয়ে দারুন সব মজার মজার কাজ নিমিষে সেরে ফেলা যায় । এমন কিছু অ্যাপ আছে যেগুলো এনড্রয়েড মোবাইলে ইন্সটল থাকেই ফ্রী কল, চ্যাট, বিরক্তকর ফোন নাম্বার ব্লক,ফ্রি পরিবহন সম্পর্কিত তথ্য, ট্রেন সম্পর্কিত তথ্য,  ঘরে বসে কেনাকাটা, খাবার অর্ডার এমনকি ফটো এডিটিং কাজও সেরে ফেলা যায় স্মার্ট ফোনে, এছারাও অনেক কাজ করা যায় খুব সহজে। আজকে আমি কয়েকটি স্মার্ট ফোনের অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলো আপনার ফোনে থাকলে খুব সুবিধা হবে।
স্মার্ট ফোনে যে অ্যাপগুলি থাকা খুবই জরুরী - এনড্রয়েড ট্রিক্স

অ্যান্টিভাইরাস


সবার প্রথমে আমাদের যেটা মাথায় রাখা উচিৎ সেটা হল ফোনকে সুরক্ষিত রাখা। আর এজন্য চাই ফোনে সঠিক অ্যান্টিভাইরাস। হাজার হাজার অ্যান্টিভাইরাস থাকলেও এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-  ৩৬০ সিকিউরিটি (360 Security), এভিজি অ্যান্টিভাইরাস (AVG), ইএসইটি মোবাইল সিকিউরিটি, ক্যাসপারস্কাই ইত্যাদি।

ট্রুকলার

এটি একটি কলার আইডি শনাক্ত করার অ্যাপ। এই অ্যাপ অবাঞ্ছিত ও বিরক্তিকর ফোন আসাও ব্লক করতে পারে। অপরিচিত কোনও নম্বর থেকে ফোন এলে সেই নম্বর দেখে সেই নম্বরকে শনাক্ত করে আপনাকে ফোনকর্তার বিস্তারিত তথ্য দিতে পারে এই অ্যাপ। এই অ্যাপটি শুধুমাত্র ইন্টারনেটের মাধ্যমেই কানেক্ট করা যায়।

সোস্যাল মিডিয়া অ্যাপ


আপনার প্রিয় বন্ধু বা মনের মানুষটিকে চোখের সামনে রাখার জন্য কিংবা আপনার গোটা দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা এবং পরিবারে সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য আপনার ফোনে সোস্যাল মিডিয়া অ্যাপ রাখা খুবই জরুরী। এজন্য হোয়াটঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট ইত্যাদি সোস্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলি না থাকা মানে আপনার ফোনকে প্রতিবন্ধী করে রাখা।

মিউজিক অ্যাপ


গান সোনার জন্য আপনাকে ৮ জিবি বা ১৬ জিবি বা ৩২ জিবি মেমরি কার্ডের প্রয়োজন নেই কিংবা গান শোনার জম্য কম্পিউটার থেকে ডেটা কেবিলের সাহায্যে গান ফোনে ট্রান্সফার করার প্রয়োজন নেই। গানা, সাভন, উইঙ্ক মিউজিক, সাউন্ড ক্লাউড এগুলির মধ্যে যেকোনও একটি মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপ ইনস্টল করে নিলেই যথেষ্ট।

পরিবহনের অ্যাপ


টেকনোলোজির স্মার্ট যুগে আপনাকে বাসের ভিড় আর ট্যাক্সির রিফুউজাল থেকে বাঁচতে স্মার্টফোনে ট্রান্সপোর্ট অ্যাপ থাকালে খুব সুবিধা হয়। আর এর জন্য ওলা ও উবার ইনস্টল করুন।

শপিং অ্যাপ


ঘড়ে বসে কেনাকাটার জন্য ই-কমার্স আপনার অনেকটা সময় বাঁচায় এবং আপনার কেনাকাটা অনেক সহজ ও পকেটসাধ্য করে। তাই ফোনে ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন, স্ন্যাপডিল, জ্যাবং, মিন্ত্রা, সোপক্লুজ অ্যাপগুলি ইনস্টল করে নিতে পারেন।

ফুড অ্যাপ


আপনার প্রিয় খাবারের জন্য কষ্ট করে আর দোকানে না ছুটে বাড়িতে বসে পছন্দ মতো খাবার খাওয়ার দিকে থেকে দেখতে গেলে ফুড অ্যাপের জুড়ি মেলা ভার। জোমাটো, সুইগি, ফুডপান্ডা ইনস্টল করে নিন ঝটপট।

মোবাইল ওয়ালেট


পেটিএম, অক্সিজেন, মোবিকুইক-এর মতো মোবাইল ওয়ালেট অ্যাপগুলি ইনস্টল করাটা স্মার্টফোনে খুব জরুরী। এই ধরনের মোবাইল ওয়ালেট দিয়ে কেনাকাটায় অনেক ছাড়া পাওয়া যায়। সব ক্ষেত্রে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য না দিলেও চলবে।

ফটো এডিটিং অ্যাপ


ফোনে তোলা ছবি আরও আকর্ষণীয় করতে একটু এডিটিংয়ের প্রয়োজন তো হয়ই। তাই পিক্সএলআর, ইনস্তাগ্রাম, অ্যাডোব লাইটরুম-এর মতো অ্যাপগুলি ফোনে ইনস্টল করুন।
গেম
গেম প্রেমিদের জন্য আছে হাজার হাজার গেম। তবে অবসর সময় কাটানোর জন্য কিংবা মনোরঞ্জনের জন্য গেম খেলার জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে আপনার পছন্দ মতো গেম ইন্সটল করে নিন।
 

Sunday, June 26, 2016

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করবেন যেভাবে

অফিসিয়াল কাজের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word ) এর জুরি নেই। তবে কোন কোন কাজের ক্ষেত্রে অফিসের কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট প্রটেক্ট করতে হয়। আর এই পোষ্টে দেখানো হবে কিভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করবেন ?  আপনি যে কোনো ওয়ার্ড  ডকুমেন্ট পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করতে পারবেন একদম সফ্টওয়্যার ছাড়াই। এতে আপনার ডকুমেন্ট বা ফাইলগুলো থাকবে নিরাপদে । এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হল। [Slow কম্পিউটার নিমিষে সুপার ফাস্ট করে নিন সফটওয়্যার ছারা ১ মিনিটে ]
  • প্রথমে একটি MS Word ফাইল খুলতে হবে। তারপর এর মধ্যে কিছু লিখতে হবে।
 মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট
  • এরপর একটি নতুন উইন্ডো দেখাবেন সেখান থেকে টুলস (Tools) অপশনে গিয়ে জেনারেল অপশনে (General options) ক্লিক করতে হবে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট

  • এরপর পাসওয়ার্ড টু মডিফাই (Password to modify) বক্সে পাসওয়ার্ড ক্লিক করতে হবে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট
  • OK তে ক্লিক করে, এমএস ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বন্ধ করতে হবে। তারপর পাসওয়ার্ড দ্বারা পুনরায় এমএস ওয়ার্ড ফাইলটি খুলতে হবে।
 ব্যাস, এবার আপনার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদে। সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

Monday, February 29, 2016

অ্যাপ ছাড়াই স্মার্ট ফোনে ফাইল ও ফোল্ডার লুকিয়ে রাখার কৌশল

প্রাত্যাহিক জীবনে মোবাইলের গুরুত্ব প্রতিনিয়ত বেরেই চলছে। বলতে গেলে ধিরে ধিরে আমরা সবাই মোবাইলের দাশে পরিণীত হয়ে যাচ্ছি।  তাই মোবাইল হল আমদের নিত্য সঙ্গী, একে বাদ দিয়ে আমরা রাস্তা হাতেই পারি না। যাক, আসল কথায় আসি, অনেক সময় বন্ধুদের কাছে থেকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল লুকিয়ে রাখতে চাই, কিন্তু এ জন্য চাই বারতি সফটওয়্যার, এতে অপচয় হয় ইন্টারনেটর টাকা (Net Balance) ,আর মোবাইলে লাগে বারতি সফটওয়্যার রাখার জায়গা। এই পষ্টে দেখানো হবে আপনি কিভাবে আপনার মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও ফোল্ডার লুকিয়ে রাখবেন একদম সফটওয়্যার ছাড়া?

ফাইল ও ফোল্ডার লুকিয়ে রাখার কৌশল
এ জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে ?
  • প্রথমে মেমরি কার্ডে (Memory Card) গিয়ে ডট লিখে ফাইল টাইপ (".agomonibarta") করুন (example- .agomonibarta)
  • এরপর যে ফাইল গুলি লুকিয়ে রাখতে চান সেগুলিকে ঐ ফাইলে ঢুকিয়ে রাখুন
  • এরপর এরপর ফাইল ম্যনেজার থেকে Folder (ফোল্ডার) Hide hidden file অপশনে ক্লিক করুন। (সাধারণত ফোল্ডার/ ফাইল ম্যনেজার ফোনের ডান পাশে থাকে )
  • ব্যাস ! এবার দেখুন আপনার ফোনের ফোল্ডার লুকিয়ে গেছে।
 কিভাবে পুনরায় হিডেন ফোল্ডার (Hidden Folder) দেখবেন ?
  • প্রথমে ফোল্ডার / ফাইল (Folder) ম্যানেজারে ক্লিক করুন
  • এরপর Show hidden File এ ক্লিক করুন
  • এরপর Folder ম্যানেজার থেকে Folader  এর নাম থেকে ডট (dote) টি মুছে ফেলুন।
  • ব্যাস ! আপনার ফাইল দেখাবে (Show) করবে।
টিপসটি পূর্বে প্রকাশ হয়েছিল www.agomonibarta.com এ। আমাদের টিমকে সর্বদা পেতে পড়ুন আগমনী বার্তা । কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন।

Monday, October 12, 2015

পাসওয়ার্ড না জেনেও উইন্ডোজ XP তে লগইন করুন - Windows Hacking

শুরুতেই সকলকে জানই কম্পিউটার জগৎ এর পক্ষ থেকে শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গা উৎসবের একরাশ প্রীতি ও শুভেছে । আজকে এই পোষ্টে আমি Windows হ্যাক করার একটি সাধারন টিপস শেয়ার করছি, বিশেষ করে নতুনদের জন্য আর যারা জানেন তারও একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন।  
 এটিও পড়ুন -ব্লগারদের ১০০% টাকা আয়েয় ভালো নিশ্চিত একটি অ্যাড নেটওয়ার্ক 
পাসওয়ার্ড না জেনেও Administrator এর পাসওয়ার্ড বদলিয়ে আমার অনায়সে প্রবেশ করতে পারি Windows XP অপারেটিং সিস্টেমে । অনেকে মনে করবেন এটি কিভাবে সম্ভব বা মনে করবেন কোন হ্যাকিং টুল দিয়ে তা করতে হবে। কিন্তু সেগুলো কোনটাই না। এটি একরকম পদ্ধতি যার মাধ্যমে পাসওয়ার্ড না জেনে এক্সপিতে লগইন করা যায়। তাহলে আসুন দেখি কিভাবে এটি করতে হয় ।
পাসওয়ার্ড না জেনেও,XP পাসওয়ার্ড হাাক

যা যা করনীয় -
  • প্রথমে পাসওয়ার্ড আছে এমন কম্পিউটার চালু করতে হবে। 
  • লগইন উইন্ডো আসলে Alt + Ctrl + Delete একত্রে দুইবার চাপতে হবে। এতে উইন্ডোজ ২০০০ এর মত লগইন উইন্ডো আসবে। 
  • এরপর User name বক্সে লিখুন Administrator এবং এন্টার চাপুন। তাহলে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হয়ে উইন্ডোজ লগইন হবে। এভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়া লগইন করা যায়। এছাড়া কম্পিউটারকে সেফ মোডে চালু করলেও এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজারটি দেখতে পাবেন এবং তাতে ক্লিক করেও লগইন করতে পারেন।
[ কীভাবে অটোরান ভাইরাস কম্পিউটার থেকে ডিলিট করবেন - Autorun Virus Remover] আপনারা হয়তো অনেকই ভাবছেন তাহলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লাভ কি? আসলে অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইনস্টল করলে Administrator নামে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট সয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় এবং তা লুকনো অবস্থায় থাকে। এ অ্যাকাউন্টে কোন পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে না। ফলে উপরের পদ্ধতিতে এ অ্যাকাউন্টে লগইন করা যায়।

 লগইন পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করবেন যেভাবে ?

আপনি চাইলে Administrator অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারেন। তারজন্য আপনাকে প্রথমে সেইফ মোডে কম্পিউটার চালু করুন এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নামের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। এবার Start => Settings => Control Panel এ ক্লিক করুন এবং User Accounts এ ক্লিক করুন। এরপর Administrator অ্যাকাউন্টে ক্লিক করে Create a password এ ক্লিক করুন এবং নতুন একটি পাসওয়ার্ড লিখে Create password বাটনটি ক্লিক করুন। তাহলে কেউ উপরের নিয়মে আর পাসওয়ার্ড ছাড়া লগইন করতে পারবে না। [ফরমেট না হওয়া পেনড্রাইভ সহজ উপায় ফরমেট করার কৌশল]

এখন এখানেই ভালো লাগলে শেয়ার করবেন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। ফেসবুকে আমাকে পেতে এখানে ক্লিক করুন। পরের পোষ্টে  " পাসওয়ার্ড না জানলেও বদলে ফেলতে পারবেন windows-7 এর পাসওয়ার্ড " ততক্ষণে সঙ্গে থাকুন ধন্যবাদ।

Tuesday, August 4, 2015

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অন্য কেউ Login করছিল কিনা জেনে নিন? দেখুন অনুপ্রবেশকারীর তালিকা

ফেসবুক

ফেসবুক পৃথিবীর সবচেয়ে পুপুলার এবং জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট হিসেবে ফেসবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু আমারা সকলেই তো Facebook ব্যবহার করি কিন্তু এটা কি জানি যে, আমার ফেসবুক Account টি আদৌ কি সুরক্ষিত। আপনি ছারা কি আর কেউ আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট টি ব্যবহার করেছে ? কিংবা কেউ আপনার অজান্তে আপনার অ্যাকাউন্ট টি হ্যাক করেছে। আপনি যদি মনে করে যে, আপনার ফেসবুক একাউন্টে আপনি ছাড়াও অন্য কেউ প্রবেশ করেছে। তাহলে আপনি জেনে নিতে পারবেন ? তাহলে আসুন নিচে দেখানো নিয়ম অনুসরন করে দেখে নিন আপনার ফেসবুকে লগিন করা ইউজারের তালিকা এবং কোন ব্রাউজার থেকে ব্রাউজ করেছে তার সাত সতেরো ।
এটিও পড়ুন - ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা ৬ টি উপায়

আপনাকে যা করতে হবে?

  • ফেসবুক অ্যাকাউন্টে login করে ডান পাশে থাকা Settings আইকনটিতে click করুন।

ফেসবুক

  • এরপর সেখান থেকে Account Settings এ click করুন। এরপর যে windowটি আসবে সেখানে বাম পাশ থেকে Security অপশন এ click করুন।
  • এরপর Security Settings থেকে Secure Browsing এবং Login Notification  অপশন Enable আছে কিনা তা চেক করুন। না থাকলে Enable করে দিন।

  • এরপর Your Browsers and Apps গিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টে login তালিকা এবং কোন ব্রাউজার থেকে কত তারিখে ব্রাউজ করেছে দেখতে পাবেন। তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে এটা কি আপনি না অন্য কেউ।
  • ব্যাস কাজ কমপ্লিট ।
এখন এখানেই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ। 

Sunday, February 22, 2015

BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ করুন সহজ সরল উপায়ে

BIOS কি?

BIOS অর্থ হল “Basic Input Output System”। BIOS –এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয় । পিসি Boot ( বুট ) করা এবং সিপিইউ কতৃক বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একসেস করার জন্য বায়োস ব্যবহার করা হয় । বায়োসে প্রোগ্রাম কোডিং করা থাকে যা দ্বারা মৌলিক এবং লো -লেবেলের ফাংশনগুলো সম্পাদন করা হয় ।
এটিও পড়ুন -পিসিতে ড্রাইভার install করুন CD ছারাই
 কিন্তু এখন কথা হল কোন কারনে আমাদের BIOS সেটিং পরিবর্তন করতে হয়। তখন দেখা গেল আপনার BIOS পাসওয়ার্ড প্রটেক্টটেড এমনকি আপনার BIOS পাসওয়ার্ড কি তাও কাজের চাপে ভুলে গেছেন। তখন করবেন কি ? হতাশ হয়ে আপনার কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাবেন , কহনও না এবার আপনি নিজে নিজে আপনার PC বা Laptop এর পাসওয়ার্ড রিমুভ করে নিন।

কিভাবে BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ করবেন ?

পদ্ধতি ১

  1. প্রথমে CPU খুলুন
  2. এরপর motherboard টি লক্ষ্য করুন
  3. এরপর Battery(3V) খুলে ফেলুন
  4. তারপর মাদারবোর্ড থেকে Battery(3V) টি খুলে বলুন
  5. ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করে আবার Battery(3V) লাগিয়ে দিন।
এরপর আপনার কম্পিউটারটি চালিয়ে দেখুন। আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে। তবু সমস্যা হলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

BIOS পাসওয়ার্ড

 পদ্ধতি ২

আগের কম্পিউটারে মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো ব্যাটারী খুলে ফেললে BIOS এর পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়ে যেত। কিন্তু এখনকার পিসি তে মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো ব্যাটারী খুলে ফেললে BIOS এর পাসওয়ার্ড রিমুভ হয় না। এর কারন এখনকার পিসি তে BIOS ব্যাটারি এর পাশে CLR_CMOS নামে একটি জাম্পার থাকে এটি খুলে লাগালে আপনার পিসি এর BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়ে যাবে।
নিচের ছবিটি লক্ষ্য করতে পারেন।
BIOS পাসওয়ার্ড
 আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে। ভালো লাগলে শেয়ার করে বন্ধুদের জানেতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Wednesday, January 21, 2015

কীভাবে WI-FI অথবা LAN এর স্পীড হ্যাক করবেন - গোপনীয়তা বজায় রেখে

ওয়াই-ফাই কি? 

Wi-Fi অথবা Wireless Fidelity একটি স্বাধীন নেটওয়ার্ক যা আপনাকে বাড়ীতে, অফিসে, হোটেল রুম, কনফারেন্স রুম সর্বত্রই তারবিহীন অবস্থায় নেটওয়ার্ক (এরিয়াভিত্তিক অথবা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক) জগতে প্রবেশের অনুমতি দেয়। ওয়াই-ফাই একটি ওয়্যারলেস টেকনোলজি যা সেলফোনের মতো কাজ করে। ওয়াই-ফাই যে কোন স্থানে বেইজ স্টেশনের আওতায় আপনার কম্পিউটারকে দ্রুততা সম্পন্নভাবে ডেটা আদান- প্রদানে কার্যক্ষম রাখে দ্রুতগতি সম্পন্ন ক্যাবল মডেমের তুলনায়। 

WI-FI

 আজ আমি আপনাদের দেখাব কীভাবে এক ওয়াই ফাই বা ল্যান নেটওয়ার্কের স্পিড হ্যাক করতে হয় । মূলত ওয়াই ফাই বা ল্যান এর কৌশল টা হল একটা পিসি থেকে নেট শেয়ার করা । সেই নেটওয়ার্কের মধ্যে যেসব PC বা Laptop থাকে সেগুলো সবাই সমান স্পিড পায় । যেমন ধরুন একটা ওয়াই ফাই সার্ভারের টোটাল স্পীড হল ২ MBPS । এখন যদি এই নেটওয়ার্কের মধ্যে ১০ টা পিসি থাকে তবে তারা প্রত্যেকে পাবে ২০০ KBPS স্পীড । এখন আমি আপনাদের দেখাব কীভাবে একই নেটওয়ার্কের মধ্যের পিসি গুলোর স্পীড ভক্ষন করে নিজে সুপার স্পিডে ব্রাউজ করতে হয় । আর এ জন্য আমাদের লাগবে একটা ছোট্ট সফটওয়ার । এর নাম হল NETCUT । 

কীভাবে হ্যাক করবেন?

  • প্রথমে সফওয়ারটি ডাউনলোড করুন। এখানে ক্লিক করেও ডাউনলোড করতে পারেন

  • এরপর সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে ওপেন করুন । নিচের মতো স্ক্রীন দেখতে পাবেন ।  

WI-FI

  •   এরপর দেখবেন নিচে লাইন দিয়ে এই নেটওয়ার্কের ভিতর যে পিসি গুলো কানেক্টেড আছে সেগুলোর আইপি দেখাচ্ছে।

এটিও পড়ুন - আজীবন আয় করুন ব্লগ কিংবা ফেসবুকে সম্পূর্ণ টেনশন ফ্রি
  • এখন আপনি যে কয়টি পিসির স্পীড হ্যাক করতে চান সে কয়টি আইপি সিলেক্ট করুন । তবে প্রথম দুটি বাদ দিয়ে, কারণ প্রথম দুটি হল আপনার নিজস্ব আইপি । এরপর নিচের চিত্রের মত CUT OFF বাটনে ক্লিক করুন ।

  WI-FI

 ব্যাস , কাজ শেষ । এবার অন্য লোকের স্পিড খেয়ে আপনি লাভবান হতে থাকুন । এরপর যদি চান অন্য সব পিসিতে আবার নেটওয়ার্ক স্পিড দিতে, তবে Resume বাটনে ক্লিক করুন । আর সবাই ভাল থাকুন । ধন্যবাদ।