Monday, September 26, 2016

মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড - এম এস ওয়ার্ড প্রসেসিং - Microsoft Word

ওয়ার্ড প্রসেসিং ( Microsoft Word) Part 1:

MS-Word:  Microsoft Word হল একটি  এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের নাম। আমেরিকার বিখ্যাত মাই ক্রোসফ্ট কর্পোরেশন কর্তৃক বাজারজাতকৃত Microsoft Word -কে সংক্ষেপে MS-Word বলে। তা Windows -এর অধীনে একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ প্রোগ্রাম। MS-Word দিয়ে লেখালেখির যাবতীয় কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের Drawing -এর কাজ করা যায় । যে সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিটারে লেখা লেখির কাজ করা হয় তাকেই Microsoft Word  বলে।
মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড

Microsoft Word  প্রোগ্রাম ওপেন করার নিয়ম

Start Menu তে কিক করে তারপরAll Programs-এ কিক করলে অনেকগুলো অপশনের নাম আসবে। অর্থাৎ কম্পিউটারের যে সব এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারগুলো দেওয়া আছে তা দেখাবে। এখান থেকে Microsoft Word এর উপর কিক করতে হবে তাহলে পর্দায় লেখার উপযোগি একটি সাদা পাতা প্রদর্শিত হবে। এছাড়া উইন্ডোজের উপরের অংশে ডান কোনায় শর্টকার্ট মেনু থেকে Word এর আইকনে ক্লিক করেও ওপেন করা যায়( যদি শর্টকার্ট বার বা মেনু ইনষ্টল করা থাকে)। এছাড়া কী বোর্ড শর্টকার্ট তৈরী করে নেয়া যায় এবং তা ব্যবহার করে দ্রুত ওপেন করা যায়।

এটিও পড়ুন - কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ভালো রাখার টিপস, Latest Update 


এম. এস- ওয়ার্ড চালুকরন How To Open Microsoft Word?

প্রথমেই Start Menu তে ক্লিক অথবা Keyboard থেকে Win Key তে ক্লিক করি।
All Programs > Programs > Microsoft Word ক্লিক করি
অথবা - Win+R এর পর Run কমান্ডে winword লিখে Enter চাপুন.।

Microsoft Word   প্রোগ্রাম বন্ধ করার নিয়ম

Microsoft Word  প্রোগ্রাম বন্ধ করার বিভিন্ন নিয়ম বা পদ্ধতি আছে। প্রথমত: মেনু বারের ফাইল মেনুতে ক্লিক করে মেনুস্থ Exit লেখা অপশনে কিক করবো এ ক্ষেত্রে পর্দায় একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে এবং এই বক্সের লেখাটি জানতে চায় ফাইল বন্ধ করার পূর্বে আমরা ডকুমেন্ট সেভ পরিবর্তন করবো কিনা। এর ঠিক নীচে Yes/ No দু’টো অপশন থাকবে, এর যে কোনটি চাপলে অর্থাৎ সেভ পরিবর্তন করতে চাইলে Yes আর পরিবর্তন করতে না চাইলে No তে ক্লিক করলে প্রোগ্রাম ফাইল বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও টাইটেল বারের ডান পাশের  প্রতীকের উপর কিক করেও প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

Title Bar (টাইটেল বার)

Microsoft Word সহ উইন্ডোজের যে কোন প্রোগ্রাম ওপেন করলে পর্দার একেবারে উপরে আড়াআড়ি যে লম্বা লাইন দেখা যায় এবং যাতে চলতি প্রোগ্রামের নাম লেখা দেখা যায় তাকে টাইটেল বার বলা হয়। এছাড়া এই বারের একেবারে ডান পাশে   এ ধরনের প্রতীক বিশিষ্ট আরও তিনটি অপশন থাকে যেমন,  মিনিমাইজ,  ম্যাক্সিমাইজ ও  কোজ বক্স। মিনিমাইজ বক্স এ মাউসের ক্লিক করলে চলতি প্রোগ্রামটি উইন্ডোজের নিচে ষ্ট্যাট মেনু বারে চালু অবস্থায় মিনিমাইজ হয়ে থাকবে আবার নিচের সঞ্চিত ঐ বক্সে ক্লিক করলে পুণরায় তা পর্দায় ভেসে উঠবে। ম্যাক্সিমাইজ বক্স এ মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে পাতা ছোট বড় করা যায়। ক্লোজ বক্স এ কিক করে ডকুমেন্ট ক্লোজ করা যায়।

Menu Bar ( মেনু বার)

টাইটেল বারের নীচে একটি লম্বা লাইন বা বার থাকে, যেখানে File, Edit, View, Insert, Format, Tools, Table, Window, Help লেখা বার বা লাইনকে Menu Bar বলে। মেনুর নামের উপর মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে। ওপেন হওয়া মেনু বক্সকে পলডাউন মেনু বলে।
File :
File নামের মেনুতে ক্লিক করে New, Open, Close, Save, Save as, Save as web page, Page setup, Print Preview, Print, Exit ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।

New: New এর উপর মাউসের ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+N চেপে কমান্ড দিলে নতুন ডকুমেন্ট পাতা খুলবে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী করা যাবে।
Open: Open মেনুতে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+O কমান্ড দিয়ে সেভ করা ফাইল দেখা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
Close:  Close মেনুতে ক্লিক করে ফাইল বন্ধ করা যায়।
Save: Save মেনুতে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+S কমান্ড দিয়ে ফাইল সেভ করা যায়। কোন ফাইল বা ডকুমেন্ট সেভ করতে কমান্ড দিলে একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে সেখানে জানতে চাইবে ফাইলটি কি নামে সেভ হবে। এক্ষেত্রে নাম সিলেক্ট করে দিয়ে সেভ করতে হবে।
Save as:  Save as   মেনুতে কিক করে ফাইল প্রটেক্ট করা যায়। এছাড়া  Save as web page মেনুতে ফাইলটি ওয়েভ পেজের জন্য সেভ করা যায়।
Page Setup: Page setup মেনুতে ক্লিক করে পাতার সাইজ, স্কেল ইত্যাদি পরিমাপ করে নেয়া যায়।
Print Preview: Print Preview মেনুতে কিক করে ডকুমেন্টটি প্রিন্টিং করা হলে কি আকারে প্রিন্ট হবে তা দেখা যায়।
Print: Print মেনুতে কিক করে অথবা কীবোর্ড থেকে Ctrl+P কমান্ড দিয়ে ডকুমেন্টটি প্রিন্ট করা যায়।
Exit: Exit মেনুতে ক্লিক করে ফাইল বা ডকুমেন্ট কোজ করা যায়।

Edit Menu :

Edit নামের মেনুতে ক্লিক করে Undo Typing, Repeat typing, Cut, Copy, Paste, Clear, Select All, Find, Replace, Go to ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Undo: Undo Typing : কোন ডকুমেন্ট মুছে ফেলার পর পুণরায় ফেরত পেতে সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+Z কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Redo: Repeat Typing/Redo : মুছে ফেলা কোন ডকুমেন্ট পুণরায় ফেরত পেতে সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+Y কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Cut: Cut : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ Cut করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+X কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Copy: Copy : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ Copy :করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+C কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Paste: Paste : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ কপি করে অন্য কোথাও স্থানান্তরের জন্য সাধারণত: এই Paste মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+V কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Clear: Clear : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মুছে ফেলার জন্য সাধারণত: এই Clear মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করে কাজটি করা যায়।
--> Select All:  Select All : কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ মুছে ফেলার জন্য বা অন্য কোথাও স্থানান্তর বা বিশেষ কোন কাজ করতে চাই তাহলে এই Select All  মেনু ব্যবহার করে তা করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে অথবা কী বোর্ড থেকে Ctrl+A কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Find:  কোন ডকুমেন্ট এর ভিতরের কোন শব্দ বা অর খুঁজতে এই Find মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে Find মেনুতে কিক করে ডায়ালগ বক্সে কি খুজতে চাই তা লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Replace :  কোন ডকুমেন্ট এর ভিতরের কোন শব্দ বা অর পরিবর্তন করতে বা নতুন কোন শব্দ বা অর সংযোজন করতে এই Replace মেনু ব্যবহার করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Replace  মেনুতে কিক করে ডায়ালগ বক্সে যে শব্দটি পরিবর্তন করতে চাই তা লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।
--> Go to : অনেক গুলো পাতার ডকুমেন্ট এ এক পাতা থেকে অন্য পাতায় দ্রুত যেতে এই Go to  মেনু ব্যবহার করে তা করা হয়। মাউসের পয়েন্টার দিয়ে কিক করে ডায়ালগ বক্সে পাতা নং লিখে কমান্ড দিয়ে কাজটি করা যায়।

View Menu :
View নামের মেনুতে কিক করে Normal, Web Layout, Print Layout, Outline, Ruler, Document Map, Header and Footer, Ful Acreen, Zoom ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Normal : Outline Page Layout পর্দায় উপস্থিত থাকলে তা পরিবর্তন করতে বা স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Normal মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।
--> Web Layout : পর্দার চারপাশে মার্জিন তৈরী করতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Web Layout  মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।
--> Print Layout : পর্দায় Print Layout  অবস্থানে আনতে বা দেখতে মাউসের পয়েন্টার দিয়ে Print Layout :মেনুতে কিক করে কাজটি করা যায়।
--> Outline : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজের প্রতিটি লাইনে বিশেষ কোন প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই মেনুতে মাউসের পয়েন্টার নিয়ে কিক করলে ডকুমেন্টের প্রতিটি লাইনে বিশেষ চিহ্ন চলে আসবে।
--> Ruler : ডকুমেন্ট পেজের পাশে Ruler  আনতে চাইলে এই মেনুতে কিক করে তা করা যাবে। আবার Ruler  অদৃশ্য করতে হলে পুণরায় জঁষবৎ মেনুতে কিক করলে তা অদৃশ্য হয়ে যাবে।
--> Document Map : ডকুমেন্ট পেজটিকে আমরা যদি Document Map আকারে দেখতে চাই তাহলে এই Document Map : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে।
--> Header and Footer : ডকুমেন্ট পেজের উপরে অংশকে Header এবং নীচের অংশকে Footer : বলে। আমরা যদি Document Page এর প্রতি পাতার উপরে অথবা নীচে কিংবা উপর নীচ উভয় অংশে বিশেষ কোন নির্দেশনা লিখতে চাই তাহলে এই Header and Footer মেনুতে কিক করে বিশেষ নির্দেশনা লিখে ওকে করলে প্রতিটি পাতায় তা প্রদর্শিত হবে।
--> Ful Acreen : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজকে পর্দায় সম্পূর্ণ রূপে প্রদর্শন করতে চাই সে ক্ষেত্রে এই Ful Acreen : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে। এবং পূর্ব অবস্থায় বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে কোজ এ কিক করে তা করা যাবে।
--> Zoom : আমরা যদি ডকুমেন্ট পেজকে পর্দায় ছোট অথবা বড় রূপে প্রদর্শন করতে চাই সে ক্ষেত্রে এই  Zoom : মেনুতে কিক করে তা করা যাবে।
Insert Menu :
Insert নামের মেনুতে কিক করে  Break, Page Number, Date and Time, Field, Symbol, Comment, Footnot, Picture, Word Art, Auto Shapes, Tex Box ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট,আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Break :   কোন ডকুমেন্ট পেজ সম্পূর্ণ  বা কোন প্যারাগ্রাফ ব্রেক করে নতুন পাতা বা কলাম সৃষ্টি করতে এই Break :  মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়।
--> Page Number :   কোন ডকুমেন্ট এর প্রতি পাতায় স্বয়ংক্রীয় ভাবে পাতা নং দিতে চাইলে এই  Page Number   মেনু ব্যবহার করে প্রতিটি পাতায় Page Number  করা যায়।
--> Date and Time:   কোন ডকুমেন্ট এ স্বয়ংক্রীয় ভাবে Date and Time  সংযোজন করতে হলে এই Date and Time মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়।
--> Field:   কোন ডকুমেন্ট এ পূর্ণ সংখ্যা লিখতে হলে এই Field:  মেনু ব্যবহার করে তা করা যায়। Field:  এ কিক করে ডায়ালগ বক্স থেকে Eqation and Formula ব্যবহার করে পূর্ণ সংখ্যা লিখতে হয়।
--> Symbol :   কোন ডকুমেন্ট এ কোন বিশেষ প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই Symbol মেনুতে কিক করে Symbol  নির্বাচন করে ওকে  করলে Symbol  টি ডকুমেন্টের সাথে সংযুক্ত হবে এবং ক্লোজ বাটন ক্লিক করে শেষ করতে হবে।
--> Comment :   আমরা যদি কোন ওয়ার্ড সম্পর্কে কোন মন্তব্য বা Comment  লিখতে চাই তা হলে তাহলে এই Comment মেনুতে কিক করে নির্ধারিত মন্তব্য লিখে ওকে  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Footnot :   আমরা যদি কোন পাতার শেষে বা ডকুমেন্টের শেষে কোন মন্তব্য বা Footnot  লিখতে চাই তা হলে তাহলে এই Footnot  মেনুতে কিক করে নির্ধারিত মন্তব্য লিখে ঙশ  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Picture :   আমরা যদি কোন ডকুমেন্ট এ কোন ছবি সংযোজন করতে চাই তা হলে তাহলে এই  Picture  মেনুতে কিক করে নির্ধারিত Picture   সিলেক্ট করে ওকে  করে ডায়ালগ বক্স কোজ করলে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Word Art :   আমরা যদি কোন ডকুমেন্ট এ কোন বিশেষ অংশকে ভিন্ন ভিন্ন ষ্টাইলে লিখতে বা সাজাতে চাই  তা হলে তাহলে এই Word Art  মেনুতে কিক করে Word Art Galary থেকে  নির্ধারিত Word Art সিলেক্ট করে ওকে  করে কাজটি হয়ে যাবে।
--> Auto Shapes :  Insert >Picture > Auto Shapes এখন ডকুমেন্ট এ যে সেফ সংযোজন করতে চাই তার উপর মাউসের কিক করে অর্থা
 ড্রাগ করে তা অংকন করা যাবে বা কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।
--> Text Box: Text Box   লেখার বক্স। আমরা যদি কোন Document এ কোন বিশেষ অংশকে ভিন্ন ভিন্ন ষ্টাইলে লিখতে বা সাজাতে চাই তা হলে তাহলে এই Text Box মেনুতে কিক করলে একটি Text Box পর্দায় আসবে যার ভিতরে হামেশা লেখা যাবে।

--> Format Menu :
Format নামের মেনুতে কিক করে Font, Paragraph, Tabs, Border and Shading, Change Case, Drop Cap, Bullets and Numbering, Style Gallery, Style, Background, Columns ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Font : Font   বা অক্ষর। এই মেনু ব্যবহার করে আমরা কোন ডকুমেন্ট এ ইরেজী অথবা বাংলার বিভিন্ন ষ্টাইলের  লেখার অর নির্বাচন করে নিতে পারি।
--> Under Line : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশের নীচে দাগ দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি Format > Font >           Under Line > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + U কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
--> Bold : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশের রং গাড় করে দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি Format > Font > Bold        > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + B কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
-->  Italic : ডকুমেন্টের কোন বিশেষ অংশ অথবা সম্পূর্ণ অংশ ইটালিক করে দেওয়ার জন্য এই মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার পদ্ধতি Format > Font > Italic > Ok   অথবা কীবোর্ডের Ctrl + I কমান্ড দিয়ে কাজটি সহজেই করা যায়।
--> Font Size : আমরা যদি আমাদের লেখার অরগুলোকে ছোট অথবা বড় আকারে লিখতে চাই তাহলে এই মেনু ব্যবহার করে তা করা যাবে। ব্যবহার পদ্ধতি অক্ষর ব্লক করে নিয়ে Format > Font > Font Size > Ok অথবা অক্ষর ব্লক করে নিয়ে কীবোর্ডের Ctrl + ] কমান্ড দিয়ে অক্ষর বড় এবং  Ctrl + [ কমান্ড দিয়ে অক্ষর ছোট করার কাজটি সহজেই করা যায়।
--> Paragraph : এই Paragraph মেনু ব্যবহার করে আমরা কোন ডকুমেন্টে লাইন স্পেজ ছোট বড় সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারি।
--> Tabs : আমরা যদি ডকুমেন্ট এ Tabs  সেট করতে চাই তাহলে এই Tabs  মেনু ব্যবহার করে  কাজ করতে পারি।
--> Border and Shading : আমরা যদি আমাদের তৈরী কৃত কোন আর্ট বা Document এ অথবা পাতার চার পাশে Border অথবা Shado বা ছায়া সেট করতে চাই তাহলে এই Border and Shading মেনু ব্যবহার করে  কাজ করতে পারি।
--> Change Case : আমরা যদি আমাদের তৈরী কৃত কোন Document এ লেখার ষ্টাইল ছোট হাতের বা বড় হাতের লেখা করতে চাই তাহলে Change Case   মেনুস্থ Upper Case  অথবা Lower Case মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে। আবার যদি শব্দের প্রথম অর ছোট বা বড় করতে Title Case ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করা যাবে।
--> Drop Cap : কোন Document এর প্রথম অর বড় করতে হলে Drop Cap  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে। অথচ ডকুমেন্টের লাইন স্পেস ঠিক থাকবে।
--> Bullets and Numbering : কোন Document এর Page Numbering করতে হলে Bullets and Numbering  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।

--> Background : কোন  Document এর Page Background রঙিন করতে হলে Background মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
--> Columns : কোন Document কে Columns  হিসেবে প্রকাশ করতে চাইলে Columns  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।

--> Tools  : Tools নামের মেনুতে কিক করে Spelling and Grammar, Word Count, Auto Correct, Mail Merge, Macro ইত্যাদি মেনু ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আর্ট তৈরী ও কাজ করা যায়।
--> Spelling and Grammar : কোন Document এর ভিতরে কোন বানান শুদ্ধ করতে Spelling and Grammar মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
--> Word Count : শব্দ গননা আমরা যদি Document এর শব্দ গননা করতে চাই তা হলে এই Word Count  মেনু  ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
--> Auto Correct : Document  তৈরী করা বা লেখার সময় স্বয়ংক্রিয় ভাবে ভূল সংশোধন করতে
Auto Correct মেনু  ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

Window Menu :
 Window  নামের মেনুকে ব্যবহার করে New Window, Arrange All, Split  এর কাজ করা যায়।
--> New Window: এমএস ওয়ার্ডে একসাথে একাধিক ডকুমেন্ট-এ কাজ করলে উক্ত ডকুমেন্ট তালিকা  New Window  তে জমা রাখা এবং এখান থেকে কোন ডকুমেন্ট বা ফাইল ওপেন করা যায়।
     --> ব্যবহার পদ্ধতি : Window > New Window > নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট/ ফাইল এ কিক করে কাজটি করা যায়।
     --> Arrange All:  এমএস ওয়ার্ডে একসাথে একাধিক বা যতগুলো ডকুমেন্ট ওপেন থাকবে তা একসাথে দেখা যাবে।
     ---> ব্যবহার পদ্ধতি : Window > Arrange All এ কিক করে কাজটি করা যায়।
    -->  Split : এমএস ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট পেজ কে দুই ভাগে ভাগ করা।
 ব্যবহার পদ্ধতি : Window > Split  এ কিক করে মাউসের পয়েন্টার যেখানে কিক করা হবে পেজটি সেখান থেকে বিভক্ত হয়ে যাবে।
--> Remove Split : এমএস ওয়ার্ডে ডকুমেন্ট পেজ কে দুই ভাগে ভাগ করা পদ্ধতি অর্থাৎ Split  উঠিয়ে দেয়া।
     ব্যবহার পদ্ধতি : Window > Remove Split  এ কিক করে কাজটি সহজে করা যাবে।

স্টান্ডার্ড টুলবার:

মেনুবারের নীচে বিভিন্ন প্রতীক সম্বলিত বারকে স্টান্ডার্ড টুলবার বলে। প্রতিটি প্রতীক বা আইকনকে এক একটি টুল বলা হয়। মেনু সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় কমান্ড না দিয়ে সরাসরি টুলবারের আইকন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদন করা যায়। এতে সময়ও কম লাগে।

 টেক্স ফর্মেটিং টুলবার:

টুলবারের নীচের সারিতে বিদ্যমান বারটিই  টেক্স ফর্মেটিং টুলবার। এতে বিদ্যমান অপশনগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ব্যবহার করে ফন্ট পরিবর্তন, ফন্ট ছোট বড় করা, বোল্ড করা, আন্ডার লাইন করা, ইটালিক, এলাইনমেন্ট নির্ধরণ করা সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।

রুলার:

ফর্মেটিং টুলবারের নীচে স্কেল এর ন্যায় বারকে রুলার বলে। রুলার বিভিন্ন পরিমাপের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে।

স্ট্যাটাস বার :

পর্দার একেবারে নীচে Page-1, see, At  ইত্যাদি লেখা বারকে স্ট্যাটাস বার বলে। Page-১ দ্বারা কার্সর ১ নং পাতায় আছে বোঝাচ্ছে।
 ড্রইং বার
স্ট্যাটাস বার এর উপরে Draw, Autoshapes  ইত্যাদি লেখা সহ বেশ কিছু সংখ্যক আইকন সম্বলিত বারকে ড্রইং বার বলে। বিভিন্ন ড্রইং এর কাজ সহজ করতে এই বারের প্রয়োজনীয় আইকন ব্যবহার করা হয়।

স্ক্রল বার

পর্দার নীচে ডানে ও বামে  এবং পর্দার ডান পাশে উপরে ও নীচে ছোট তীর চিহ্নিত মধ্যবর্তী বারকে স্ক্রল বার বলে। এর সাহায্যে লেখার সীট বা চলতি প্রোগ্রামকে ঊপরে- নীচে ও ডানে- বামে সরানো যায়।

মাউস পয়েন্টার

কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত অনেকটা ইঁদুরের মত দেখতে ডিভাইসটির নাম মাউস। কম্পিউটার ওপেন করলেই পর্দার উপর একটি এ্যরো বা তীর চিহ্নিত  দেখা যায়। মাউস নাড়ালে তীর চিহ্ন নড়া চড়া করে। কম্পিউটারের ভাষায় এই এ্যারো বা তীর চিহ্ন কে মাউসের পয়েন্টার বলা হয়। একে ব্যবহার করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড করা হয়। মাউসের পয়েন্টার সব সময় এ্যারো চিহ্নের মত দেখায় না কার্যেক্ষেত্রে ইহা বিভিন্ন আকৃতি ধারন করে।

ক্লিক করা

মাউসের বাম অথবা ডান পাশের বোতাম চেপে কমান্ড করাকে কিক করা বলে। একবার চাপলে সিঙ্গেল কিক, দুইবার চাপলে ডবল কিক বলে।

ড্রাগ করা

ড্রাগ করা অর্থ হলো কিক করে মাউসের বোতাম চেপে রেখে উপরে – নীচে, ডানে-বামে বা প্রয়োজন মত স্থানে ছেড়ে দেওযাকে ড্রাগ করা বা মুভ করা বলে।

কন্ট্রোল বক্স

টাইটেল বারের বাম পাশে W চিহ্নিত আইকন বা চিত্রকে কন্ট্রোল বক্স বলে। সরাসরি এটার উপর কিক করে বা Alt+Spacebar  চাপলে একটি মেনু ওপেন হয়। এ মেনুকে কন্ট্রোল মেনু বলে। এ মেনুস্থ বিভিন্ন অপশনসমূহ নির্বাচন করে পর্দায় উইন্ডো প্রদর্শন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন ঃ
Restore : নির্বাচন করলে ইতিপূর্বে কোন পরিবর্তন করে থাকলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।
Move :  নির্বাচন করে  F1 কী চেপে মাউস পয়েন্টার মুভ করায়ে উইন্ডো স্থানাস্তর করা যায়।
Size : নির্বাচন করে উইন্ডোর বর্ডার লাইনের মাঝে মাউস পয়েন্টার নিয়ে চেপে ধরে বাড়িয়ে বা কমিয়ে বক্সে একবার কিক করলে কন্ট্রোল মেনু ওপেন হবে কিন্তু ডবল কিক করলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।
Control Toolbox   (কন্ট্রোল টুল বক্স)
মেনু বারের View মেনুস্থ Toolbars এর মধ্যে প্রবেশ করে Control Toolbox এ টিক দিয়ে ওকে  করলে পর্দার বামপাশে একটি বক্স চলে আসবে কম্পিউটারের ভাষায় এটাকে Control Toolbox বলে।
ব্যবহার পদ্ধতি : Menu Bar > View > Toolbars > Control Toolbox > Ok
Dialog Box :
উইন্ডোজে বিভিন্ন মেনুস্থ অপশন সিলেক্ট করলে পর্দায় বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত একটি বক্স প্রদর্শিত হয়, কম্পিউটারের ভাষায় উহাই ডায়ালগ বক্স নামে পরিচিত। কোন কাজের জন্য উইন্ডোজে বাড়তি কোন তথ্যের প্রয়োজন হলে ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ডায়ালগ বক্সে বিভিন্ন অপশনে মাউস পয়েন্টার নিয়ে কিক করে অথবা ট্যাব কী চেপে কোন অপশনে গিয়ে এন্টার কী চাপলে অপশনটি কার্যকর হয়। কোন অপশনের নামের কোন অর আন্ডার লাইন করা থাকলে Alt কী চেপে ধরে এ অরটি চাপলে অপশনটি কার্যকর হবে।

Tuesday, August 9, 2016

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড টিপস, এমএস ওয়ার্ড ট্রিক্স - MS Word

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word) ডকুমেন্ট প্রোসেসিং এর জন্য একটি দুর্দান্ত আপ্লিকেশন। Microsoft corporation এটি ১৯৮৩ সালে ২৫ শে অক্টবর প্রথম রিলিজ করেন। এই পোষ্টে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড নিয়ে কিছু টিপস শেয়ার করা হল। একটি কথা সর্বপ্রথম বলতে চাই সেটি হল- আমরা কম্পিউটারে এমএস ওয়ার্ডের (MS Word) যে সফটওয়্যার ব্যবহার করি তা আমেরিকার ব্যাকরণ অনুযায়ী। সেজন্য অনেক সময় আমাদের কিছু বানান ভুল থাকতে পারে। সে সব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। [Excel এর অত্যন্ত খুব দরকারি ১০ টি মেথড ]
বানানগত ভুল যেভাবে বুঝবেন
এমএস ওয়ার্ডে (Microsoft Word) এ অনেক সময় দেখা যায় শব্দের বা লাইনের নিচে লাল লাল দাগ দেখা যায়। এই লাল দাগটির একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। সেটি হলো- বানানগত ভুল (Spelling error)।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড টিপস, এমএস ওয়ার্ড ট্রিক্স
ব্যকরণ ভুল সমাধান-
শব্দ বা বাক্যের মধ্যে মাঝে মাঝে সবুজ দাগ দেখা যায়, এরকম সবুজ দাগ থাকলে বুঝতে হবে লাইনটির মধ্যে ব্যাকরণ জনিত ভুল আছে। বানান ভুল ও ব্যাকরণ জনিত সমস্যা সমাধানের জন্য নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করবো।
বানান ভুল ও ব্যকরণ গতভুলের সমস্যার সমাধান-
যে শব্দ বা লাইনের নিচে লাল বা সবুজ দাগ আছে সে দাগের উপর গিয়ে মাউসের ডান পাশের বাটনটিতে ক্লিক করলে একটি চার্ট আসবে। উক্ত চার্টে ঐ শব্দটির কিছু সঠিক শব্দ (Similar Word) দেখা যাবে (সঠিক শব্দটি নির্বাচন করুন) অন্যভাবে করতে হলে F7প্রেস করুন। তাহলে Spelling and Grammar English (us-) নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে Not in dictionary বক্সে যে শব্দটি বা লাইনটি ভুল তা লাল বা সবুজ হয়ে থাকবে এবং নিচের Suggestion বক্সে শুদ্ধ শব্দটি বা লাইনটি দেয়া থাকবে। এবার পরিবর্তন করতে চাইলে Change এ ক্লিক করুন (একটি শব্দ বা এক লাইনের ক্ষেত্রে) অথবা Change all এ ক্লিক করুন (ডকুমেন্টের সব শব্দ বা লাইনের ক্ষেত্রে)। যদি পরিবর্তন করতে না চান তবে Ignore all এ ক্লিক করুন। সবকিছু করার পর close বাটনে ক্লিক করুন।
বারবার কপি পেস্ট থেকে মুক্তি
কম্পিউটারের সাথে টাইপ মেশিন বা হাতে লেখার পার্থক্য এখানেই। কম্পিউটারে একই রকম কোন লেখা বার বার লিখতে হলে সেই লেখাটি Copyকরে Past করা হয় কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন লেখা বিভিন্ন স্থানে বার বার লেখার ক্ষেত্রে Copy করে Paste করা ঝামেলার ব্যাপার। তবে Macro দ্বারা এ ঝামেলা থেকে মুক্ত পাওয়া যায় অর্থাৎ বার বার Copy করে Paste করার চেয়ে Macro (ম্যাক্রো) তৈরি করে তা ব্যবহার করলেই সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয়।  
এটিও পড়ুন - কমপিউটার কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট ব্যবহার - All PC Shortcut Keys
Macro তৈরি করার পদ্ধতি
Macro তৈরি করতে হলে প্রথমে Tools (Views মেনু থেকে Windows 7 এর ক্ষেত্রে ) মেনুর সাবমেনু Macro এর Record New Macro ক্লিক করার সাথে সাথে Record Macro নামে ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Macro Name বক্সে নাম লিখতে হবে। এরপর Assing macro to বক্সে ক্লিক করার Coustomize Keyboard নামে আরেকটি ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগ বক্সের Press new shortcut key বক্সেShortcut key (Ctrl+I বা অন্য কোন কী) টাইপ করে ok ক্লিক করুন। এখন খালি পৃষ্ঠায় বা কারসর যেখানে আছে সেখান থেকে লেখা শুরু করতে হবে। লেখা শেষ হলে Tools মেনুর (Views মেনু থেকে Windows 7 এর ক্ষেত্রে ) সাবমেনু Macro এর Stop Recording এ ক্লিক করলে Macro তৈরির কাজ সমাপ্ত হবে। আর তৈরিকৃত Macro ব্যবহার করতে চাইলে যথাস্থানে সেই Shortcut key (Ctrl+I বা অন্য কোন কী) চাপুন অথবা Tools মেনুর (Views মেনু থেকে Windows 7 এর ক্ষেত্রে ) সাবমেনু এর Macro এ বা Alt+ F8 ক্লিক করার সাথে সাথে Macro এর ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগ বক্সের Record macro টি যুক্ত হবে।
টেবিল বা ছক তৈরি
নতুন করে ছক তৈরি করার জন্য বা তৈরিকৃত ছকের আশেপাশে আরো ছক যুক্ত করার জন্য Table মেনুর সাবমেনু Insert ( Insert মেনু থেকে Windows 7 এর ক্ষেত্রে ) এ গিয়ে Table এ ক্লিক করুন। তাহলে Insert Table নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Table size থেকে Number of column এ মোট কতটি কলাম এবং Number of rows এ মোট কতটি রো হবে তা লিখে দিতে হবে। এবং ok তে ক্লিক করুন।
টেবিলে রো ও কলাম যুক্ত
টেবিলে নতুন কলাম ও রো যুক্ত করতে Table (Design মেনু থেকে Windows 7 এর ক্ষেত্রে) যেতে হবে । এই মেনুর সাবমেনু Insert এ গিয়ে Columns to the left ( বামে কলাম যুক্ত করার জন্ য), Columns to the Right (ডামে কলাম যুক্ত করার জন্য), Rows above (উপরে রো যুক্ত করার জন্য), Rows Below (নিচে রো যুক্ত করার জন্য) এ ক্লিক করুন।
টেবিল / কলাম / রো ডিলিট 
টেবিলের মধ্যে কোন কিছু মুছার ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ছকের ভেতরের কোন কিছু বা সম্পূর্ণ ছক সিলেক্ট করে Delete কী প্রেস করলে শুধুমাত্র লেখা মুছে যাবে কিন্তু ছক মুছবে না। ছকের কোন কলাম, রো ইত্যাদি মুছতে হলে যেতে হবে Table মেনুর সাবমেনু Delete এ। এবার আরেকটি মেনু আসবে। এখান থেকেTable Columns Rows Cells ইত্যাদির যেকোন একটি মুছতে চাইলে তাতে ক্লিক করা মাত্রই তা মুছে যাবে।
ছক সিলেক্ট করাও একটু অন্যরকম। ছকের বামে একেবারে উপরের দিকে ছোট বক্সের মধ্যে একটি যোগ চিহ্ন থাকে। এই চিহ্নতে ক্লিক করলে সম্পূর্ণ ছক সিলেক্ট হবে। আর যদি আলাদা আলাদাভাবে সিলেক্ট করতে চান তবে তা মাউস দ্বারা বা Table মেনুর সাবমেনু Seclet এ গিয়ে Table Columns Rows ইত্যাদির যেকোন একটিতে ক্লিক করুন। তাহলেই তা সিলেক্ট হবে।

সেল জোরা লাগানো (Merge cells)

ছকের মধ্যে অনেকগুলো Columns এবং Rows থাকে। অনেক সময় কাজের জন্য ছকের দুই বা দুইয়ের অধিক Columnsএবং Rows কে একটিতে পরিণত করতে হয়। তখন যতটি Columns এবং Rows কে একটিতে পরিণত করতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পর Table মেনুর সাবমেনু Merge cells এ ক্লিক করলে ছকের মধ্যে যে দাগগুলো ছিল তা মুছে যাবে এবং তা একটি বক্সে পরিণত হবে।

সেলকে ভাগ করা ( Split cells)

আবার অনেকসময় একটি Columnsবা Rows কে অনেকগুলো Columns বা Rows তে পরিণত করতে হলে প্রথমে সেই Columns বা Rows টি সিলেক্ট করুন। সিলেক্ট করে Table মেনুর সাবমেনু Split cells এ ক্লিক করলে Split cells নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Number of column এ কতটি কলাম এবং Number of rows এ কতটি রো হবে তা লিখে দিয়েok তে ক্লিক করুন।

টেবিল ভাগ করা Split Table

অনেক সময় আবার কোন একটি ছককে দুইভাগে ভাগ করতে হয়। তখন ছকের যেই স্থানে ভাগ করবেন সেই স্থানে কারসর রেখে Table মেনুতে গিয়ে Split Table এ ক্লিক করলে ছকটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে।

Table Auto format

ছককে অনেকভাবে সুন্দর করে সাজানোর জন্য রয়েছে Table মেনুর সাবমেনু Table Auto format . এতে ক্লিক করলে Table Auto format নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Category থেকে যেকোন একটিতে ক্লিক করার পর Table stylesএ অনেকগুলো ছকের নামসহ Preview তে নমুনা প্রদর্শিত হবে। এবার এখান থেকে যেকোন একটি ছক বেছে নিয়ে Apply special Formats to থেকে সবগুলো বা আলাদা আলাদাভাবে কয়েকটিতে ক্লিক করতে পারেন। এবার ok তে ক্লিক করুন।
যদি নিজে নতুন কোন ছক তৈরি করতে চান তবে New ক্লিক করুন। এবার আরো সুন্দর করে নিজে তৈরি করুন নিজের পছন্দমত সবচেয়ে সুন্দর ছকটি। আর যদি কোন ছক পছন্দ না হয় তবে সেই নামটি সিলেক্ট করে Delete ক্লিক করুন। আর Modifyএ ক্লিক করে তৈরিকৃত ছকও পরিবর্তন করতে পারবেন।
সবকিছু করার পর Applyএ ক্লিক করলে Insert Table নামে আগের সেই ডায়ালগ বক্সটি আসবে। পূর্বের মতই সবকিছুতে ক্লিক করার পর okতে ক্লিক করুন।
লেখা থেকে টেবিল/ টেবিল থেকে লেখা তে পরিবর্তন  Convert (Text to table & table to tex)
পৃষ্ঠায় কিছু লেখার পর সেই লেখার চারদিকে যদি দাগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকে অর্থাৎ ছকের ভেতর যদি লেখাগুলো স্থাপন করতে হয় তবে table মেনুর সাবমেনু Convert এ গিয়ে Text to table এ ক্লিক করুন। তাহলে Convert Text to table নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Number of Column থেকে কয়টি Column হবে তা লিখে দিন এবং Number of Rows থেকে কয়টি Rowsহবে তা লিখে অন্যান্য সব কিছু করে ok তে ক্লিক করুন। আর সঙ্গে সঙ্গে লেখাটিও ছকের মধ্যে ঢুকে যাবে।
আবার লেখাকে যদি ছকমুক্ত করতে চান তবে সেই ছকগুলো সিলেক্ট করুন। এরপর table মেনুর সাবমেনু Convert এ গিয়ে table to text এ ক্লিক করুন। তাহলে Convert table to text নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Separate text with থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন একটিতে ক্লিক করে ok তে ক্লিক করুন। তবেই লেখাটি ছকমুক্ত হবে।

তথ্য সাজানো ( Sort)

ছকের মধ্যে অনেকসময় তথ্যগুলো অগোছালো থাকে। এসব তথ্য অক্ষর, নম্বর বা তারিখ অনুযায়ী সাজিয়ে রাখতে হয়ে প্রথমে তথ্যগুলো সিলেক্ট করে Table মেনুর সাবমেনু Sort এ ক্লিক করলে নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Type থেকে অক্ষর, নম্বর বা তারিখ যা হবে তাতে ক্লিক করে ok তে ক্লিক করুন। তাহলেই সবকিছু ক্রমান্বয়ে সজ্জিত হয়ে যাবে।

সুত্র ( Formula)

ছকের ভেতর অনেক হিসাব-নিকাশ করা যায়। সব সংখ্যা লেখার পর ছকের শেষ ঘরে কারসর রাখুন। এবার Type মেনুর সাবমেনু Formula ক্লিক করুন। তাহলে Formula নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Formula বক্সে লিখে দিন যা করতে হবে অথবা Past Function থেকে বেছে নিন এবং Number Format থেকে যেকোন একটি স্টাইল বেছে নিন। এবার ok তে ক্লিক করুন।

Arrange all (ইচ্ছে মতো ফাইলে কাজ করা)

MS Word এ অনেক সময় একই সাথে অনেকগুলো File খোলা রাখতে হয় কিন্তু সবগুলো File একই সাথে দেখা সম্ভব নয়। কারণ মনিটরের পর্দা বেশি বড় নয়। তবে শুধু দু’টি File একই সাথে মনিটরের পর্দায় এনে কাজ করলে কাজের এবং দেখার উভয় ক্ষেত্রেই সুবিধা হয়। এবার কাজ করবেন এমন দু’টি File open করুন। এখন Windows মেনুর সাবমেনু Arrange All ক্লিক করলে দেখা যাবে মনিটরের পর্দা সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। এবার File দু’টির যেকোন একটি Document মাউস দিয়ে ক্লিক করে কাজ করতে পারেন।

Split (ডকুমেন্ট কে ভেঙ্গে দেখা)

অনেক সময় Document এর উপরের অংশ দেখে নিচের অংশে কাজ করতে হয় বা নিচের অংশ দেখে উপরের অংশে কাজ করতে হয়। সেজন্য Scroll bar ব্যবহার করে একবার উপরে এবং একবার নিচে এভাবে বার বার উঠানামা করতে হয়। যদি উঠানামা না করে উপরের বা নিচের অংশ Windows অর্ধেক অর্ধেক করে দেখতে চান তাহলে Windows মেনুর সাবমেনু Split এ ক্লিক করুন। সাথে সাথে পৃষ্ঠার উপর একটি লম্বা দাগ আসবে। এবার মাউস দিয়ে যে স্থানে ভাগ করতে চান সেখানে বা পৃষ্ঠার মাঝামাঝি স্থানে ক্লিক করুন। তাহলেই পৃষ্ঠাটি দুই ভাগ হয়ে যাবে এবং সুবিধামত কাজ করা যাবে। আবার যদি কাজ শেষ হয়ে যায় তবে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসার জন্য Windowsমেনুর সাবমেনু Remove split এ ক্লিক করুন। এখন দেখা যাবে যে দাগটি পৃষ্ঠাকে দুই ভাগ করেছিল সে দাগটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।

Monday, September 21, 2015

ভিজুয়াল বেসিক টিউটোরিয়াল ( A to Z ) VB Bangla Tutorial

ভিজুয়াল বেসিক ( ইরেজি Visual Basic সংক্ষেপে ভিবি বা VB) একটি তৃতীয় প্রজন্মের ঘটনা চালিত  চিত্র ভিত্তীক প্রোগ্রামিং লাঙ্গুয়েজ এবং আমেরিকার মাইক্রোসফটের "কম" বা কম্পোনেন্ট অবজেক্ট মডেল (COM -Component Object Model) এর আইডিই (IDE - integrated development environment)।  এই ভাষা উইন্ডোজ চালিকা পরিবেশের (Windows operating System) জন্য তৈরী করা হয়েছে। এটি নবীন্ প্রোগ্রামারদের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। খুব দ্রূত চিত্র ভিত্তীক প্রোগ্রামিং করার জন্য ভিজুয়াল বেসিক তুলনাহীন।  মাইক্রোসফট ভিসুয়াল বেসিক ১৯৯১ সালের ২০ ই মার্চ সব'প্রথম বাজারে আসে। বতমানে এই ভাষার ২০০৫ সংস্করন বাজারে পাওয়া যায়।
ভিজুয়াল বেসিক টিউটোরিয়াল

তবে চলুন শুরু করি আমাদের সবার পছন্দের প্রগ্রামিং লাঙ্গুয়েজ, VB তে কাজ করার জন্য যে বিষয়গুলো আমাদের খুবই জানা দরকার তা নিম্নে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করা হল -
Project: 
কোন উদ্দেশ্য সম্পাদনের জন্য ভিজুয়্যাল বেসিক লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে প্রজেক্ট (Project) বলা হয়। একটি প্রজেক্ট এ কয়েকটি ফর্ম, ফর্মের কোড এবং মডিউল থাকতে পারে।
ভিজুয়াল বেসিক, ভিজুয়াল বেসিক tiutorial

Module ( মডিউল): 

 প্রোগ্রাম একটি বিরাট ব্যাপার। একটি প্রোগ্রামকে কয়েকটি অংশে বিভক্ত করলে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ তৈরি হয় তার প্রত্যেকটি অংশকে এক একটি মডিউল বলে। সংক্ষেপে বলা যায়, কয়েকটি মডিউলের সমষ্টিই হচ্ছে একটি পূর্ণঙ্গ প্রোগ্রাম। ভিজুয়্যাল বেসিকে মডিউল কোড সংক্ষিপ্ত হয়।




Form ( ফর্ম ): 
ফর্ম হচ্ছে Visual Basic এর প্রজেক্টের অধীনে একটি Window যেখানে কন্ট্রোল স্থাপন করে, প্রপার্টিজ সেট করে, কোড লিখে প্রজেক্ট তৈরি করা হয়। ফর্মটি একটি অবজেক্ট হিসাবে কাজ করে। একটি প্রজেক্ট একাধিক ফর্ম সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে।
ভিজুয়াল বেসিক টিউটোরিয়াল

Object ( অবজেট ): 

অন্যান্য প্রোগ্রামে অনেক কোড লিখে যে কাজ সম্পাদন করা যায়, ভিজুয়্যাল বেসিকের কন্ট্রোল ব্যবহার করে অতি সহজে তা করা যায়। প্রয়োজনীয় কন্ট্রোলটি ফর্মে জুড়ে দিলে তার জন্য প্রয়োজনীয় কোড লেখা হয়ে যায়। কোন কার্ সম্পন্ন করার জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন কন্ট্রোল, ফর্ম ইত্যাদিকে অবজেক্ট বলা হয়।


Control ( কন্ট্রোল ) : 

 কোন প্রজেক্ট তৈরি করতে হলে ফর্মের উপর Text-box, Button, Label ইত্যাদি তৈরি করতে হয়। কিন্তু Visual Basic তে এগুলো তৈরি করতে কোন কোড লিখতে হয় না। যার সাহায্যে সরাসরি এইগুলো তৈরি করা যায়, উহাকে Toolbox বলে। বিভিন্ন Tool ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজ সমাধা করা যায়।
ভিজুয়াল বেসিক টিউটোরিয়াল
এদের প্রত্যেককে কন্ট্রোল বলে। যেমনঃ টেক্সটবক্স তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় Text-box, Control কমান্ড বাটন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় Command Button control ইত্যাদি।

View মেনুর Toolbox কমান্ডে ক্লিক করলে পর্দায় বিভিন্ন কন্ট্রোল বাটন সমৃদ্ধ Toolbox দেখা যাবে।



Event ( ইভেন্ট ) : 

Computer চালনা করে আমরা যাবতীয় কাজ মাউস দিয়ে ক্লিক করে বা কীবোর্ডের কোন কী চেপে সম্পন্ন করি অর্থা কমান্ড বাটনে ক্লিক করে কোন কাজ করি।এই করাটা একটি ইভেন্ট। অনুরূপভাবে Key-press একটি ইভেন্ট ইত্যাদি।

Visual Basic বিভিন্ন ইভেন্ট এর অধীনে কোর্ড লিখলে প্রোগ্রাম রান করিয়ে এ ইভেন্ট ঘটালে কোড নিরবাহ হয়ে কোন কাজ হয়।


Method ( মেথড ):  

অবজেক্টের ক্রিয়াই হলো মেথড। Application এ বিভিন্ন অবজেক্টসমূহের ইভেন্ট নির্ধারণের পর উক্ত অবজেক্টসমূহ কি ধরনের কাজ করবে তার জন্য প্রয়োজনীয় কোড লিখতে হয়। ভিজুয়্যাল বেসিকে উক্ত কোড সমূহকে মেথড নাম অভিহিত করা হয়ে থাকে। এক একটি মেথড উহার কাজের দিক অনুযায়ী বিভিন্ন অবজেক্টের সাথ ব্যবহার করা যায়। যেমন:- Cls, Hide, Print.


ধরা যাক, ফর্ম এবং পিকচার বক্র দু’টি অবজেক্টের নাম হল Form1 এবং Picture1 এখানে Cls, Hide এবং Print এ তিনটি মেথডের ব্যবহার দেখানো হলঃ-
ভিজুয়াল বেসিক টিউটোরিয়াল

Form1.Cls- ফর্মটি ক্লিয়ার করবে।

Picture1.Cls- পিকচারটি ক্লিয়ার করবে।

Pciture1.Print time- পিচার বক্সে সময প্রিন্ট করবে।

Form1.hide- ফর্মটি লুকাবে।


Statement ( স্টেটমেন্ট ) :  

স্টেটমেন্ট হলো একটি সম্পূর্ণ কোড লাইন। 

যেমনঃ 

 Private Sub Command1_Click() 

 হলো একটি স্টেটমেন্ট যা সম্পূর্ণ এক লাইন কোড।

ভিজুয়াল বেসিক টিউটোরিয়াল

কম্পিউটার জনিত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে প্লিস কমেন্ট করতে ভুলবেন না। পরের পোষ্টে ভিজুয়াল বেসিক নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, ততক্ষণে আমাদের সঙ্গে থাকুন ধন্যবাদ।

Tuesday, August 25, 2015

HTML বাংলা টিউটোরিয়াল শুরু থেকে শেষ

 HTML কি? ( HTML বাংলা টিউটোরিয়ালঃ পর্ব-১ )

HTML (Hyper Text Mark Up Language) একটা কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ, যা পৃথিবীর বিশাল তথ্য-ভান্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। একটা ওয়েব পেজের মূল গঠন তৈরি হয় HTML দিয়ে। HTML কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, একে Hyper Text Mark Up Language বলা হয়। Mark Up Language এক সেট Mark Up ট্যাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়। একটা ওয়েব পেজের বিভিন্ন অংশ ব্রাউজারের মাধ্যমে কিভাবে প্রদর্শিত হবে, তা HTML এ Mark Up ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয় ।
HTML বাংলা টিউটোরিয়াল

এটিও পড়ুন - Microsoft Power Point কি? জেনে নিন পাওয়ার পয়েন্টের অজানা কিছু তথ্য

HTML এর ইতিহাস


HTML বা Hyper Text Mark Up Language তৈরি করেছেন টিম বার্নাস-লী। এখানে এইচটিএমএল এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হবে।
 HTML বা Hyper Text Mark Up Language তৈরি করেছেন টিম বার্নাস-লী। HTML তৈরির উদ্দেশ্য ছিল বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য উপাত্ত দ্রুত পৃথিবীর বিভ্ন্নি স্থানে আদান প্রদানের ব্যবস্থা করা। ১৯৯০ সালের দিকে NCSA কর্তৃক ডেভলপকৃত মোজাইক ব্রাউজারের মাধ্যমে HTML পরিচিতি লাভ করে। ১৯৯৭ এর জানুয়ারীতে WC3 কর্তৃক প্রথম ডেভলপকৃত HTML3.2 প্রকাশিত হয়। একই বছরে শেষে ডিসেম্বরে WC3 HTML এর নতুন সংস্করণ HTML4.2 প্রকাশ করে। ২০১০ সালে বর্তমানে প্রচলিত HTML এর সর্বশেষ ভার্সন HTML5 জনসম্মূখে পরিচিতি লাভ করে।
এটিও পড়ুন - PHP ও MySQL বাংলা টিউটোরিয়াল - স্টেপ বাই স্টেপ

প্রোগ্রাম লেখার পদ্ধতি

 যে কোন প্রোগ্রাম লেখার জন্যই কোন একটা এডিটর ব্যবহার করে কোডিং করতে হয়।এখানে এইচটিএমএল এ প্রোগ্রাম লেখার সাধারন পদ্ধতি, একটি প্রাথমিক প্রোজেক্ট এবং সাধারন ট্যাগসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
যে কোন প্রোগ্রাম লেখার জন্যই কোন একটা এডিটর ব্যবহার করে কোডিং করতে হয়। HTML এ প্রোগ্রাম লেখার জন্য প্রাথমিকভাবে এডিটর হিসেবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ডিফল্ট এডিটর notepad ব্যবহার করা যেতে পারে এবং বাড়তি সুবিধা পাবার জন্য এডভান্স এডিটর হিসেবে Dreamweaver এবং Notepad++ ব্যবহার করা ভাল। HTML এ লেখা প্রোগ্রাম .html এক্সটেনশন যেমন index.html দ্বারা Save করে যেকোন ব্রাউজার যেমন Internet explorer, Mozilla Firefox , Google chrome এবং Opera দ্বারা দেখা যাবে।

HTML এ লেখা প্রোগ্রামের মৌলিক অংশ সমূহ

<html>
<head>
<title> www.tutohost.com</title>
</head>
<body>
This is my first web page. I am learning now HTML.
</body>
</html>
 একটা নোটপ্যাড open করে উপরের code টুকু লিখে file মেনু থেকে Save as এ ক্লিক করে File name: index.html , Save as type : All files, দিয়ে save করে index.html ফাইলটি Mozilla Firefox দিয়ে open করলে নিচে প্রদর্শিত ছবির মত দেখাবে।

 HTML এ লেখা প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশ বিশ্লেষণ

প্রোগ্রামের মধ্যে <> এবং < /> দুইটা চিহ্ন এবং এর মধ্যে কিছু Word যেমন html, head, title, body এগুলোকে Keyword বলে এবং <> বা < /> চিহ্ন এবং এর মাঝে লেখা একটি Keyword কে ট্যাগ বলা হয়। যেমন <head> অর্থ head ট্যাগ। HTML এ দুই ধরনের ট্যাগ রয়েছে , <> চিহ্ন ও keyword নিযে গঠিত ট্যাগকে শুরু ট্যাগ এবং < /> চিহ্ন ও keyword নিযে গঠিত ট্যাগকে শেষ ট্যাগ বলে যেমন < title> অর্থ title শুরু ট্যাগ এবং <title /> অর্থ title শেষ ট্যাগ। [যেকোন সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী বের করুন Universal Keygen Generator দিয়ে !! লেটেস্ট 2015]

<html> বা html ট্যাগ:

HTML এ প্রোগ্রাম লেখার জন্য সমস্ত code কে <html> </html> এর মাঝে লেখা হয়।

<head> বা head ট্যাগ:

<head></head> এর ভেতরে <title> </title> ট্যাগ লেখা হয় যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের title বা শিরোনাম প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। এই code এ title হিসেবে www.tutohost.com লেখা হয়েছে যা ব্রাউজারের title bar এ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া css এর stylesheet কে head ট্যাগের মধ্যেই call করা হয়।

<body> বা body ট্যাগ:
<body> বা body ট্যাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি ওয়েব সাইটের মূল Content সমূহ Body ট্যাগের মধ্যে অবস্থান করে । <body></body> ট্যগের মধ্যেই বিভিন্ন Text , Image, Table ইত্যাদি ফরমেটিং এর জন্য বিভিন্ন ট্যাগ সমূহ লেখা হয় । এই code এ <body></body> ট্যগের মধ্যে  This is my first web page. I am learning now HTML. লেখা হয়েছে যা ব্রাউজারের মূল অংশে প্রদর্শিত হচ্ছে।


HTML ট্যাগ কি?

 HTML এ প্রোগ্রাম লেখার জন্য  <>  এবং </> দুইটা চিহ্ন এবং এর মধ্যে কিছু Word যেমন html, head, title, body  ইত্যাদি  Keyword  ব্যবহার করা হয়। <> বা </> চিহ্ন এবং এর মাঝে লেখা একটি Keyword কে একত্রে ট্যাগ বলা হয়। যেমন <html>  এবং </html> । <body> হল body শুরু ট্যাগ এবং </ body> হল body শেষ ট্যাগ।

HTML এর সাধারন ট্যাগ সমূহ

ট্যাগ সমূহ
বর্ণনা
<html> </html>
HTML ডকুমেন্ট নির্দেশ করে।
<head></head>
প্রোগ্রামের head  অংশ নির্দেশ করে ।
<title></title>
ডকুমেন্ট টাইটেল নির্দেশ করে।
<body></body>
প্রোগ্রামের মূল content অংশ নির্দেশ করে।
<a></a>         
Anchor ট্যাগ।
<abbr></abbr>         
Abbreviation ট্যাগ।
<b></b>
Bold টেক্সট নির্দেশ করে।
<i></i>
Italic টেক্সট নির্দেশ করে।
<big></big>
স্বাভাবিকের চেয়ে বড় টেক্সট নির্দেশ করে।
<small></small>
স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট টেক্সট নির্দেশ করে।
<blockquote> </blockquote>
বিশেষ উদ্ধৃতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
<br / >
একটা লাইন ব্রেক তৈরি করে ।
<code></code>
কম্পিউটার কোড টেক্সট প্রকাশ করে।
<table></table>
টেবিল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<col></col>
টেবিলের কলাম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<td></td>
টেবিলের সেল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<tr></tr>
টেবিলের সারি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<form></form>
ফরম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<h1></h1>
হেডার ট্যাগ 1-6 পর্যন্ত হয়।
<hr/>
সমান্তরাল রেখা তৈরি করে।
<img/>
ছবি যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
<input></input>
ফরমের ইনপুট ফিল্ড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<li></li>
লিষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<meta></meta>
Meta ট্যাগ
<ol></ol>
অর্ডার লিষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<ul></ul>
আনঅর্ডার লিষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<p></p>
প্যারাগ্রাফ নির্দেশ করে
<pre></pre>
pre-formatted টেক্সট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
<tt></tt>
টেলিটাইপ টেক্সট নির্দেশ করে।
<strong></strong>
Strong টেক্সট নির্দেশ করে।
<sub></sub>
subscripted text নির্দেশ করে।
<sup></sup>
superscripted text নির্দেশ করে।

 HTML ইলিমেন্ট


HTML এ যেকোন শুরু ও শেষ ট্যাগ এবং মাঝের অংশকে ইলিমেন্ট বলা হয়। যেমন <h1> This is an example of element.</h1> । এখানে <h1> হেডার1 শুরু এবং </h1> হেডার1 শেষ ট্যাগের মাঝে This is an example of element. লেখা হয়েছে, তাই <h1> This is an example of element.</h1> একটি ইলিমেন্ট। কিছু কিছু ট্যাগের কোন ইলিমেন্ট থাকে না যেমন <br /> ,<img /> ইত্যাদি।


শরু ট্যাগ
ইলিমেন্ট কনটেন্ট
শেষ ট্যাগ
<h1>
This is an element.
</h1>
<p>
This is paragraph.
</p>
<br />
<img />

সাধারণতঃ যে সকল ট্যাগের শেষ ট্যাগ থাকে না তাদের ইলিমেন্টও থাকে না। এ ধরণের শুরু ট্যাগের মধ্যেই / চিহ্নটি অন্তর্ভূক্ত থাকে, এবং এর আগে একটা স্পেস দিতে হয়।

HTML এট্রিবিউটস্


HTML এ এট্রিবিউটস ইলিমেন্ট এর আনুসাঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করে । মূলত HTML এ ট্যাগের কার্যক্ষমতাকে বর্ধিত করার জন্য এট্রিবিউটস ব্যবহার করা হয়। যেমন <font size="5" face="Tahoma" color="red"> This is a paragraph.</font>  এখানে size="5"  অংশটি হল font ট্যাগের একটি এট্রিবিউট, যা প্রকাশ করছে ইলিমেন্ট অর্থাৎ This is a paragraph. লেখাটির সাইজ কেমন হবে। এছাড়া face="Tahoma"  প্রকাশ করছে লেখাটির font হবে Tahoma এবং color="red" দ্বারা প্রকাশ করছে লেখাটির রং হবে লাল।

কিছু  HTML এট্রিবিউটস্   

ট্যাগ
এট্রিবিউটস্   
<font>
size="5" face="Tahoma" color="red"
<h1>….<h6> <p>
align="center" align="left" align="right" title="Bangladesh"
<body>
bgcolor="green" background="../images/ele.png"
<div>
id="book" class="pen" align="center"
<img> <table>
height="100px" width="50px"  border="5px"
<input />
type="text" name="TextField"

HTMLপ্রোগ্রামের উদাহরণ

<html>
<head>
<title> www.tutohost.com</title>
</head>
<body bgcolor=" green">
<font size="5" face="Tahoma" color="red">
This is a paragraph.
</font>
</body>
</html>


 একটা  নোটপ্যাড  open  করে  উপরের code  টুকু  লিখে  file  মেনু  থেকে  Save as এ ক্লিক করে File name:  index.html  ,   Save as type : All files,  দিয়ে save করে index.html ফাইলটি Mozilla Firefox দিয়ে open করলে পাশে প্রদর্শিত ছবির মত দেখাবে।

হেডিং (Heading)

 HTML এর মাধ্যমে কোন ডকুমেন্ট বা প্যারাগ্রাফের শিরোনাম লেখার জন্য হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। HTML এ মোট ছয় ধরণের হেডিং ট্যাগ রয়েছে এগুলো হল <h1> </h1> , <h2> </h2> , <h3> </h3> , <h4> </h4> , <h5> </h5> এবং <h6> </h6>  । যদি বড় সাইজের অক্ষরে শিরোনাম লেখার প্রয়োজন হয় তাহলে <h1> </h1> ট্যাগের মাঝে লেখা হয়। এবং অন্যান্য গুলো ব্যবহার করলে লেখার সাইজ আস্তে আস্তে ছোট হবে।

উদাহরণ প্রোগ্রাম

<html>
<head>
<title> www.tutohost.com</title>
</head>
<body bgcolor=" green">
<h1>This is an example of heading 1</h1>
<h2>This is an example of heading 2</h2>
<h3>This is an example of heading 3</h3>
<h4>This is an example of heading 4</h4>
<h5>This is an example of heading 5</h5>
<h6>This is an example of heading 6</h6>
</body>
</html>

নোট-
একটা  নোটপ্যাড  open  করে  উপরের code  টুকু  লিখে  file  মেনু  থেকে  Save as এ ক্লিক করে File name:  index.html  ,   Save as type : All files,  দিয়ে save করে index.html ফাইলটি Mozilla Firefox দিয়ে open করলে পাশে প্রদর্শিত ছবির মত দেখাবে। 

Monday, March 16, 2015

বাইনারি গনিত যোগ বিয়োগ পরিপূরক গণনা (Binary Arithmetic)

নাম্বার সিস্টেম পর্ব ২
আগামি পর্বে নাম্বার সিস্টেম বা সংখ্যা পদ্ধতি - Number System কি ? উহা কত প্রকার তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এপর্বে বাইনারি গনিতের যোগ, বিয়োগ, পরিপূরক ... ইত্যাদি নিয়ে গণনা করা হয়েছে ।
এটিও পড়ুন -Microsoft Power Point কি? জেনে নিন পাওয়ার পয়েন্টের অজানা কিছু তথ্য

বাইনারি সংখ্যার যোগ (Binary Addition) :
          বাইনারি সংখ্যার যোগ করার জন্য আমাদের নিচের সূত্র গুলি অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
  •  1 + 1 = 0 এবং হাতে (Borrow) থাকে 1.
  •  1 + 0 = 1 এবং হাতে (Borrow) থাকে 0.
  •  0 + 1 = 1 এবং হাতে (Borrow) থাকে 0.
  •  0 + 0 = 0 এবং হাতে (Borrow) থাকে 0.
উদাহরণ :
(11)2 + (01)2 = (?)2
বাইনারি গনিত
প্রথমে, 1 + 1 = 0 হাতে 1
পরে, 1 + 0 + 1 ( হাতের 1) = 1 + 1 ( হাতের 1) = 10
অতএব, (11)2 + (01)2 = (100)2

বাইনারি সংখ্যার বিয়োগ (Binary Subtraction) :
        বাইনারি সংখ্যার বিয়োগ করার জন্য আমাদের নিচের সূত্র গুলি অবশ্যই মনে রাখতে হবে। বাইনারি সংখ্যার বিয়োগ বাইনারি সংখ্যার যোগের ঠিক বিপরীত।
  •  1 - 1 = 0 এবং হাতে (Borrow) থাকে 0.
  •  1 - 0 = 1 এবং হাতে (Borrow) থাকে 0.
  •  0 - 1 = 1 এবং হাতে (Borrow) থাকে 1.
  •  0 - 0 = 0 এবং হাতে (Borrow) থাকে 0.

উদাহরণ :
1. (11)2 - (10)2 = (?)2
বাইনারি গনিত
প্রথমে, 1 - 0 = 1
পরে, 1 - 1 = 0
অতএব, (11)2 - (10)2 = (01)2

2. (110)2 – (101)2 = (?)2
বাইনারি গনিত
প্রথমে, 0 - 1 = 1 এবং হাতে 1 থাকে।
এরপরে, 1 - 0 = 1 এবং 1 - 1 (হাতের 1) = 0
পরে, 1 - 1 = 0 হয়।

অতএব, (110)2 – (101)2 = (001)2
পরিপূরক সংখ্যার সাহায্যে বাইনারি সংখ্যার বিয়োগ (Binary Subtraction using Complement Numbers) :
          পরিপূরক সংখ্যার সাহায্যে বাইনারি সংখ্যার বিয়োগ দুভাবে করা যায়। যথা- 
  •  1's Complement এবং 
  • 2's Complement পদ্ধতিতে।
1. 1's Complement এর সাহায্যে বিয়োগ -
  • বড়ো থেকে ছোটো সংখ্যার বিয়োগ :
  • a) ছোটো সংখ্যার বামদিকে প্রয়োজন মতো '0' বসিয়ে Bit সংখ্যা সমান করতে হবে।
  • b) এখন দ্বিতীয় সংখ্যাটির ১-এর পরিপূরক (1's Complement) বের করতে হবে এবং তা প্রথম সংখ্যার সাথে যোগ করতে হবে।
  • c) যোগ করার পর যোগফলে একটি ক্যারি (Carry) বিট আসে, ওই Carry Bit এর ডানদিকের Bit গুলিকে বলা হয় Sum. এখন ওই Carry Bit টিকে Sum অংশের সাথে যোগ করলে প্রদত্ত সংখ্যাদুটির বিয়োগফল পাওয়া যায়।

উদাহরণ -
(1100)2 - (100)2 = (?)2
প্রথম সংখ্যা 1100.
দ্বিতীয় সংখ্যা 0100 এর ১-এর পরিপূরক 1011.
বাইনারি গনিত
 অতএব,  
(1100)2 - (100)2 = (1000)2
  • ছোটো থেকে বড়ো সংখ্যার বিয়োগ :
  • a) বামদিকে প্রয়োজন মতো '0' বসিয়ে Bit সংখ্যা সমান করতে হবে।
  • b) এখন দ্বিতীয় সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's Complement) বের করতে হবে এবং তা প্রথম সংখ্যার সাথে যোগ করতে হবে।
  • c) কোন Carry না থাকায় '-' চিহ্ন সহ Sum অংশটির ১-এর পরিপূরক (1's complement with -ve sign) হবে প্রদত্ত সংখ্যাদুটির বিয়োগফল।

উদাহরণ -
(100)2 - (1100)2 = (?)2
প্রথম সংখ্যা 0100.
দ্বিতীয় সংখ্যা 1100 এর ১-এর পরিপূরক 0011.

বাইনারি গনিত
 অতএব,  
(100)2 - (1100)2 = (-1000)2
2. 2's Complement এর সাহায্যে বিয়োগ -
  • বড়ো থেকে ছোটো সংখ্যার বিয়োগ :
  • a) বামদিকে প্রয়োজন মতো '0' বসিয়ে Bit সংখ্যা সমান করতে হবে।
  • b) এখন দ্বিতীয় সংখ্যাটির ২-এর পরিপূরক (2's Complement) বের করতে হবে এবং তা প্রথম সংখ্যার সাথে যোগ করতে হবে।
  • c) প্রাপ্ত যোগফলের Carry বাদ দিলে Sum অংশটিই হবে প্রদত্ত সংখ্যাদুটির বিয়োগফল।

উদাহরণ -
(1100)2 - (100)2 = (?)2
প্রথম সংখ্যা 1100.
দ্বিতীয় সংখ্যা 0100 এর ১-এর পরিপূরক 1011.
দ্বিতীয় সংখ্যা 0100 এর ২-এর পরিপূরক 1011+1=1100.
বাইনারি গনিত
  অতএব,  
(1100)2 - (100)2 = (1000)2
  • ছোটো থেকে বড়ো সংখ্যার বিয়োগ :
a) বামদিকে প্রয়োজন মতো '0' বসিয়ে Bit সংখ্যা সমান করতে হবে।
b) এখন দ্বিতীয় সংখ্যাটির ২-এর পরিপূরক (2's Complement) বের করতে হবে এবং তা প্রথম সংখ্যার সাথে যোগ করতে হবে।
c) '-' চিহ্ন সহ Sum অংশটির ২-এর পরিপূরক (2's Complement) হবে প্রদত্ত সংখ্যাদুটির বিয়োগফল।

উদাহরণ -
(100)2 - (1100)2 = (?)2
প্রথম সংখ্যা 0100.
দ্বিতীয় সংখ্যা 1100 এর ১-এর পরিপূরক 0011.
দ্বিতীয় সংখ্যা 1100 এর ২-এর পরিপূরক 0011+1=0100.
বাইনারি গনিত
   অতএব,  
(100)2 - (1100)2 = (-1000)2
কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ।