Saturday, August 22, 2015

প্রিন্টার ভালো রাখার সেরা ১০ টি টিপস- Printer

প্রিন্টার ( Printer) একটি আউটপুট ডিভাইস। এই আউটপুট ডিভাইস থেকে ভাল আউটপুট পেতে হলে আপনাকে প্রিন্টারের অবশ্যই যত্ন নিতে হবে। সঠিকভাবে প্রিন্টারের যত্ন ও ব্যবহার করা হলে একটি সাধারন প্রিন্টারও অনেক দিন স্বাভাবিক কাজ চালিয়ে যেতে পারে। তাহলে দেখে নেওয়া যাক প্রিন্টারের যে বিষয় গুলো আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
এটিও পড়ুন -র‍্যাম ক্লিন করুন নোটপ্যাড ব্যবহার করে ! RAM Cleaner

প্রিন্টার ভালো রাখার সেরা ১০ টি টিপস

কিভাবে প্রিন্টারে যত্ন নেবেন ?


  1. প্রিন্টার কেনার সময় খেয়াল রাখবেন আপনার প্রিন্টারটি যেন একটি ভাল ব্র্যান্ডের হয়। এছাড়া আপনি যে কাজের জন্য প্রিন্টার নিতে চান ঠিক সে ধরনের বিষয় গুলো মাথায় রেখে বাজারে খোঁজ করুন। তারা আপনাকে সঠিক প্রিন্টার কিনতে সহায়তা করবে।

  2. প্রিন্টিং কাজের জন্য যথাসম্ভব উন্নত মানের কাগজ ব্যবহার করুন। এতে আপনার প্রিন্টার, প্রিন্টার হেড ভাল থাকবে যা আপনাকে অনেক অতিরিক্ত ঝামেলার হাত থেকে রক্ষা করবে।

  3. প্রিন্টার খোলা জায়গায় সেট করুন এবং ময়লাযুক্ত স্থানে প্রিন্টার ব্যবহার করবেন না।

  4. প্রিন্টার হেড পরিস্কার রাখার জন্য প্রিন্টারের Head Clean করুন। তা না হলে নজলে কালি জমে আটকে থাকবে, যা পরে পরিস্কার ছাপার কাজে বাধার সৃষ্টি করবে।  প্রিন্টার হেড পরিস্কার করার প্রিন্টারের কার্ট্রিজ খুলেও নরম সুতির কাপড়ে সামান্য পানিতে ভিজিয়ে তা দিয়ে হেড পরিস্কার করতে পারে। শুকিয়ে গেলে কার্টিজ পুনরায় স্থাপন করুন।

  5. নিয়মিত প্রিন্টার ব্যবহার করলে কালি শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে না। সপ্তাহে অন্তত একবার প্রিন্ট করলে কালি সহজে শুকিয়ে যায় না আর প্রিন্টারও ভালো থাকে।

  6. প্রিন্টারের কাগজ রাখার স্থানটি যথাযথভাবে ব্যবহার করুন। প্রিন্টের মাঝপথে কাগজ আটকে গেলে তা উল্টো দিখ দিয়ে টানাটানি করে বের করার চেষ্টা করবেন না। এতে পুরো প্রিন্টারটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রয়োজনে এ জাতীয় পরিস্থিতিতে প্রিন্টারের কারিগরি নির্দেশিকার সাহায্য নিতে পারেন।

  7. সবসময় প্রিন্টার ব্যবহার না করলে পাওয়ার অন করে রাখার দরকার নেই। কেবল কাজের সময় পিন্টারের পাওয়ার অন করে দীর্ঘদিন উঁচুমানের প্রিন্টিং করা সম্ভব। তবে কাজের মাঝপথে কখনোই প্রিন্টার অফ করা উচিত নয়। আর পাওয়ার অফ করার পরই কেবল প্লাগ খুলে নেওয়া যাবে।

  8. এছাড়া প্রিন্টার সফটওয়্যারের Maintenance প্রোগ্রামের সাহায্য নিয়েও প্রিন্টারের কালি চেক করা এবং পরিস্কার করা যায়।
  9. কালি কমে আসার আগেই বা শেষ হওয়ার সতর্কবার্তা পাওয়া মাত্রই তা বদলে ফেলুন। শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করলে প্রিন্টার হেড ও নজলের উপর অতিরিক্ত চাপ পরে। তাই সময় থাকতেই নতুন কালি প্রতিস্থাপন করে নিন।
  10.  যে কম্পানির প্রিন্টার ব্যবহার করছেন সেই কম্পানির কালি ব্যবহার করা উচিৎ কিংবা ভালো ব্র্যান্ডের কালি ব্যবহার করা উচিৎ।

Monday, March 9, 2015

কিভাবে স্টোরেজ ডিভাইস নিয়ন্ত্রন করবেন ? উপডেট ২০১৫

স্টোরেজ ডিভাইস কি?

স্টোরেজ ডিভাইসেস পূরক , স্থায়ী, সেকন্ডারী আর বেশী স্টোরেজ-য়ের রূপে পরিচিতি। এটি ভবিষ্যতের জন্য ডাটা ইনষ্ট্রাকশন আর ইনফর্মেশন রাখতে পারে। একথায় কম্পিউটারের তথ্য সঞ্চয়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য ডিভাইস হলো স্টোরেজ ডিভাইস। স্টোরেজ ডিভাইসে কোন তথ্য স্থায়ী বা অস্থায়ী দুইয়ে রাখতে পারি। স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহারন হল- RAM, cache, a hard disk, optical disk drive,  USB drive ইত্যাদি । স্টোরেজ ডিভাইস কে সাধারণত দুই ভাবে ভাগ করা যায় - ক) প্রাইমারী  স্টোরেজ ডিভাইস ( Primary Storage Devices), খ ) সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Devices
এটিও পড়ুন -ফরমেট না হওয়া পেনড্রাইভ সহজ উপায় ফরমেট করার কৌশল

আজকের এই পোষ্টে  আপনি আপনার স্টোরেজ ডিভাইস আপনার মর্জি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। এছারা আমদের বিভিন্ন কারনে কম্পিউটারে স্টোরেজ ডিভাইসের ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করতে হয়। আপনি ইচ্ছে করলে আপনার PC বা ল্যাপটপ এর স্টোরেজ ডিভাইস রাইট প্রটেক্ট করে রাখতে পারেন,এর ফলে কেউ আপনার অনুমতি ছাড়া PC তে স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না।
স্টোরেজ ডিভাইস


স্টোরেজ ডিভাইস নিয়ন্ত্রন করার জন্য যা যা করতে হবে ?

  • প্রথমে start --> all programme ----> accessories ---> notepad গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন অথবা Run এ গিয়ে Notepad লিখে এন্টার চাপুন এবং
  • নিচের কোডটি হুবহু লিখুন-

Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\StorageDevicePolicies]
“WriteProtect”=dword:00000001
নোটপ্যাডটি  disablestoragedevice.reg  নামে সেভ করন ( নিজের পছন্দ মতোও নাম দিতে পারেন তবে নামের সাথে .reg অবশ্যই দিতে হবে ) । খেয়াল করুন disablestoragedevice নামে একটি রেজিস্ট্রি ফাইল তৈরী হয়েছে। এই ফাইল দুই বার ক্লীক করলেই স্টোরেজ ডিভাইস রাইট প্রটেক্ট হয়ে যাবে।

রাইট প্রটেক্ট স্টোরেজ ডিভাইস আনপ্রটেক্ট করতে করতে চাইলে ?

  • নোটপ্যাডে নিচের কোডটি লিখুন-
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\StorageDevicePolicies]
“WriteProtect”=dword:00000000
এবং নোটপ্যাডটি enblestoragedevice.reg নামে  সেভ করুন ( নিজের পছন্দ মতোও নাম দিতে পারেন তবে নামের সাথে .reg অবশ্যই দিতে হবে )। তৈরীকৃত enablestoragedevice রেজিস্ট্রি ফাইলে দুই বার ক্লীক করলেই রাইট প্রটেক্ট বন্ধ হয়ে যাবে ।

এরপরের পোষ্টে স্টোরেজ ডিভাইস নিয়ে আরও টিপস ও বিস্তারিত তথ্য নিয়ে আলোচনা করা হবে। ততক্ষণে আমাদের সঙ্গে থাকুন ধন্যবাদ।

Sunday, February 22, 2015

BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ করুন সহজ সরল উপায়ে

BIOS কি?

BIOS অর্থ হল “Basic Input Output System”। BIOS –এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয় । পিসি Boot ( বুট ) করা এবং সিপিইউ কতৃক বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একসেস করার জন্য বায়োস ব্যবহার করা হয় । বায়োসে প্রোগ্রাম কোডিং করা থাকে যা দ্বারা মৌলিক এবং লো -লেবেলের ফাংশনগুলো সম্পাদন করা হয় ।
এটিও পড়ুন -পিসিতে ড্রাইভার install করুন CD ছারাই
 কিন্তু এখন কথা হল কোন কারনে আমাদের BIOS সেটিং পরিবর্তন করতে হয়। তখন দেখা গেল আপনার BIOS পাসওয়ার্ড প্রটেক্টটেড এমনকি আপনার BIOS পাসওয়ার্ড কি তাও কাজের চাপে ভুলে গেছেন। তখন করবেন কি ? হতাশ হয়ে আপনার কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাবেন , কহনও না এবার আপনি নিজে নিজে আপনার PC বা Laptop এর পাসওয়ার্ড রিমুভ করে নিন।

কিভাবে BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ করবেন ?

পদ্ধতি ১

  1. প্রথমে CPU খুলুন
  2. এরপর motherboard টি লক্ষ্য করুন
  3. এরপর Battery(3V) খুলে ফেলুন
  4. তারপর মাদারবোর্ড থেকে Battery(3V) টি খুলে বলুন
  5. ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করে আবার Battery(3V) লাগিয়ে দিন।
এরপর আপনার কম্পিউটারটি চালিয়ে দেখুন। আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে। তবু সমস্যা হলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

BIOS পাসওয়ার্ড

 পদ্ধতি ২

আগের কম্পিউটারে মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো ব্যাটারী খুলে ফেললে BIOS এর পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়ে যেত। কিন্তু এখনকার পিসি তে মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো ব্যাটারী খুলে ফেললে BIOS এর পাসওয়ার্ড রিমুভ হয় না। এর কারন এখনকার পিসি তে BIOS ব্যাটারি এর পাশে CLR_CMOS নামে একটি জাম্পার থাকে এটি খুলে লাগালে আপনার পিসি এর BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়ে যাবে।
নিচের ছবিটি লক্ষ্য করতে পারেন।
BIOS পাসওয়ার্ড
 আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে। ভালো লাগলে শেয়ার করে বন্ধুদের জানেতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Friday, February 6, 2015

যেভাবে মোবাইল ফোনের ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়ু করবেন ? ২০১৫ সেরা টিপস !!

মোবাইল আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয়তার মধ্যে একটি অতি দরকারিয় বস্তু। মোবাইল ছারা এখন আমাদের এক মহুর্ত ভাবা চলে না। পড়াশোনা থেকে শুরু করে ব্যবসার হিসেব নিকেশ, ক্যালেন্ডার, রিমাইন্ডার, টাকা ট্রান্সফার, ব্যাংকিং ইত্যাদি ইত্যাদি কাজে মোবাইল ব্যবহার করা হয়। তাই আজ আমি আপনার মোবাইলের ব্যাটারি কিভাবে আয়ু বাড়াবেন তা শেয়ার করছি।
যে ভাবে মোবাইল ফোনের ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়ু করবেন ? ২০১৫ সেরা টিপস !!

ফোনের ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়ু করার পদ্ধতি

  •  ১) অকারনে মোবাইল এর ব্লুটুথ অন করে রাখবেন না। প্রয়োজন শেষ হলে ব্লুটুথ অফ করে রাখুন, এতে করে যেমন চার্জ বাঁচবে তেমনি ভাইরাস আসার ভয়ও থাকবেনা। 
  • ২) কীপ্যাড এর শব্দ এবং ভাইব্রেশন, প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার না করাই ভালো ।
  •  ৩) ডিসপ্লের আলো যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন, যতটুকু আলো হলে আপনি মোবাইল এর কাজ করতে পারবেন, ঠিক ততোটুকু আলো রেখে বাকিটা কমিয়ে রাখুন। 
  • ৪) পাওয়ার সেভার টাইমআউট এ সর্বনিম্ন ভ্যালু ব্যবহার করুন।
  •  ৫) কোন অ্যাপ্লিকেশন এর কাজ শেষ হলে সেটা বন্ধ করে রাখুন। 
  •  ৬) গেম(Game) খেলতে কম বেশি সকলেরই বেশ ভাল লাগে কিন্তু এতে করে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। তাই এদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত ।
  •  ৮) অহেতুক কারনে মোবাইল টেপাটিপি করা বর্জন করুন। 
  • ৯) সপ্তাহে অন্তত একদিন, ব্যাটারি পুরা খালি করে চার্জ দিন। এটা করে ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়বে।
  • ১০) ফোনে অতিরিক্ত কথা না বলাই ভালো, মনে রাখবেন মোবাইল চার্জ না থাকার আর এক কারন হতে পারে।
  •  ১১) মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক না পায় তাহলে মোবাইল টি বন্ধ করে আবার চালু করে দেখুন তাও যদি না পায় তবে মোবাইল টি বন্ধ রাখুন কারণ নেটওয়ার্ক সার্চ এর জন্য প্রচুর চার্জ ব্যবহ্রত হয় ।

Friday, January 30, 2015

কিভাবে মুছে ফেলবেন PC বা Laptop এ থাকা ডুপ্লিকেট ফাইল ফোল্ডার

আজ আমি শেয়ার করবো কিভাবে আপনি আপনার কম্পিউটারের ( PC ) বা Laptop এর Duplicate ফাইল বা ফোল্ডার খুঁজে ডিলিট করবেন?
এটিও পড়ুন - আজীবন আয় করুন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট থেকে
duplicate file

আপনার কম্পিউটারে যদি হাজার হাজার ছবি বা গান থাকে তাহলে একই ফাইল ভিন্ন ভিন্ন ফোল্ডারে একাধিকবার থাকতে পারে। গানের ক্ষেত্রে এটি বেশী হয়ে থাকে, ফলে অযথা যায়গা নষ্ট হয়। কেননা হজার হাজার ফাইল আমাদের কম্পিউটারে কোথায় কি আছে মনে রাখা সম্ভব নয়? আপনি খুঁজে খুঁজে এই ডুপ্লিকেট (Duplicate) ফাইলগুলো মুছে ফেলতে গেলে বেশ সময় লাগে। হয়তো সময়ের তাগিদে একসময় আপনি ডুপ্লিকেট (Duplicate) ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে যাবেন, তবু সম্পূর্ণ Duplcate ফাইল কম্পিউটার থেকে নির্মূল করতে পারবেন না।  সেক্ষেত্রে আপনি ডাবলকিলার সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজেই একই নামের সকল ফাইল খুঁজে বেড় করে মুছে ফেলতে পারেন। সফটওয়্যারটি নিজে থেকেই ডুপ্লিকেট ফাইল খুঁজে বেড় করবে। এরপরে চাইলে সহজে প্রথম ফাইলটি রেখে বাকি ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারবেন। ৪০৬ কিলোবাইটের এই ফ্রি সফটওয়্যারটি।
সফটওয়্যার টির ডাউনলোড লিঙ্ক -  Doublekiller 
কিংবা এখানে ক্লিক করেও ডাউনলোড করতে পারেন ।

Sunday, January 18, 2015

যেভাবে আপনার ল্যাপটপ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করবেন

ল্যাপটপ কিছুদিন ব্যবহার করলেই তা ময়লা হয়ে যায়। এতে ল্যাপটপটি দেখতে যেমন খারাপ হয় তেমন তা অস্বাস্থ্যকরও হয়ে যায়। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য ল্যাপটপটি নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। আর এ জিনিসটি পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজন কিছু সতর্কতা।
laptop
উপকরণ:
ল্যাপটপ পরিষ্কার করার জন্য যেসব উপাদান লাগবে সেগুলো হল-
  1.  নরম কাপড়
  2.  হালকা ডিশ ডিটারজেন্ট
  3.  কমপ্রেসড বাতাসের ক্যান
  4.  আইসোপ্রপিল রাবিং অ্যালকোহল

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার পদ্ধতি-

কাজ শুরুর আগে আপনার ল্যাপটপ শাট ডাউন করুন, পাওয়ার লাইন ও ব্যাটারি খুলে ফেলুন। প্রথম কাজ হলো ঢাকনা ও নিচের প্যানেল পরিষ্কার করা। ডিশ ওয়াশার দুই-এক ফোঁটা ও হালকা গরম দুই কাপ পানি মিশ্রণ করুন। এরপর আপনার নরম কাপড় তাতে ভিজিয়ে চিপে ফেলুন। এরপর সেই কাপড় দিয়ে ল্যাপটপের ঢাকনা ও নিচের প্যানেল মুছে ফেলুন। কাপড়টি ধুয়ে এ প্রক্রিয়া আবার করুন। এরপর শুকনো কাপড় দিয়ে ভেজা স্থানগুলো মুছে ফেলুন।
একইভাবে সাবধানে মনিটরটি মুছতে পারেন।
এরপর কিবোর্ডের দিকে নজর দিন। কিবোর্ড উল্টো করে ঝাড়া দিয়ে প্রথমে কিছু আলগা ময়লা ফেলে দিন। এরপর কমপ্রেসড বাতাসের ক্যান ব্যবহার করে কিবোর্ডের ভেতরের ময়লাগুলো দূর করুন। কমপ্রেসড বাতাসের ক্যানের বদলে এয়ার ব্লোয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর কিবোর্ডের ওপরের অংশ আইসোপ্রপিল রাবিং অ্যালকোহল ব্যবহার করে মুছে ফেলতে পারেন। এটি দ্রুত বাষ্প হয়ে যাবে। অন্যদিকে পানি ব্যবহার করলে তা কিবোর্ডের ভেতর ঢুকে যন্ত্রপাতি নষ্ট করে ফেলবে।
আপনার কোনো বন্ধুর যদি কাশি থাকে আর সে যদি ল্যাপটপটি ধার নেয় তাহলে তার কাছ থেকে ফেরত নেওয়ার পর এটি ০.৫% হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।
আপনার ল্যাপটপের সাইডে যদি বায়ু প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য বড় ভেন্টের ব্যবস্থা থাকে তাহলে সেখানে অনেক ধুলা দেখতে পাবেন। উচ্চগতির বাতাস দিয়ে সেসব স্থান পরিষ্কার করতে পারবেন। আর যদি ধুলা অনেক বেশি থাকে তাহলে তা খুলে পরিষ্কার করতে পারেন। তবে সেজন্য আপনাকে কিছুটা অভিজ্ঞ হতে হবে। এবং স্ক্রুগুলো কোথা থেকে খুলেছেন তা স্পষ্টভাবে নজর রাখতে হবে।
সতর্কতা
ল্যাপটপের এসব বিষয় করার আগে ম্যানুয়ালটি অবশ্যই পড়ে দেখুন। 
তথ্য সূত্রঃ ACNews24.Com