Sunday, July 31, 2016

ইন্টারনেট বারবার ডিসকানেক্ট হলে যা যা করবেন

কম্পিউটারের যেটা প্রায় সকলেরই বড় সমস্যা বলে মেনে করি সেটা ইন্টারনেট সমস্যা। নেট বা ইন্টারনেট চালাতে গিয়ে মাঝে মাঝে ইন্টারনেট সংযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। সেটা হতে পারে সার্ভিস প্রোভাইডার এর কারন কিংবা হতে পারে অপারেটিং সিস্টেম এর কারন। এই পোষ্টে ইন্টারনেট বারবার ডিসকানেক্ট সমস্যা সমাধান নিয়ে আলোচনা করবো। [ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা ৬ টি উপায় ]
ইন্টারনেট বারবার ডিসকানেক্ট হলে যা করবেন?
ইন্টারনেট বারবার ডিসকানেক্ট হলে যা যা

আইপি (IP Address) ঠিকানায় সমস্যা হলে:
হঠাৎ ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেলে IPConfig-এর মাধ্যমে TCP/IP network configuration-এর বর্তমান অবস্থা দেখে DHCP I DNS সেটিংসকে রিফ্রেশ করতে হবে। 
যেভাবে করবেন - উইন্ডোজ ৭ বা ৮ অপারেটিং (Ctrl+R) সিস্টেমের স্টার্ট মেনুতে cmd লিখে Ctrl + Shift + Enter চাপুন। কমান্ড প্রম্পট এলে এখানে ipconfig লিখে Enter করলে ইন্টারনেট প্রটোকলের বর্তমান অবস্থা প্রত্যক্ষ করা যাবে। আবার ipconfig/release লিখে এন্টার করলে বর্তমান আইপি ঠিকানা মুক্ত হবে।
তারপর আবার ipconfig/renew লিখে এন্টার করলে নতুন আইপি ঠিকানা পাওয়া যাবে। যদি এই কমান্ড চালালে সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আবার Ipconfig/Renew লিখে এন্টার করুন। ওপরের কমান্ডগুলো চালানোর পর সমস্যা থেকে গেলে স্টার্ট মেনুতে notepad লিখে এন্টার করুন। এখানে প্রথম লাইনে ipconfig/release লিখে এন্টার করুন।
দ্বিতীয় লাইনে আবার ipconfig/renew লিখে নোটপ্যাডের File-এ গিয়ে Save as চাপুন। iprenew.bat নামে ফাইলটি ডেস্কটপে সেভ করে নিন। এবার যখনই সমস্যা হবে এই ফাইলে দুই ক্লিক করলে সমস্যা সমাধান হবে।
এটিও পড়ুন - কমপিউটার কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট ব্যবহার - All PC Shortcut Keys

ডিএনএস (DNS) ক্যাশে সমস্যা হলে:
DNS ক্যাশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঘন ঘন ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। রিসেট বা ফ্ল্যাশ করে ক্যাশের এই সমস্যাকে দূর করা যায়। আগের চালু থাকা কমান্ড প্রম্পটের বক্সে ipconfig/flushdns লিখে এন্টার করুন। Successfully flushed the DNS Resolver Cache বার্তা দেখিয়ে নিশ্চিত করবে। পরেরবার ipconfig/registerdns লিখে আবার এন্টার করুন। হোস্ট ফাইলে যেকোনো প্রোগ্রামের ডিএনএস রেকর্ড হয়ে যাবে এবং ডিএনএস ক্যাশের সমস্যা দূর হবে।
নেটওয়ার্ক (Network) টুল দিয়ে মেরামত:
উইন্ডোজ ৭ বা ৮-এর নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যা নানা ধাপে ঠিক করতে উইন্ডোজেই তার সমাধান আছে। এ জন্য Control Panel থেকে Network & Sharing Center-এ যাবেন। এর নিচে Troubleshoot Problems-এ ক্লিক করে পরের পর্দার Internet Connection-এ ক্লিক করতে হবে। এভাবে পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কে সমস্যা খুঁজে নিয়ে তার সমাধান করা যাবে।
সার্ভিস প্রভাইডার পরিবর্তন করুনঃ
আপনি যদি মডেম এর সাহায্যে নেট চালান তাহলে আপনি মডেম এর সিম পরিবর্তন করে নিতে পারেন। কেননা অনেক সময় আপনার মডেম এ টাওয়ার না থাকার দরুন এ রকম সমস্যা হতে পারে। আর যদি মডেম বহুদিনের পুরনো হয় তাহলে নতুন কিনে নিয়ে দেখতে পারেন।
যেকোন সমস্যা সমাধানের জন্য কমেন্ট করুন। ভালো থাকুন  সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ।

Saturday, July 16, 2016

কম্পিউটার চালু না হলে কি করবেন ? জেনে নিন !

কম্পিউটার নিয়ে আমাদের অনেক সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে আপনারা যারা নতুন নতুন কম্পিউটার কেনেছেন। মাঝে মাঝে কম্পিউটার চালু না একটি অতি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে হয়। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ এবং সময় অপচয় করা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে। আশা করি আপনার চেষ্টা বিফলে যাবে না। [ Slow কম্পিউটার নিমিষে সুপার ফাস্ট করে নিন সফটওয়্যার ছারা ১ মিনিটে ]

কম্পিউটার চালু না হলে কি করবেন ? জেনে নিন !

PC চালু না হলে যা করবেন- 

  •  পাওয়ার সুইচ (Power Switch) অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না। অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
  • যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
  • যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
  • আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
এটিও পড়ুন - PC থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল, DOCUMENT মুছে ফেলুন ১ মিনিটে

  • তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়। সাধারনত PC কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
  • মনিটরের (Monitor) দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড (Mother Board & Graphic Card ) ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
  • যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
  • এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
  • এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতেযাওয়াটাই ভালো।
  • পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
  • কম্পিউটার বুট (Computer Boot ) হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধপ করে PC বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
  • আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
  • হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
  • এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
 কম্পিউটার সম্পর্কিত যেকোন সমস্যার জন্য কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

Saturday, November 7, 2015

কি-বোর্ড দিয়ে সহজে কম্পিউটার চালু করুন - ON Your PC Using Keyboard


কম্পিউটারের কিবোর্ড ব্যবহার করে আমারা যেমন- শর্ট-কাট ভাবে কম সময়ে অনেক বেশি কাজ করতে পারি অপরদিকে ঠিক কিবোর্ডের মাধ্যমে অনেক বড় কাজও সেরে ফেলতে পারি যেমন - কম্পিউটার Re Start, Shut Down, Turn Off, ইত্যাদি ইত্যাদি ... । আজকে তেমনি ছোট্ট একটি টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। [পাসওয়ার্ড না জেনেও উইন্ডোজ XP তে লগইন করুন - Windows Hacking ]


সাধারণত আমরা CPU (Central Processor Unit) এর পাওয়ার বাটন (Power Key) চেপে দিয়ে কম্পিউটার চালু করি। অনেক সময় পাওয়ার বাটন নষ্ট হলে কম্পিউটার চালু করতে সমস্যা হয়। তখন কম্পিউটার এক্সপার্টকে কল করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না, অথবা Power Switch এর তার দুটো ডাইরেক্ট করে দিতে হয়, সেটা অনেক ঝামেলার। কিন্তু আপনি  ইচ্ছা করলে CPU এর পাওয়ার বাটন (Power Key) না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে কম্পিউটার চালু করতে পারেন।[ আজীবন আয় করুন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট থেকে ]

কি-বোর্ড দিয়ে PC চালু করতে যা করতে হবে ?

  • প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় Del বাটন চেপে BIOS এর প্রবেশ করুন।
  • এরপর Power Management Setup নির্বাচন করুন।
  •  Enter প্রেস করে Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter চাপুন।
  • এরপর Password নির্বাচন করে Enter দিন।
  • এরপর Enter Password এ কোন একটি কি পাসওয়ার্ড হিসাবে দিয়ে সেভ করে বের হতে হবে। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করা যাবে। 
 নোট-
পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ড এর জন্য প্রযোজ্য হলেও আশা রাখি অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতিটি কাজ করবে। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

Sunday, January 11, 2015

পিসি বা ল্যাপটপ প্রোপারটিজ অপসারণ করে ফেলুন মাত্র একমিনিটে

কম্পিউটার প্রোপারটিজ কি ?

কম্পিউটারের সিস্টেম প্রোপারটি ( Properties ) একটি Windows Management Instrumentation (WMI) টুলস । যার মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারের বিস্তারিত তথ্য যেমন- কম্পিউটারের নাম, ভার্সন, অপারেটিং সিস্টেম  কি ইত্যাদি সহজে জানতে পারি । এছারাও কম্পিউটারের সেটিং এর তথ্য, সেটিং পরিবর্তন, হার্ডওয়্যার ডিভাইস ডিলিট ও সংযোগ, সফটওয়্যার নিয়ন্তন, এককথায় সম্পূর্ণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সিস্টেমকে কন্ট্রোল করতে পারি। 
পিসি বা ল্যাপটপ প্রোপারটিজ



আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে My computer এর Propertiesঅপশন সহজে Remove করা যায়। না লাগবে কোন সফটওয়্যার, না লাগবে কোন হার্ডওয়্যার ডিভাইস। তবে চলুন এবার মজার কাজটি।
পড়ুন - ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা ৬ টি উপায়

কি ভাবে কম্পিউটারের প্রোপারটিজ অপসারণ করবো ?

  • স্টেপ ০১. প্রথমে Run এ যান (WIN+R)
  • স্টেপ ০২. regedit লিখে Enter বাটন চাপুন ।
  • স্টেপ ০৩. এবার রেজিস্ট্রি এডিটর উইন্ডো খুলবে
  • স্টেপ ০৪. এবার বাম পাশ থেকে current user=>Software=>Microsoft=>Windows=>Current Version=>policies=>explorer এ যান
  • স্টেপ ০৫. এবার ডান পাশে Right button ক্লিক করে new=>DWORD এ ক্লিক করুন০৬. এবার ফাইল টির নাম পরিবরতন করুন No propertiesMycomputer নামে।
  • স্টেপ ০৭. তারপর ফাইল টা তে ডাবল ক্লিক করে Value 1 করে দিন ।
  • স্টেপ ০৮. এবার রিস্টার্ট করে দেখুন আপনার My computer এর Properties অপশন নেই ।
কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন। সুস্থ ও ভালো থাকুন ধন্যবাদ।

Tuesday, November 4, 2014

DOS কি? এসো নিজে নিজে DOS শিখি

DOS কি?

DOS বাংলায় ডস অর্থাৎ Disk operating Sytem । Computer উদ্ভবনের সময়ে যে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হত সেই অপারেটিং সিস্টেমের নাম DOS বা ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। DOS হচ্ছে একটি single ইউজার opereting system যেটা আগের শতাব্দীর অর্থাৎ নব্বই দশকের শুরুতে বিকশিত পার্সোনাল computer এর জন্য তৈরি করা হয়েছিলো। DOS হচ্ছে machie language program এর সংগ্রহ যা ব্যবহার কারির বা application program এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ গুলির মধ্যে interface এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম এর operation নিয়ন্ত্রণ করে।
ডস

DOS এর বিভিন্ন verson (সংস্করণ)

DOS এর বিভিন্ন verson রয়েছে। 1981 সালে USA (United States of America) র মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নামক একটি company সর্ব প্রথম DOS এর প্রথম verson MS-DOS 1.0 প্রকাশ করেন । এবং সর্ব শেষ verson হল 7.0 । এরপর 1995 সালে উইন্ডোজ ৯৫ (Windows 95)  নামে একটি উন্নত মানের GUI (Graphical User Interface) ভিত্তিক ডস চালু হয়।

DOS কে কত ভাগে ভাগ করা যায়?

DOS কে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
  • MS-DOS(Microsoft Disk Operating System)
  • PC-DOS (Personal Computer Disk Operating system)

DOS এর বৈশিষ্ট-

  • DOS এর নিজস্ব কতগুলি command রয়েছে। কমেন্ট গুলি সর্বদা ব্যবহার করা হয়।
  • ডস CUI(Command User Interface) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
  • ডস একটি Single User Single Task অপারেটিং সিস্টেম।
  • ডস কীবোর্ড দ্বারা টাইপ করে বিভিন্ন কাজ করা হয়।
  • ডস এর বিভিন্ন বিভিন্ন ইউটিলিটি প্রোগ্রাম থাকে। আর এই প্রগাম গুলি নিজের সুবিধা মতো ব্যবহার করা যায়।
এটিও জানুন- Slow কম্পিউটার নিমিষে সুপার ফাস্ট করে নিন সফটওয়্যার ছারা ১ মিনিটে
পরের পর্বে DOS এ্র বিস্তারিত অংশ পড়ুন। কোন জিজ্ঞাসাবাদ থাকলে সমস্যা ও সমাধান বিভাগে জানাবেন। ভালো লাগলে প্লিস শেয়ার করে কৃতজ্ঞতা জানাবেন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ।