Wednesday, December 10, 2014

সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কি এবং কেন ? এর সম্পূর্ণ ইতিহাস

প্রোগ্রামিং লাঙ্গুয়েজ কি ?

C languageসি প্রোগ্রামিং শুরু করার পূর্বে আমাদের সবার আগে জানা উচিত, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কি এবং কি কাজে লাগে ? প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলতে সাধারণত কম্পিউটারের ভাষাকে বোঝানো হয়। কম্পিউটার মানুষের ভাষা বোঝে না। কম্পিউটার বোঝে তার নিজের ভাষা অর্থাৎ মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ। কম্পিউটার লজিক দিয়ে চলে। কম্পিউটার যে ভাষা বোঝে সেটাই প্রোগ্রামিং লাঙ্গুয়েজ। বিভিন্ন প্রকার লাঙ্গুয়েজ আছে যেমন- সি , সি ++ , জাভা , পাইথন , পি এইচ পি , সি সার্প ইত্যাদি।

সি প্রোগ্রামিং কি ?

সি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। ৭০এর দশকে বেল ল্যাবে সি নির্মাণ করেন ডেনিস রিচি। ভাষাটি তৈরির প্রথম উদ্দেশ্য ছিল ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম-এর কোড লেখায় এর ব্যবহার, কিন্তু অচিরেই এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ভাষায় পরিণত হয়। সি++ ও জাভা সহ পরিবর্তীকালের অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার উপর সি'র গভীর প্রভাব পড়েছে। সি এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এর বহনযোগ্যতা। সি দিয়ে রচিত প্রোগ্রাম যেকোন অপাররেটিং সিস্টেমের কম্পিউটারে চালানো যায়। ৭০ এবং ৮০ দশকের দিকে সি এর জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে এর অনেকগুলো ভার্সন তৈরি হয়। ১৯৮৩ সালে আমেরিকান মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা সি এর ১টি আদর্শ ভার্সন তৈরির জন্য কমিটি গঠন করে। দীর্ঘ ৬ বছর পরে ১৯৮৯ সালে সেই আদর্শ সি ভাষাটি তৈরি হয়, যা আমেরিকান মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা সি (আনসি সি (ANSI C)) নামে পরিচিত। পরবর্তিতে আন্তর্জাতিক মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা ১৯৯০ সালে সি এর এই আদর্শ ভার্সনটি গ্রহণ করে, যা সি ৯০ নামে পরিচিত। মুলত "সি৮৯" এবং "সি৯০" একই ভাষা। যুগের প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা ১৯৯৫ সালে এই সংস্করণকে বর্ধিত করে এবং পরবর্তিতে ১৯৯৯ সালে সম্পূর্ণ নতুন একটি সংস্করণ প্রকাশ করে যা সি৯৯ নামে পরিচিত। সর্বশেষ ২০১১ সালে সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নবীনতম সংস্করণ সি১১ প্রকাশিত হয়।
এটিও পড়ুন -কীভাবে DOS এ কপি পেস্ট করবেন - একটি দুর্দান্ত টিপস

সি প্রোগ্রাম উৎপত্তি

১৯৬০-এর দশকে বেশ কিছু কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করা হয়েছিল। মার্কিন কম্পিউটারবিদ গ্রেস হপার Mathematic, Flowmatic এবং A2 নামে তিনটি প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেন। এরপর জেম্‌স ব্যাকাস তৈরি করেন ForTran। তারও পরে ALGOL, COBOL, Ada ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করা হয়। মূলত এই ভাষাগুলিই আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষাগুলির পূর্বসূরী। কিন্তু ঐ ভাষাগুলিকে ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হত। তাই কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রোগ্রামিং ভাষার কথা ভাবতে থাকেন যার মাধ্যমে সব ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করা সম্ভব হবে। এরই ফলশ্রুতিতে বিজ্ঞানীরা তৈরি করেন ALGOL 60 (Algorithmic Language) এবং এরপর Combined Programming Language (CPL), কিন্তু CPL শেখা এবং ব্যবহার করা ছিল বেশ কঠিন। তাই এটা জনপ্রিয়তা পায়নি।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এর মার্টিন রিচার্ড CPL কে ভিত্তি করে ১৯৬৭ সালে তৈরি করেন Basic Combined Programming Language (BCPL) কিন্তু এটি ছিল মূলত Less Powerful to Specific এবং টাইপবিহীন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা।
এ সময়েই যুক্তরাষ্ট্রের বেল গবেষণাগারে বিজ্ঞানী টমসন তৈরি করেন বি (B) নামক একটি প্রোগ্রামিং ভাষা; এটি ছিল পূর্বের BCPL-এর একটি উন্নত সংস্করণ। ডেনিস রিচি পরবর্তীতে B এবং BCPL অনুসরণ করেন এবং নিজে থেকে আরো কিছু কৌশল ব্যবহার করে তৈরি করেন "সি" (C)। মূলত B-এর সীমাবদ্ধতা গুলো দূর করার উদ্দেশ্যেই "সি" এর উৎপত্তি।
 এটিও পড়ুন -ব্লগারদের টাকা আয়েয় ভালো নিশ্চিত একটি অ্যাড নেটওয়ার্ক সাইট
এই নিবন্ধটি  বিশ্ববিখ্যাত বিশ্বকোষ বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং জীবনের আপনি পান বড় সাফল্য, এই কামনাই করে কম্পিউটার জগত। আপনার কোন প্রশ্ন কিংবা সু উপদেশ থাকলে অবশ্যই জানাবেন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধ্যন্যবাদ।

Sunday, November 30, 2014

কীভাবে DOS এ কপি পেস্ট করবেন - একটি দুর্দান্ত টিপস

Disk Operating System (DOS) কে বর্তমানে আমরা কম্যান্ড প্রম্পট (Command prompt) হিসেবেই জানি। সাধারণত Command Prompt (DOS) এ ডিফল্ট Windows এ কপি পেস্ট করা যায় না। Command Prompt আমাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের পরিসরে খুবই কাজে লাগে এবং কপি পেস্ট করার ও প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে কপি পেস্ট না করতে পেরে আমরা তখন কীবোর্ড এর দ্বারা টাইপ করি ,এতে অনেক সময় অপচয় হয়। এই পোস্টে আমরা শিখবো- কীভাবে DOS (Command Prompt) এ কপি পেস্ট করা যায়। এর আগের পোস্টে অনেক বার DOS নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তাই এ নিয়ে আর বিশেষ কিছু লিখছি না। চলুন এবার শিখে নেওয়া যাক।
এটিও পড়ুন -DOS কি? এসো নিজে নিজে DOS শিখি

কীভাবে DOS এ কপি পেস্ট করবেন?

  • প্রথমে Command Prompt বা DOS ওপেন করুন। অথবা
  • RUN কম্যান্ড বক্সে CMD টাইপ করে DOS ওপেন করুন।
  • Command Prompt  এর টাইটেল বারে মাউসের রাইট  ক্লিক করে Properties এ যান। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করতে পারেন।

Disk Operating System
  • এরপর Pop up Window থেকে  Edit Options এর অন্তর্গত Quick Edit Mode অপশনে  ক্লিক করুন। তারপর OK বতামে ক্লিক করুন।
  • ব্যাস সবকিছুই কমপ্লিট । এখন যেকোন জায়গার কপি করা অংশ (CTRL+C) Command Prompt (DOS) পেস্ট করুন মাউসের রাইট বতাম ক্লিক করে।
নোট - মাউসের রাইট বতাম ক্লিক করলেই পূর্বের কপি করা অংশ টি পেস্ট হবে।
এখন এখানেই। কোন অসুবিধে হলে কমেন্ট করুন। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধ্যন্যবাদ।

Tuesday, November 11, 2014

ডস এর গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনাল কম্যান্ড ( Internal Command)

কিভাবে DOS ওপেন করতে হয়? ডস শিক্ষার পর্ব -২

প্রথমে Start অপশনে ক্লিক করুন। এরপর  Run এর ক্লিক করুন। এরপর Open বক্সে cmd টাইপ করুন তারপর এন্টার চাপুন । অথবা Win + R চাপুন তারপর Open বক্সে CMD টাইপ করুন। দেখবেন নিচের মতো স্কিন দেখতে পাবেন।
DOS

DOS এর আভ্যন্তরীণ নির্দেশ ও তার ব্যবহার ( Internal Command):

১। DATE
syntax:-Date [MM-DD-YY]
এই  কম্যান্ডটি System এর বর্তমান তারিখ দেখায়। এছারা এই কম্যান্ড দ্বারা তারিখ পরিবর্তন করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>Date (Enter)
২। Time
syntax:-Time [hh-mm-ss]
এই  কম্যান্ডটি System এর বর্তমান সময় দেখায়। এছারা এই কম্যান্ড দ্বারা সময় পরিবর্তন করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>Time (Enter)
৩। Vol (Volume)
syntax:-Vol [Drive]
এই  কম্যান্ডটি System এর ডিস্কের Volume Label Name দেখতে পাওয়া যায়।
উদাহরণঃ C:\>Vol (Enter)
৪। CLS(Clear Screan)
syntax:-Cls 
এই  কম্যান্ডটি সাহায্যে কম্পিউটারে স্কিন পরিষ্কার করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>CLS (Enter)

৫। MD বা MKDIR (Made Directory)
syntax:-MD [drive :] New Subdirectory Name
এই  কম্যান্ডটি সাহায্যে ডিরেক্টরি বা সাব-ডিরেক্টরি তৈরি করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>MD  Newdir (Enter) 
                 C:\> Computerjajot (Enter)
Note-Newdir বা computerjajot নামক ডিরেক্টরি তৈরি করা যায়।
৬। CD বা CHDIR (Change Directory)
syntax:-CD Subdirectory Name
এই  কম্যান্ডটি সাহায্যে ডিরেক্টরি বা সাব-ডিরেক্টরির মধ্যে প্রবেশ করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>CD Newdir (Enter)
Note-Newdir নামক ডিরেক্টরিতে প্রবেশ করা যায়।
৭। RD  (Remove Directory)
syntax:-RD Subdirectory Name
এই  কম্যান্ডটি সাহায্যে ডিরেক্টরি বা সাব-ডিরেক্টরির ডিলিট (Delete) করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>RD Newdir (Enter)

৮। VER (Verson)
syntax:-Ver [Drive]
এই  কম্যান্ডটি অপারেটিং System এর নাম ও ভার্সন( সংস্করণ )  দেখতে পাওয়া যায়।
উদাহরণঃ C:\>Ver (Enter)
৯। Copy Con
syntax:-Copy Con [New File Name]
এই  কম্যান্ডটি নতুন ফাইল তৈরি করা যায় ।
উদাহরণঃ C:\> Copy con computerjajot (Enter)
Note- Computerjajot ফাইল নেম।
১০। Type
syntax:-Type [File name]
এই  কম্যান্ডটি দ্বারা কোন ফাইল কে ওপেন করা যাবে। এবং ঐ ফাইলের ভিতর কি কি লেখা আছে তা দেখা যাবে।
উদাহরণঃ C:\>Type computerjajot (Enter)
১১। REN (Rename)
syntax:-Ren [ Old file name New file name]
এই  কম্যান্ডটি ব্যবহার করে পুরনো ফাইলের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম করন করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>Ren Computerjajot Desktop  (Enter)

১২। DEL বা Delete
syntax:-DEL [ File name]
এই  কম্যান্ডটি ব্যবহার করে কোন ফাইল ডিলিট (মুছে দেওয়া) করা যায়।
উদাহরণঃ C:\>Ren Computerjajot Desktop  (Enter)

১৩। DIR(Disk Information Report)
Syntex: DIR [Drive:]
এই কমান্ডের সাহায্যে কম্পিউটার ডিস্কে উপস্থিত সমস্ত ফাইল, ডিরেক্টরি ও সাব-ডিরেক্টরি নামের সুচি (list) দেখা যায়।
উদাহরণ-
                 Dir/P - Pagewise ডিস্কের ফাইলগুলি দেখতে পাওয়া যাবে।
                 Dir/W - Widthwise ডিস্কের ফাইলগুলি দেখতে পাওয়া যাবে।
                 Dir/H - ডিস্কে উপস্থিত হিডেন ফাইলগুলি দেখতে পাওয়া যাবে।
নেক্সট পোস্ট- ডস এর ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল এর বাকি কম্যান্ড গুলি আলোচনা করা হবে।
এটিও জানুন- Microsoft Power Point কি? জেনে নিন পাওয়ার পয়েন্টের অজানা কিছু তথ্য
কোন সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। কেমন লাগলো জানাবেন। ভালো লাগলে শেয়ার করে বন্ধুদের জানাবেন । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ।

Tuesday, November 4, 2014

DOS কি? এসো নিজে নিজে DOS শিখি

DOS কি?

DOS বাংলায় ডস অর্থাৎ Disk operating Sytem । Computer উদ্ভবনের সময়ে যে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হত সেই অপারেটিং সিস্টেমের নাম DOS বা ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। DOS হচ্ছে একটি single ইউজার opereting system যেটা আগের শতাব্দীর অর্থাৎ নব্বই দশকের শুরুতে বিকশিত পার্সোনাল computer এর জন্য তৈরি করা হয়েছিলো। DOS হচ্ছে machie language program এর সংগ্রহ যা ব্যবহার কারির বা application program এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ গুলির মধ্যে interface এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম এর operation নিয়ন্ত্রণ করে।
ডস

DOS এর বিভিন্ন verson (সংস্করণ)

DOS এর বিভিন্ন verson রয়েছে। 1981 সালে USA (United States of America) র মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নামক একটি company সর্ব প্রথম DOS এর প্রথম verson MS-DOS 1.0 প্রকাশ করেন । এবং সর্ব শেষ verson হল 7.0 । এরপর 1995 সালে উইন্ডোজ ৯৫ (Windows 95)  নামে একটি উন্নত মানের GUI (Graphical User Interface) ভিত্তিক ডস চালু হয়।

DOS কে কত ভাগে ভাগ করা যায়?

DOS কে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
  • MS-DOS(Microsoft Disk Operating System)
  • PC-DOS (Personal Computer Disk Operating system)

DOS এর বৈশিষ্ট-

  • DOS এর নিজস্ব কতগুলি command রয়েছে। কমেন্ট গুলি সর্বদা ব্যবহার করা হয়।
  • ডস CUI(Command User Interface) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
  • ডস একটি Single User Single Task অপারেটিং সিস্টেম।
  • ডস কীবোর্ড দ্বারা টাইপ করে বিভিন্ন কাজ করা হয়।
  • ডস এর বিভিন্ন বিভিন্ন ইউটিলিটি প্রোগ্রাম থাকে। আর এই প্রগাম গুলি নিজের সুবিধা মতো ব্যবহার করা যায়।
এটিও জানুন- Slow কম্পিউটার নিমিষে সুপার ফাস্ট করে নিন সফটওয়্যার ছারা ১ মিনিটে
পরের পর্বে DOS এ্র বিস্তারিত অংশ পড়ুন। কোন জিজ্ঞাসাবাদ থাকলে সমস্যা ও সমাধান বিভাগে জানাবেন। ভালো লাগলে প্লিস শেয়ার করে কৃতজ্ঞতা জানাবেন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ।