Friday, April 22, 2016

স্মার্ট ফোনেই আঁকুন মনের মত ছবি Silk Paint Drawing App এর সাহায্যে

স্মার্ট ফোন দিয়েই PC এর প্রায় ৭০ % কাজ সেরে ফেলা যায়। অফিসের ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট থেকে শুরু করে ছবি আঁকতেও স্মার্ট ফোনের জুরি নেই। আপনি কি ছবি আঁকতে ভালবাসেন ? প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ছবি আঁকতে এখন আর রং তুলির প্রয়োজন পড়ে না। ডিজটাল ডিভাইস দিয়েই তা সহজে সেরে ফেলা যায়। এমনকি মুঠোবন্দী স্মার্টফোনের সাহায্যেও আকাঁ যায় মনের মতো ছবি। এ জন্য রয়েছে নানা অ্যাপ্লিকেশন অর্থাৎ যাকে সংক্ষেপে অ্যাপ বলি। এর মধ্যে জনপ্রিয় একটি হলো ‘Silk paints drawing’ নামের অ্যাপটি বেশ কাজের। এই চমৎকার drawing app এর সাহায্যে আপনার display তে ফুটিয়ে তুলতে পারেন আপনার অসাধারন সৃষ্টি শীলতাকে । [ MS Paint এর কিছু মজার টিপস - এমএস পেইন্ট ] তাহলে এক নজরে দেখে নিন অ্যাপটির ফিচার সমূহ- 
স্মার্ট ফোনেই আঁকুন মনের মত ছবি
 এটিও পড়ুন - মোবাইলে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর গোপন টিপস
  • অ্যাপ্লিকেশনটি যে কোনো টার্চ পেন সমর্থন করে। ফলে আঙ্গুলের স্পর্শের পাশাপাশি টার্চ পেন দিয়েও ছবি আকাঁ যাবে।
  • ছবি আকাঁর পর তা সরাসরি বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে।
  • কাস্টমাইজ করে নানা আল্পনাও আকাঁ যাবে এটির সাহায্যে।
  • ছবি তোলার পর তা এডিটিং করা যাবে।
  • অ্যাপটি খুব সাধারণ এবং হালকা। তাই সহজে ব্যবহার করা যাবে ও স্মার্টফোন ল্যাগ করবে না।
  • মাল্টিটাচ নেভিগেশন এবং জুম ফিচার রয়েছে অ্যাপটিতে।
  • আ্যাপটির সাহায্যে লাইভ ওয়ালপেপার তৈরি করা সম্ভব। এছারাও রয়েছে অনেক সুবিধা যা আপনি ব্যাবহার না করলে বুঝতে পারবেনা ।
ডাউনলোড লিঙ্ক-

Friday, May 15, 2015

গুগল ম্যাপ ট্রানজিট বলে দেবে ট্রেনের সময়, প্ল্যাটফর্ম নম্বার ও মেট্রো স্টেশনের যাবতীয় তথ্য

গুগল ম্যাপ ট্রানজিট

গুগল ম্যাপ ট্রানজিটে ( Google Transit ) এবার থেকে দেখা যাবে ভারতীয় রেলের সময়সূচি। ভারতের ৮টি শহরের মোট ১২ হাজার ট্রেনের সময় জানাবে গুগল ম্যাপ ট্রানজিটের আপডেটেড ভার্সন। রেলের সঙ্গে মু্ম্বই, পুনে, দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, আমেদাবাদ, চেন্নাই শহরের বাস রুটও বলে দেবে গুগল ট্রানজিট ম্যাপ। এই পরিষেবার সাহায্যে জানা যাবে বাস স্টপ, ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম ও মেট্রো স্টেশনের যাবতীয় তথ্য। সারা বিশ্বে ২ হাজার ৮০০ শহরের যানবাহনের খবর দেয় গুগল ট্রানজিট।

কীভাবে ব্যবহার করবেন গুগল ট্রানজিট-
  • গুগল ম্যাপের সার্চ বারে গিয়ে নিজের গন্তব্য টাইপ করুন। 
  • গেট ডিরেকশন(Get Directions) অপশনে ক্লিক করলে পাবলিক ট্রানজিট(Public Transit) অপশন আপনাকে বলে দেবে কীভাবে বাস, ট্রেন বা মেট্রোর সাহায্যে আপনার গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন আপনি। হেঁটে কীভাবে যাওয়া যাবে তাও জানিয়ে দেবে গুগল ট্রানজিট। এমনকী, কত সময় লাগবে গন্তব্যে পৌঁছতে তাও বলে দেবে এই পরিষেবা।
এটিও পড়ুন -নিরাপদে রাখুন এন্ড্রোয়েড ফোন Pocket Lock সফটওয়্যার দিয়ে একদম ফ্রী

অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন গুগল ম্যাপ ট্রানজিট। স্মার্টফোনের সেটিং অপশনে গিয়ে ল্যাঙ্গোয়েজ অ্যান্ড ইনপুট(Language and input) অপশন থেকে সিলেক্ট করে হিন্দি ভাষাতেও পাওয়া যাবে এই পরিষেবার সুবিধা। তথ্যসূত্র -২৪ ঘণ্টা

গুগল ম্যাপ ট্রানজিট ডাউনলোড লিঙ্ক

কম্পিউটার থেকে সরাসরি গুগল ম্যাপ ট্রানজিট ম্যাপ দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।


Friday, April 10, 2015

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য কিছু জনপ্রিয় বাংলা কীবোর্ড - সম্পূর্ণ বিনামূল্যে !!

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেরেই চলছে। কিন্তু বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ঠিকঠাক বাংলা লিখতে পারেনা। ব্যাপারটা কিছুটা বিরক্তিকর সত্যি। কারন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বিল্ট ইন বাংলা কী বোর্ড থাকে না। প্রয়োজনে আমাদের সংগ্রহ করে নিতে হয়। তাই আপনাদের জন্য ব্যবহার উপযোগী এবং জনপ্রিয় কয়েকটি অ্যান্ড্রয়েডের বাংলা কী বোর্ড  নিয়ে আলোচনা করেছি। এবার থেকে আপনিও বিনা-বাঁধায় ঝকঝকা সুন্দর বাংলা লিখতে পারবেন।
বহুল জনপ্রিয় ও ব্যবহারে সহজ তিনটি বাংলা কী বোর্ড যেমন- মায়াবী কীবোর্ড, রিদমিক কীবোর্ড, অভ্র কীবোর্ড নিয়ে আলোচনা করছি। চাইলে সবগুলো কীবোর্ড ব্যবহার করে দেখতে পারেন। যেটা আপনার ভাল লাগবে সেটি ব্যবহার করবেন।

মায়াবী বাংলা কীবোর্ডঃ

অ্যান্ড্রয়েডের ( Android ) বাংলা লিখার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কীবোর্ড হল মায়াবী কীবোর্ড। এই কীবোর্ডের সাহায্যে সহজে বাংলা দ্রুত লেখার জন্য রয়েছে ১) বাংলা ও ইংলিশ শব্দের prediction/ suggestion , ২) রয়েছে Cut, Copy, Paste এর সুবিধা, ৩) বিভিন্ন রকমের থিম সহ যেমন -জিঞ্জারব্রেড, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ ও রিদ্মিক থিম , ৪) চাইলে একই সাথে ফনেটিক, উনিজয় ও জাতীয় লেআউটে লেখা যায় এছাড়াও রইয়েছে অনেক ফিচার। যার কারনে মায়াবী কী বোর্ডের তুলনা সে নিজেই।

মায়াবী বাংলা কীবোর্ডের স্ক্রীনশটঃ

মায়াবী কীবোর্ড

ডাউনলোড লিঙ্ক ১) গুগল প্লে-স্টোর হতে ইনস্টল 
ডাউনলোড লিঙ্ক ২) কিংবা এখানে ক্লিক করুন ...

অভ্র বাংলা কীবোর্ডঃ

অতি পরিচিত বাংলা কীবোর্ড হল অভ্র বাংলা কী বোর্ড কম্পিউটারে যারা অভ্র ব্যবহার করে অভ্যস্থ তারাই একমাত্র জানেন অভ্রের মজা কি! নিম্নে অভ্রের বেশ কিছু চমৎকার ফিচার তুলে ধরা।

অভ্র বাংলা কীবোর্ডের স্ক্রীনশটঃ
অভ্র কীবোর্ড

অভ্র কিবোর্ডের কিছু বিশেষ বিশেষ ফিচারঃ

  • অভ্র ফনেটিক স্টাইলে বাংলা লিখার সুবিধা রয়েছে।
  • অন্য কোন বাংলা কীবোর্ড এর দরকার নেই।
  • মোবাইলের ইংলিশ কীবোর্ড ব্যাবহার করেই বাংলা লেখা যায়।
  • এখানে যুক্তাক্ষর লেখা খুবই সহজ।
  • রয়েছে টেক্সট কপি করার বিশেষ সুবিধা।
  • সহজে টেক্সট শেয়ার করা যায় (Facebook, Gmail, Google+, Message, Email, Facebook Messenger ইত্যাদি)
  • লেখার সময় খুব সহজেই লেখার মাধ্যম (বাংলা / English) পরিবর্তন করা যায়।
ডাউনলোড লিঙ্ক ১) গুগল প্লে-স্টোর হতে ইনস্টল 
ডাউনলোড লিঙ্ক ২) কিংবা এখানে ক্লিক করুন ...

রিদ্মিক কীবোর্ডঃ

রিদমিক কীবোর্ডটাও ঠিক মায়াবী কীবোর্ডের মতই। আপনারা যারা বিজয় ব্যবহার করেন, তাদের জন্যও রয়েছে সুব্যবস্থা। নিম্নে বেশ কিছু বিশেষ ফিচার আলোচনা করা হল-

রিদ্মিক কীবোর্ডের স্ক্রীনশটঃ

রিদমিক কী বোর্ড

রিদ্মিক কিবোর্ডের কিছু বিশেষ ফিচারঃ
  • এটি ইউনিজয় ও ফোনেটিক লেআউট সাপোর্ট করে। ফলে বিজয় ব্যবহারকারীরাও সহজে বাংলা লিখতে পারবেন।
  • এই কিবোর্ডে রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইন যা আপনার ডিভাইসের থিমের সঙ্গে সহজেই মানানসই করে নিতে পারবেন।
ডাউনলোড লিঙ্ক ১) গুগল প্লে-স্টোর হতে ইনস্টল 
ডাউনলোড লিঙ্ক ২) কিংবা এখানে ক্লিক করুন ...
কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন। ভালো ও সুস্থ থাকুন ধ্যন্যবাদ।

Sunday, March 22, 2015

Flipkart নিয়ে এলো APP ধামাকা !! Big APP Shopping Days Discount offer 2015

ফ্লিপকার্ট  ( Flipkart ) হচ্ছে অনলাইনে কেনাকটা অর্থাৎ শপিং করার সবচেয়ে বড় এবং ভারতের জনপ্রিয় ই-কমার্স (E-Commerce ) সাইট। এটি  2007 সালের কর্ণাটকের Bangalore শহর থেকে প্রথম চালু হয় এবং যার মালিকানা হলেন Sachin Bansal এবং Binny Bansal । ফ্লিপকার্ট এর মাধ্যমে ঘরে বসে যে কোন জিনিস (যেমন- মোবাইল , কম্পিউটার , ইলেকট্রনিক্স পর্ণ, বই , পড়নের কাপর ইত্যাদি ) যে কোন সময় নিজের পছন্দ সই পর্ণ ক্রয় করা যায় । এখানে যেকোন দ্রব কেনাকাটার উপর সময় বিশেষে বিশেষ ( ২০% থেকে ৮০% পর্যন্ত ) ছার পাওয়া যায়।
Flipkart নিয়ে এলো APP ধামাকা !!

ফ্লিপকার্ট নিয়ে এলো Big APP Shopping Days মহা সেল Discount ধামাকা । ২৩ শে মার্চ থেকে ২৫ শে মার্চ ২০১৫ তারিখের মধ্যে Flipkart APP এর মাধ্যমে যে কোন কেনাকাটা করলে তার উপর পাওয়া যাবে বড় ধরনের মহা ছার। এই সুবিধাটি যে কেউ পেতে পারেন। ফ্লিপকার্ট এ কেনাকাটার করার বিশেষ সুবিধা হল যেটি - এখানে আপনি Credit Card কিংবা Debit card ছারাও Cash on delivery মাধ্যমে কোন ঝুকি ছারাই কেনাকাটা করতে পারবেন।
এটিও পড়ুন -ফ্রি আনলিমিটেড Hosting আপনার ওয়েব সাইটের জন্য

ডাউনলোড Flipkart App
For All Users : Visit Flipkart for download information

Flipkart App


 For Android Users : Download from Play Store

Flipkart sale 2015 

For Apple Users : Download via Appstore

যেভাবে Big APP Shopping Days ডিসকাউন্ট অফার পাবেন ?

  • প্রথমে Flipkart App ডাউনলোড করুন।
  • এরপর Flipkart App এ লগইন করুন।
  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি ভাউচার কোড (voucher codes) পাবেন। 
  • সেই কোডটির মাধ্যমে কেনাকাটা করুন।

ব্যাস কাজ শেষ !! এরপর নিজের পছন্দ সই পর্ণ কেনাকাটা করুন আর প্রত্যেকটি কেনাকাটায় বিশেষ ছার নিন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ধ্যন্যবাদ।

Friday, February 13, 2015

সফটওয়্যার ছাড়াই PC তে চালান Whatsapp একদম ফ্রি !!!


Whatsapp  কি ?

Whatsapp কি কমবেশি সকলেই জানি, এটি নিয়ে নতুন করে আমার বলার কিছু নেই । তবু সংক্ষিপ্ত ভাবে বলছি- Whatapp হচ্ছে messaging app যার মাধ্যমে আমার সহজে SMS পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারি। WhatsApp Messenger টি Android সাপোর্ট  বিভিন্ন মোবাইল ফোন যেমন - iPhone, BlackBerry, Windows Phone, Android এবং Nokia দ্বারা চালনা করা যায়। কিন্তু এই APP টি কম্পিউটারে কিংবা ল্যাপটপে চলে না। 
কিন্তু অনেক বন্ধু আছেন যাদের Android ফোন নেই অথচ Whatapp messenger টি ব্যবহার করতে ইচ্ছে করছে। তাদের জন্যই আজকের এই পোষ্ট। আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে । তাহলে চলুন শুরু করা যাক । কিভাবে Whatapp কম্পিউটারে চালনা করা যায়
Whatsapp
 পদ্ধতি ১।
  • আপনি যে APP ব্যবহার করতে চান তা প্রথমে Google Play থেকে আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিন। এখানে আমি Whatapp এর উদাহরণ দিয়ে দেখালাম। প্রথমে whatsapp লগইন করুন।
  •  তারপর whatsapp সাইটের উপরে মেনুর নিচে App এ ক্লিক করুন এবং আপনি whatsapp হোম থেকে একটি এনড্রয়েড  ডিভাইস এর অ্যাপ ডাউনলোড করে নিন। আপনি অন্য অ্যাপও ডাউনলোড করে চেক করতে পারেন । 
পদ্ধতি ২।

  • এরপর আমাদের একটি ওয়েবসাইট এর সাহায্য নিতে হবে যার নাম manymo । এখান আপনি manymo সাইটে প্রবেশ করুন। কিংবা এখানে ক্লিক করে manymo সাইটে প্রবেশ করুন।  
  • manymo সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট বানান। যেভাবে Facebook বা অন্যান্য সাইটে অ্যাকাউন্ট বানান ঠিক সেই ভাবেই অ্যাকাউন্ট বানাবেন। 
  • তারপর আপনার অ্যাকাউন্ট করা ইমেলে গিয়ে অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ করে নিন এবং লগইন করুন ।

Whatsapp

  • এবার ডাউনলোড করা Whatsapp অ্যাপটি PC তে যেখানে সেভ করেছেন সেখান থেকে Upload করুন । একটু অপেক্ষা করুন নেট স্পীড এর উপর নির্ভর করবে আপলোড হতে । যাই হোক আপলোড হয়ে গেল আপনি ডিভাইস সিলেক্ট করুন নিচের চিত্রের মত -
Whatsapp





ব্যাস!!!! Upload হয়ে গেলেই আপনি আপনার আপলোড করা APP টি সেই ডিভাইসে দেখতে পারবেন ও ব্যবহার করতে পারবেন। এভাবে আপনি যে কোন APP আপনার PC তেওপেন করে ব্যবহার করতে পারবেন । 

Monday, January 19, 2015

Android শিক্ষা ( A to Z ) অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার কারিদের জন্য মেগা পোষ্ট

Androidপ্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোনের চাহিদা দিন দিন বেরেই চলছে। আমরা অ্যান্ড্রয়েড তো ব্যবহার করি ঠিকই, কিন্তু এখনো অনেকই অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কিত বহুল ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দাবলী জানেন না। বিশেষ করে নতুন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা, যারা অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে ততটা জানেন তাদের জন্য এই মেগা পোষ্ট। আসুন এবার শুরু করা যাক।
এটিও পড়ুন- ভ্রমণ করবেন ভবছেন ? হোটেল ফ্লাইট বুকিং থেকে সবকিছুই এখন সহজ

 Android কি ?

অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে গুগলের একটি অপারেটিং সিস্টেম। আমরা কম্পিউটারে যেমন উইন্ডোজ, উবুন্টু, লিনাক্স ম্যাক ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি, তেমনি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজের যেমন এক্সপি, ভিসতা, ৭ ও ৮ ইত্যাদি সংস্করণ রয়েছে, ঠিক তেমনি অ্যান্ড্রয়েডেরও বিভিন্ন সংস্করণ রয়েছে। জনপ্রিয়তা পাওয়া সর্বশেষ কয়েকটি সংস্করণের নাম অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৪), অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ (৪.০) এবং অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন (৪.১, ৪.২, ৪.৩), কিটক্যাট (৪.৪-৪.৪.৬)
এটিও পড়ুন -আজীবন আয় করুন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট থেকে

 A দিয়ে শুরুঃ-
AGPS: এ-জিপিএস মূলত অ্যাসিসটেড জিপিএস এর সংক্ষিপ্ত রুপ। এই প্রযুক্তি যেসব ডিভাইসে রয়েছে সেসব ডিভাইসের জিপিএস দ্রুত অবস্থান নির্ণয় করতে পারে। এ কাজের জন্য প্রযুক্তিটি মোবাইল নেটওয়ার্কের সাহায্য নেয়া। মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান জেনে জিপিএস স্যাটেলাইটগুলো সহজেই ডিভাইসের সম্ভাব্য অবস্থান নির্ণয় করতে পারবে।
APK: অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্সটলযোগ্য ফাইল এক্সটেনশন। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা যেমন .exe ফাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকেন, ঠিক তেমনি অ্যান্ড্রয়েডে .apk ফাইল ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশান ইন্সটল করা হয়।
ADB: অ্যান্ড্রয়েড ডিবাগ সেতু. এটি বহুল ব্যবহৃত একটি টুল যা একটি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার থেকে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে সংযোগ করে ও কমান্ড পাঠায়।
Android Market: অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের জন্য Google-এর সংগ্রহস্থলের জন্য আসল নাম। মার্চ 2012 সালে এটি Google Play Store নামে পরিবর্তিত হয়।
AOKP: AOKP এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Android Open Kang Project. অন্যতম কাস্টম রম ডেভেলপার গ্রুপ। যে গ্রুপটি অ্যান্ড্রয়েডের ওপেন সোর্স ডেভেলপ ও কাস্টোমাইজ করে বিভিন্ন সেটের উপযোগী কাস্টম রম রিলিজ করে।
Apps: Apps হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশান এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যা আপনি ডাউনলোড করে আপনার স্মার্টফোনে চালান। এটা ফ্রী বা কিনতে পাওয়া যায়।
B দিয়ে শুরুঃ-
Bootloader: বুটলোডার হচ্ছে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরির একটি অংশ যা ফোনের অপারেটিং সিস্টেমকে চালু করে। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে, ডিভাইসের (হার্ডওয়্যার) অপারেটিং সিস্টেম (অ্যান্ড্রয়েড) চালু করায় যা তাই বুটলোডার। অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই ছোটখাট পরিবর্তন আনার জন্য ডিভাইস রুট করা হয়ে থাকে। এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের জন্য বুটলোডার আনলক করার দরকার হয়। সাধারণত এই কাজে ডিভাইসের ওয়ারেন্টি বাতিল হয়। তবে অনেক ডিভাইসই আবার বুটলোডার লক করে আনরুট করে ওয়ারেন্টি ফিরিয়ে আনা যায়।
Brick: Brick এর অর্থ হচ্ছে ইট। আর ফোন বা ডিভাইস ব্রিক করা মানে একে অনেকটা ইটে রূপান্তরিত করা। মূলত রুট বা এ জাতীয় অ্যাডভান্সড কাজ করার সময় অসাবধানবশত ফোন ব্রিক হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রিক হওয়া ফোন ঠিক করা যায়। তবে হার্ড ব্রিক হলে সে ফোন ঠিক হওয়ার সুযোগ কমই থাকে। সাধারণত হার্ডওয়্যারে সমস্যা হলে, যেমন মাত্রাতিরিক্ত ওভারক্লকিং-এর ফলে সিপিইউ অনেক গরম হয়ে বন্ধ হয়ে গেলে ফোন হার্ড ব্রিক হয়ে থাকে।
Bug: Bug শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে পোকা। আর স্মার্টফোনে Bug এর মানে হচ্ছে কোন ভুল বা ত্রুটি। সহজ ভাষায় কোন Apps ঠিকমতো কাজ না করাকে স্মার্টফোনে Bug বলা হয়ে থাকে।
C দিয়ে শুরুঃ-
Custom: সাধারণত ডিভাইসের সঙ্গে আসেনি এমন জিনিসগুলোকেই কাস্টম বলা হয়। যেমনঃ- যে রম ডিভাইসে দেয়া থাকে না তাকে কাস্টম রম বলে। রম সম্পর্কে জানতে ডকে দেখুন।
Custom Rom: গুগল তথা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কতৃক ব্যতীত অন্য যেসব রম ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা ব্যবহারের সুবিদা পেয়ে থাকেন, সেগুলোকে কাস্টম রম বলে। উল্লেখ্য যে, সাধারণত কোম্পানি কতৃক দেয়া রম থেকে কাস্টম রমে অনেক সুযোগ সুবিদা থাকে।
Customize: নিজের মতো করে আলাদাভাবে বিভিন্ন সেটিংস ঠিকঠাক করা ও সাজানো। আপনার ডিভাইসের সিপিইউ কত দ্রুত বলে হিসেব করা হয়। ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে সিপিইউ’র এই ক্লক স্পিড নিজের ইচ্ছেমতো বাড়ানো-কমানো যায়। এ নিয়ে নিচে ওভারক্লক ও আন্ডারক্লক বিষয়ে দেখুন।
CPU: সিপিইউ আপনার ডিভাইস পরিচালনার মূল কাজটি করে থাকে। এটিই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার ডিভাইস কতটা দ্রুত কাজ করতে পারবে, কতটুকু কাজের ভার একসঙ্গে নিতে পারবে ইত্যাদি।
CaynozenMod/CM: সায়ানোজেন মূলত একজন রম ডেভেলপারের নাম যিনি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মাঝে সর্বাধিক জনপ্রিয়। বর্তমানে তিনি তার কিছু নিবেদিত ডেভেলপারদের সঙ্গে এক হয়ে সায়ানোজেনমড নামের এই কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। সংক্ষেপে একে সিএম বলেও ডাকা হয়। এর বিভিন্ন সংস্করণ একটি সংখ্যা দিয়ে বোঝানো হয় সেটি অ্যান্ড্রয়েডের কোন সংস্করণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেমনঃ আইসক্রিম স্যান্ডউইচের জন্য CM9, জেলি বিনের জন্য CM10, কিটক্যাটের জন্য CM11 ইত্যাদি।
D দিয়ে শুরুঃ-
Device: যে কোন গ্যাজেট বা প্রযুক্তি পণ্যকেই ডিভাইস বলা যেতে পারে। একটি ঘড়ি যদি অ্যান্ড্রয়েডে চালিত হয় তাহলে আমরা ঘড়িটিকে ডিভাইস বলতে পারি। তবে স্বাভাবিক অর্থে ডিভাইস বলতে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসিকে বোঝানো হয়ে থাকে। এটি নির্ভর করে কি ধরনের ডিভাইসের কথা বলা হচ্ছে এর উপর।
Dalvik Cache: রাইটেবল ক্যাশ যাতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সকল এপিকে ফাইলের বাইটকোড অপটিমাইজ করা থাকে। আপনার সকল অ্যাপ্লিকেশান দ্রুত লোড নিতে ও ভাল পারফর্ম করতে এই ক্যাশে সকল ইনফর্মেশন দেয়া থাকে।
E দিয়ে শুরুঃ-
External: এর অর্থ আলাদা। যেমন এক্সটারনাল মেমোরি স্লট বলতে বোঝায় আলাদা মেমোরি কার্ড লাগানোর জায়গা।
F দিয়ে শুরুঃ-
Flash: ফ্ল্যাশ করা বলতে কাস্টম রম, রিকোভারি ইমেজ ইত্যাদি ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে থাকা রম বা কোন সফটওয়্যারের অংশকে বদলে ইন্সটল করার পদ্ধতিকে বঝানো হয়।
Factory Reset: ফ্যাক্টরি রিসেট করলে এটি আপনার সকল যাবতীয় ইনফরমেশন ওয়াইপ বা মুছে ফেলবে। সাধারণত ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় যখন ফোন অনেক স্লো, কোন কিছু ক্র্যাশ এবং প্যাটার্ন লক না খোলা গেলে। ফ্যাক্টরি রিসেট সেটিং বা রিকভারি মড থেকে করা যায়।
Fastboot: বুটলোডারের আরেকটি মোড, যা কিনা আপনি নিজেই ম্যানুয়ালি এর বিভিন্ন কাস্টমাইজ করে ফ্ল্যাশ দিতে পারবেন।
FC: FC এর পূর্নরুপ হচ্ছে force close. যখন কোন অ্যাপ ক্র্যাশ করে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায় তখন এই লেখাটা আসে।
Firmware: ফার্মওয়্যার হল কোন একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সকল গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের সমষ্ঠি। ফোনের সকল System Ui, System Apps, Settings সবকিছুই এই ফার্মওয়্যারের অংশ। এককথায় ফার্মওয়্যার অ্যান্ড্রয়েডের প্রাণ। এই ফার্মওয়্যার এর কোন ফাইলে সমস্যা হলে ফোন স্লো হয়ে যায় বা ল্যাগ করে। তখন ডিভাইসের যেকোন কাজ করতে অসুবিধা হয়। যখন এই সমস্যাটা হয় তখন উচিত ফোন রিস্টোর দেয়া অথবা ফার্মওয়্যার আপডেট দেয়া।
Froyo: অ্যান্ড্রয়েড ফ্রোয় (২.২). এটা গুগল ১০মে ২০১০ সালে তাদের নেক্সাস ওয়ান ডিভাইসে রিলিজ করার মাধ্যমে ঘোষণা করে।
G দিয়ে শুরুঃ-
Google: আমাদের আধুনিক প্রযুক্তির বস এবং অ্যান্ড্রয়েড মালিক।
GPU: জিপিইউ হচ্ছে "গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট"- এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর কাজ হল আপনার ডিসপ্লেতে যেসব জিনিস আসবে তা প্রসেস করা, কিছুটা বলতে পারেন আরেকটি প্রসেসর যার কাজ শুধু গ্রাফিক্স যেমন মুভি, গেম গ্রাফিক্স এসব প্রসেস করা। জিপিইউ শক্তিশালী হলে উন্নতমানের গেমস এবং এইচডি মুভি চালাতে কোন সমস্যা হবে না।
Gingerbread: অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৪), অ্যান্ড্রয়েডের বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন। যেটা প্রথম নেক্সাস এস এ রিলিজ দেয়া হয়েছিল।
G1: এটি অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম স্মার্টফোন, যা HTC T-mobile এর জন্য ২০০৮ সালে বাজারে রিলিজ করে। এটি HTC Dream নামেও পরিচিত।
Galaxy: স্যামসাং এর অ্যান্ড্রয়েড বেসড স্মার্টফোন সিরিজ।
Gmail: গুগল ওয়েব বেসড ইমেইল সেবা।
Google Play: মুভি, অ্যাপস, গেমস এবং বই বিক্রির গুগলের অনলাইন শপ। এটি ২০১২ সালের মার্চ এর ৬ তারিখ যাত্রা শুরু করে। এটি মূলত অ্যান্ড্রয়েড মার্কেটের পরিবর্তিত রূপ যা প্লেষ্টোর নামে বহুল পরিচিত।
Google Now: আপনার বা আপনার কাঙ্খিত যেকোন অবস্থান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতেঅ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন এর গুগল সার্চ অ্যাপ এটি।
Google Wallet: প্লেষ্টোর সহ গুগলের বিভিন্ন সেবা কেনাকাটা করতে আপনার ভার্চুয়াল মানিব্যাগ এটি।
Gorilla Glass: CORNING থেকে তৈরি একটি স্ক্র্যাচ প্রতিরোধী কাচ যা এখন বেশিরভাগ স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট এ ব্যবহৃত হচ্ছে।
GPS: জিপিএস হচ্ছে গ্লোবাল পজিশানিং সিস্টেম। আপনার ফোনে থাকা জিপিএস স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আপনি পৃথিবীর যেই প্রান্তে থাকুন না কেন সে আপনার অবস্থান খুজে বের করবে।
Gyros/Gyroscope: জায়রোস্কোপ হলো কৌণিক অক্ষে নড়াচড়া বুঝতে পারে এমন একটি সেন্সর। এটি কৌণিক ত্বরণের উপর ভিত্তি করে কোন কিছুর অবস্থান নির্ণয় বা পরিমাপ করতে পারে। এক্সেলেরমিটারের কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যাক্সেলেরোমিটার ছয়টি অক্ষে অর্থাৎ ডানে বামে সামনে পিছনে উপরে নিচে পজিশন নির্ণয় করতে পারলেও কৌণিক অক্ষ নিরূপণ করতে ব্যর্থ। অন্যদিকে অ্যাক্সেলেরোমিটার এবং জায়রোস্কোপ একত্রে ব্যবহারের ফলে একটি স্মার্টফোনে মোট ৬ টি অক্ষে মোশন সেন্স করতে পারে যা শুধুমাত্র অ্যাক্সেলেরোমিটারের তুলনায় কিছুটা বেশি সূক্ষ্ম ফলাফল দিতে সক্ষম।
H দিয়ে শুরুঃ-
Hack/Hacking: অ্যান্ড্রয়েডে হ্যাকিং বলতে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে নতুন কাস্টমাইজেশান যুক্ত করকে বুঝায়।
Hard Reset: এটি একটি প্রক্রিয়া যার।মাধম্যে আপনার ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ফ্যাক্টরিতে বানানোর পর যেমন ছিল সে অবস্থায় নিয়ে যাওয়া। এটি করলে আপনার ফোনের সকল ড্যাটা ,লগিনইনস এবং পাসওয়ার্ড মুছে যাবে।
Honeycomb: অ্যান্ড্রয়েড হানিকম্ব (৩.২), শুধুমাত্র ট্যাবলেট পিসির জন্য বানানো রম বিশেষ। এটিই প্রথম ভার্শন যা ফুল ডুয়েল কোর প্রসেসর সাপোর্টেড। হানিকম্ব সংবলিত প্রথম ট্যাব হল Motorola Xoom.
I দিয়ে শুরুঃ-
iOS: অ্যাপলের আইফোন, আইপড টাচ ও আইপ্যাডের বিভিন্ন সংস্করণে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। একে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয়।
Internal: ফোনের সঙ্গে বিল্টইন থাকা মেমোরি যা থেকে ফোনকে আলাদা করা যায় না।
Ice Cream Sandwich: গুগল জিঞ্জারব্রেডের পর হানিকম্ব-এ ব্যাপক ফিচার যুক্ত করে কিন্তু হানিকম্ব বানানো হয়েছিল ট্যাবের জন্য। তাই স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীদের সন্তুষ্ট করেতে গুগল প্রায় একই ফিচার সংবলিত অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ (৪.০) রিলিজ করে। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ সংবলিত প্রথম স্মার্টফোন হল Samsung Galaxy Nexus.
IMEI: আইএমআইই হচ্ছে "ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকিউপমেন্ট আইডেন্টি"। মূলত প্রত্যেক ফোনে একটি করে ইউনিক আইডেন্টফিকেশান দেয়া থাকে ফোনটিকে শনাক্ত করতে।
IPS: আইপিএস হচ্ছে "ইন-প্লেন সুইচিং", মুলত.এটি উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন ডিসপ্লে বিশেষ। এটি আপনাকে সবচেয়ে ভাল এঙ্গেল ভিউ ও কালার দিবে। এটি সর্বপ্রথম আইফোনে ব্যবহৃত হয়েছে, পরবর্তীতে এখন অ্যান্ড্রয়েড বেসড সকল হাই রেঞ্জের স্মার্টফোনে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
J দিয়ে শুরুঃ-
Jelly Bean: অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন (৪.১, ৪.২, ৪.৩), অ্যান্ড্রয়েডের আরেকটি বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন। এতে অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সেবা Google Now ও Project Butter সংযোজন করে বাজারে রিলিজ করা হয়।
দিয়ে শুরুঃ-
Kernel: কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসে কার্নেল হচ্ছে সে জিনিস যা অ্যাপ্লিকেশান বা অপারেটিং সিস্টেম এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করে। মোবাইলের ক্ষেত্রে, আপনি যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশান টাচ করেন, তখন সেই টাচ কোথায় হয়েছে এবং তার কী কমান্ড রয়েছে সেই নির্দেশটি হার্ডওয়্যারে পৌছানোর কাজটিই এই কার্নেল করে থাকে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোন ও ট্যাবলেট লিনাক্সের বিভিন্ন কার্নেলের উপর তৈরি করা হয়ে থাকে।
Kitkat: KitKat হচ্ছে Android Version-4.4.x, এর Released Date ৩১শে অক্টোবর,২০১৩।
L দিয়ে শুরুঃ-
Launcher: অ্যান্ড্রয়েডে Launcher হচ্ছে সেই জিনিস যা আপনার মোবাইলের "Main View' প্রদর্শন করে। আপনার ফোনের বিভিন্ন Featuresকে মোবাইলের Home Screen ফুটিয়ে তুলতেই মূলত Launcher ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- ADW Launcher, Launcher Pro, Go Launcher, SPB Shell 3D Regina 3D, Launcher 7 ও Next Launcher 3D।
Linux: কম্পিউটারের চারটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে লিনাক্স একটি। এই অপারেটিং সিস্টেমটি ওপেন সোর্স ভিত্তিক। বহুল আলোচিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড এই লিনাক্স কমান্ড দিয়েই তৈরি। অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স ভিত্তিক বলে আমরা এটির সোর্স কোড বের করে ইচ্ছে মত কাস্টমাইজ করতে পারি।
Live wallpapers: এনিমেটেড ওয়ালপেপার যা অ্যান্ড্রয়েডের অন্যতম ফিচার। এটি অ্যান্ড্রয়েড ২.২ থেকে ব্যবহার শুরু হয়েছে।
Lollipop: Android Version 5.0 কে বলা হয় Lollipop (ললিপপ)। Lollipop এর রিলিজের তারিখ- ১২ই নভেম্বর, ২০১৪।
দিয়ে শুরুঃ-
Malicious: ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা ডিভাইসের তথ্য হ্যাকারদের কাছে পাচার করতে পারে অথবা ডিভাইসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের দখলে দিয়ে দিতে পারে।
MiUi: অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয় কাস্টম রম গুলোর মধ্যে MiUi নিঃসন্দেহে অন্যতম। MiUiএর পূর্ণনাম XiaoMI User Interface। এটির নির্মাতা হল চাইনিজ অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ও স্মার্টফোন.ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি Xiaomi Tech। এটির এত জনপ্রিয়তার মূল কারণ হল Xiaomi অ্যান্ড্রয়েডের স্টক রমকে কাস্টমাইজ করে এতে অ্যাপেল এর ios ও স্যামসাং এর টাচওয়িয (TouchWiz) এর মিলিত UI সংযোজন করে চমক দেখিয়েছে। এই রমটি i-phone রম নামেও পরিচিত কারণ এটির ইউজার ইন্টারফেস i-phone রম বেসড।
N দিয়ে শুরুঃ-
NFC: নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশনের সংক্ষিপ্ত রূপ। এই প্রযুক্তির ফলে কোন প্রকার ইন্টারনেট বা ব্লুটুথ সংযোগ ছাড়াই দু'টি এনএফসি-এনাবলড ডিভাইস পাশাপাশি রেখে রেডিও সিগন্যালের মাধম্যে ফাইল ট্রান্সফার করা যায়। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস থ্রি'র বিজ্ঞাপনে অনেকে এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে থাকবেন।
Nexus: নেক্সাস গুগলের নিজস্ব স্মার্টফোন। (যার ম্যানুফ্যাকচারার হল LG, তবে Samsung এবং HTCও ২/১টি সেট বের করেছে) এটি "Pure Google" ডিভাইস নামেও পরিচিত মানে নেক্সাস ইউজে আসল অ্যান্ড্রয়েডের অনুভুতি পাওয়া যায় এবং অ্যান্ড্রয়েডের যেকোন আপডেট বা আপগ্রেড প্রথম নেক্সাস ডিভাইসে পাওয়া যায়। নেক্সাসের সিরিজের ডিভাইসগুলো হল Nexus One, Nexus S, Nexus 4, Nexus 7, Nexus 10, Galaxy Nexus.
O দিয়ে শুরুঃ-
OS: ডিভাইসের মূল সিস্টেম সফটওয়্যার। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমই হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড। অন্য কোথায়, অ্যান্ড্রয়েডই হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম। তবে এর বিভিন্ন সংস্কণের বিভিন্ন নাম রয়েছে। যেমনঃ জিঞ্জারব্রেড, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিন ইত্যাদি।
Overclock: প্রসেসরের গতিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়িয়ে তোলাকে ওভারক্লক বলা হয়। তবে একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওভারক্লক করলে ডিভাইস স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
OTG: OTG এর পূর্নরুপ হচ্ছে On The Go। এক বিশেষায়িত কেবল, যার সাহায্যে ওটিজি সাপোর্টেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ ও গেমপ্যাড চালানো যায়।
দিয়ে শুরুঃ-
Processor: সিপিইউকেই প্রসেসর বলে ডাকা হয়ে থাকে। তবে আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে, ডিভাইসের যাবতীয় কাজ যে হার্ডওয়্যার সম্পন্নকরে তাকেই প্রসেসর বলে।
PIN: PIN এর পূর্নরুপ হচ্ছে Personal Identification Number. যাতে চারটি ডিজিট থাকে।
Pixel: ডিসপ্লের প্রতিটি ফোটাকে (ডট) পিক্সাল বলে। এই পিক্সালের জন্যই আমরা ডিসপ্লেতে বিভিন্ন ইমেজ ও টেক্সট দেখতে পারি।
Q দিয়ে শুরুঃ-
QR Code: এটি ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট বারকোড যখন স্মার্টফোনের মাধ্যমে এটি দিয়ে স্ক্যান করবেন তখন এটি ওয়েব লিঙ্ক ওপেন করতে পারবে, অ্যাপ্লিকেশানটির ডাউনলোডেড মার্কেট ওপেন করতে পারবে, ইত্যাদি।
দিয়ে শুরুঃ-
Retina Display: রেটিনা ডিসপ্লে এমন ধরনের ডিসপ্লে যা মানুষের সাধারন চোখ দিয়ে পিক্সেলগুলোকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব
নয়। এর ছবির কোয়ালিটি,শার্পনেস খুবই উন্নত মানের।
Root:
ডিভাইসের পূর্ণ কর্তৃত্ব হাতে নেয়ার প্রক্রিয়া।
Rom: রম হচ্ছে রিড অনলি মেমোরির সংক্ষিপ্ত রূপ। অ্যান্ড্রয়েড জগতে রম দুই ধরনের হয়ে থাকে। স্টক রম ও কাস্টম রম। এগুলো হচ্ছে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে থাকা কিছু ড্যাটা যা অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে লোড হয়ে থাকে। মূলত এটিই পুরো ডিভাইসের ইন্টারফেসকে নিয়িন্ত্রন করে। স্টক রম হচ্ছে যেটি দিভাইসটির প্রস্তুতকারক কোম্পানি দিয়ে থাকে, আর কাস্টম রম হচ্ছে যেটি ব্যবহারকারীরা আলাদা ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারেন।
Reset: এটি ফোনকে পুনরায় বুট করে। রিসেট দু ধরনের সফট ও হার্ড। সফট রিসেট হল শুধুমাত্র ফোনকে অন অ্যান্ড অফ করার মাধম্যে ব্যাটারি পুল করে। আর হার্ড রিসেট ফ্যাক্টরি রিসেট নামেও পরিচিত। ফ্যাক্টরি রিসেট করলে এটি আপনার সকল যাবতীয় ইনফরমেশন ওয়াইপ বা মুছে ফেলবে। সাধারণত ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় যখন ফোন অনেক স্লো, কোন কিছু ক্র্যাশ এবং প্যাটার্ন লক না খোলা গেলে। ফ্যাক্টরি রিসেট সেটিং বা রিকভারি মড
থেকে করা যায়।
Resolution: রেজুলেশান বুঝাতে কত সংখ্যক নিজস্ব পিক্সাল ডিসপ্লেতে আছে। সবচেয়ে কমন ফোন রেজুলেশান হল ১২৮০ বা ৭২০ পিক্সাল। ৭২০পি হল সর্ট ডাইমেনশান আর ১২৮০পি হল লং। যদি আপনার ডিসপ্লেতে উজ্জ্বল ও ঝঁকঝকে ছবি পেতে পার ইঞ্চি পিক্সাল ডিসপ্লেতে প্রচুর পরিমানে থাকা বাঞ্ছনীয়।
Recovery Mode: এডমিনিস্ট্রেশান সংক্রান্ত ফোন বা ট্যাবের যেকোন কাজ সম্পান্দন করতে রিকভারি মড ব্যবহার করা হয়। ফোন বা ট্যাব চালুর শুরুতে রিকভারি মড বুট করতে হয়। সাধারণত আনলক বুটলোডারে একটি সিম্পল রিকভারি মড দেয়া থাকে। তবে বেশি কাজ সম্পান্দনে কাস্টম রিকভারি মডই ব্যবহৃত হয়। জনপ্রিয় দুটি রিকভারি মড হল TeamWin Recovery Project (TWRP) এবং Clockwork (CWM)।
S দিয়ে শুরুঃ-
Stock: ফোন বা ডিভাইসের সাথে ডিফল্ট যেসব থাকে সেগুলোকে স্টক বলে। যেমনঃ স্টক ব্রাউজার, স্টক রম ইত্যাদি।
SDK: SDK এর পূর্নরুপ হচ্ছে Software Development Kit. এটি একটি বিশেষায়িত টুল কিট যার মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশান ডেভেলপ করা যায়।
Super AMOLED: ডিসপ্লে জগতে এমোলেড অনন্য। আর সুপার এমোলেড তার পরবর্তী সংযোজন। এটি এমোলেড থেকে উজ্জ্বল, অধিক ব্যাটারি সাশ্রয়ী এবং কম আলো প্রতিফলিত করে। উল্লেখ্য স্যামসাংই প্রথম এমোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করে।
Super AMOLED Plus: পূর্ববর্তী এমোলেডের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে সুপার এমোলেড প্লাস এর আগমন, যাতে ৫০% এরও বেশি সাব পিক্সাল এবং আরজিবি মেট্রিক্স সংযোজন করা হয়েছে। ফলে এটি এখন পাতলা, উজ্জ্বল এবং আরো কার্যকরী. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৪ এর অন্যতম আকর্ষণ হল এই সুপার এমোলেড প্লাস ডিসপ্লে।
T দিয়ে শুরুঃ-
Tweak: ডিভাইসের কোন।সেটিংসে ছোটখাটো পরিবর্তন আনা।
TouchWiz: স্যামসাং এর নিজস্ব লউনচার বা ইউজার ইন্টারফেস।
U দিয়ে শুরুঃ-
Underclock: প্রসেসরের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে আনাকে আন্ডারক্লক বলে। ফোন যখন অলস পড়ে থাকে সেই সময়ে প্রসেসরের কাজ কমিয়ে এনে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে আন্ডারক্লক বলা হয়।
Unroot: রুট করে সুপারইউজার পারমিশন পাওয়া যায়। এই পারমিশনকে বাতিল করে ডিভাইসকে আগের মতো লক করার পদ্ধতিকে বলে আনরুট।
Unlock Root: একটি পিসি অ্যাপ যার সাহায্যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এক ক্লিকে রুট করা যায়।
USB: USB = Universal Serial Bus. যার মাধ্যমে ফোন বা ট্যাবকে পিসির সাথে সংযোগ করা যায়।
V দিয়ে শুরুঃ-
Vanilla: একটি টিম যা স্টক অ্যান্ড্রয়েডকে বর্ণনা করে।
Vroot: একটি পিসিঅ্যাপ্স যার সাহায্যে Android ডিভাইস Root করা যায়।
W দিয়ে শুরুঃ-
Widget: ওইগেট হল কোন অ্যাপের সর্টকার্ট আইকন যা হোমস্ক্রিন বা ফোন'স ডেক্সটপ সেট করে ঐ অ্যাপকে দ্রুত এক্সেস করা যায়।
Wipe: ডিভাইসের কোন ইনফো মুছে ফেলাই হল ওয়াইপ।
X দিয়ে শুরুঃ-
XDA: এক্সডিএ হলো অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ডেভেলপারদের সবচেয়ে বড় ফোরাম। বেশিরভাগ কাস্টম রমসহ বিভিন্ন অ্যাডভান্সড বিষয়ে এখানেই আলোচনা করা হয়।
Xperia: সনি এর অ্যান্ড্রয়েড বেসড স্মার্টফোন সিরিজ।
দিয়ে শুরুঃ-
YouTube: গুগল ওয়েব বেসড ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা। স্টক রমে ইউ টিউব অ্যাপটি দেয়াই থাকে, না থাকলে প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করে নেয়া যায়, কিন্তু এটি দিয়ে কোন ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না।
Z দিয়ে শুরুঃ-
z4root:
একটি পিসি অ্যাপ যার সাহায্যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এক ক্লিকে রুট করা যায়
[তথ্য সুত্র- Tips-Tune.com]

Monday, October 27, 2014

নিরাপদে রাখুন এন্ড্রোয়েড ফোন Pocket Lock সফটওয়্যার দিয়ে একদম ফ্রী

বিজ্ঞান অসম্ভব কাজ কে আজ সম্ভব করে বিশ্বকে জয় করেছে। আমাদের যেখানে যে জিনিসের অভাব বা প্রয়োজন বোধ মনে হয় তখনি বিজ্ঞান সে কাজকে সহজ ও সরল করে দিয়েছে। তাই বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে এক মুহূর্ত ভাবা চলে না। তেমনি সময় অগ্রগতির সাথে সাথে বিজ্ঞান মানুষের কঠিন কাজকে নিজের মতো করে সমাধান করে দিচ্ছে। আর এই সকল সমস্যার সমাধান করে দিতেই বুঝি সফটওয়্যার এর আবির্ভাব । যেমন- ধরুন আপনি আপনার মোবাইল ফোন লক করতে ভুলে গেছেন তার ফলে আপনার মোবাইলে ফোন কোন কারনে চাপ পরে অন্য ব্যক্তির কাছে ফোন চলে গেছে। আপনি বুঝতেই পারলেন না। কাউকে ফোন করতে গিয়ে দেখলে আপনার মোবাইলে ফোন করার মতো যথেষ্ট Balance নেই। তার পর কল হিস্টোরিতে গিয়ে দেখলেন আপনার ফোন অন্য জায়গায় গিয়ে Balance শুন্য হয়ে গেছে। তখন আপনার আর করার কিছু থাকে না, আর এই সমস্যার সমাধান দিতেই Pocket Lock সফটওয়্যার বাজারে এসেছে। Pocket Lock এর কাজ হল আপনি আপনার Mobile ফোন পকেটে ভরলেই লক সৃষ্টি করবে এবং যখন পকেট থেকে বের করবেন তখন অটোমেটিক আনলক হবে। কি দারুন তাই না ! আর আপনাকে অযথা টাকা গচ্ছা দিতে হবে না। তাই আপনারা যারা এখনো এই সফটওয়্যার টি ব্যবহার করেননি একবার পরখ করে নিতে পারেন।
পড়ুন-The First Microsoft Nokia Lumia 730 Phones Coming


Pocket Lock


ডাউনলোড করতে নিচের দেওয়া লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আশা রাখি আপনার ভালো লাগবে।
Download link: Pocket Lock.apk সফটওয়্যার পেতে এখানে ক্লিক করুন। 
কিংবা  pocket lock.apk এ ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগদান দিতে এখানে ক্লিক করুন।
সমস্যা ও সমাধানঃ-
লিঙ্কে ক্লিক করার পর পাঁচ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন এবং ডান দিকের উপরে লেখা SKIP AD অপশন টিতে ক্লিক করুন। আপনার কাংখিত সাইটে পৌঁছে যাবেন। ভালো লাগলে শেয়ার করুন। আপনার কোন মন্তব্য বা সমস্যা হলে সমস্যা ও সমাধান বিভাগে কমেন্ট করতে ভুলবেন না প্লিস। ধন্যবাদ